kalerkantho

শনিবার । ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ৬ জুন ২০২০। ১৩ শাওয়াল ১৪৪১

করোনায় আক্রান্ত

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন আইসিইউতে

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৮ এপ্রিল, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন আইসিইউতে

করোনাভাইরাসে (কভিড-১৯) আক্রান্ত ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনকে লন্ডনের একটি হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় স্থানীয় সময় সোমবার সন্ধ্যায় (বাংলাদেশ সময় সোমবার মধ্যরাত) তাঁকে আইসিইউতে নেওয়া হয়। এর আগে রবিবার তাঁকে ভর্তি করা হয় ওই হাসপাতালে।

ডাউনিং স্ট্রিটের একজন মুখপাত্রের বরাত দিয়ে বিবিসি জানায়, চিকিৎসকদের পরামর্শেই প্রধানমন্ত্রী জনসনকে আইসিইউতে নেওয়া হয়েছে। সেখানে তাঁর পরিচর্যা ভালোই হচ্ছে। রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ প্রধানমন্ত্রীর শারীরিক অবস্থার বিষয়ে নিয়মিত খোঁজখবর রাখছেন।

সরকারের একজন মুখপাত্র জানান, জনসন তাঁর পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডমিনিক রাবকে ‘প্রয়োজন অনুযায়ী’ সরকারপ্রধানের কাজ চালিয়ে যেতে বলেছেন।

৫৫ বছর বয়সী জনসনের দেহে গত ২৭ মার্চ করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়ে। এর পর থেকে তিনি ডাউনিং স্ট্রিটের বাসভবনেই আইসোলেশনে ছিলেন। আক্রান্ত হওয়ার ১০ দিন পরও উপসর্গ কমার লক্ষণ না দেখা যাওয়ায় রবিবার রাতে তাঁকে লন্ডনের সেন্ট টমাস হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। 

বিবিসি আরো জানায়, সোমবার দুপুরের পর প্রধানমন্ত্রী জনসনের অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে প্রথমে অক্সিজেন দেওয়া হয়। পরে আইসিইউতে নেওয়া হয়। সেখানে ভেন্টিলেটরের ব্যবস্থা থাকলেও এখনো সেটি তাঁর প্রয়োজন পড়েনি।

বিবিসি জানায়, প্রথমে বলা হচ্ছিল প্রধানমন্ত্রী নিয়ন্ত্রণে আছেন এবং তিনি যোগাযোগ রাখছেন। তবে এখন সম্পূর্ণ ভিন্ন বার্তা দেওয়া হচ্ছে। তাঁর শারীরিক অবস্থার গুরুত্বপূর্ণ কিছু পরিবর্তন হয়েছে। যার ফলে তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে দায়িত্ব নেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছেন, যেখানে তাঁর থাকার কথা।

বিবিসি জানায়, সাধারণত যাদের অবস্থা খুবই খারাপ তাদের আইসিইউতে রাখা হয়। প্রধানমন্ত্রী জনসনকে যে আইসিইউতে রাখা হয়েছে, তা থেকে বোঝা যায় তিনি কতটা গুরুতর অসুস্থ।  

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁসহ বিশ্বনেতারা জনসনের প্রতি সমবেদনা ব্যক্ত ও তাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন। ট্রাম্প তাঁকে একজন ভালো বন্ধু হিসেবে বর্ণনা করে বলেন, ‘মি. জনসন খুবই শক্তমনা এবং সহজে হার মানেন না।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা