kalerkantho

শুক্রবার। ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ৪ ডিসেম্বর ২০২০। ১৮ রবিউস সানি ১৪৪২

অর্থমন্ত্রী বললেন

সংকট মোকাবেলায় প্রয়োজনে চীনের মতো বিশেষ হাসপাতাল

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৯ মার্চ, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



সংকট মোকাবেলায় প্রয়োজনে চীনের মতো বিশেষ হাসপাতাল

করোনাভাইরাস মোকাবেলায় প্রয়োজনে চীনের মতো বিশেষ হাসপাতাল তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। তিনি বলেছেন, করোনাভাইরাস মোকাবেলায় যত টাকা প্রয়োজন হবে তা দিতে সরকার প্রস্তুত। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় যদি প্রয়োজনে চীনের মতো বিশেষ হাসপাতাল তৈরির উদ্যোগ নেয়, তাহলে তাতেও অর্থায়ন করা হবে। গতকাল বুধবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন ও মন্ত্রিপরিষদের অতিরিক্ত সচিব নাসিমা বেগম উপস্থিত ছিলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী সার্বক্ষণিকভাবে সব প্রস্তুতি মনিটর করছেন। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে যখন যা চাইবে তা দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, ‘আমাদের আর্থিক সক্ষমতা রয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের যন্ত্রপাতি বা লজিস্টিক সাপোর্ট দরকার হলে সেটা করা হবে। চীন যেভাবে কম সময়ের মধ্যে হাসপাতাল করেছে, সে ধরনের কোনো হাসপাতাল করার প্রয়োজন হলে করা হবে। আমি বিশ্বাস করি, প্রধানমন্ত্রী কখনো না করবেন না এ খাতে অর্থায়ন করতে। আমরাও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে অর্থায়ন করে সব রকমভাবে সাহায্য করব।’

করোনাভাইরাস মোকাবেলায় আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল সংস্থা (আইএমএফ) ৫০ বিলিয়ন ডলার অর্থ বরাদ্দ করেছে। সেই টাকা বাংলাদেশ পাবে কি না জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, আইএমএফসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা তাদের সদস্য দেশগুলোকে করোনাভাইরাস মোকাবেলায় সহযোগিতা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। তারা যখন অর্থ ছাড় করবে তখন আমারাও পাব। তবে আমরা সে অর্থের আশায় বসে থাকব না। আমরা আমাদের নিজস্ব তহবিল দিয়ে এই অবস্থা মোকাবেলা করব।’

এ সময় তিনি জানান, কোনো প্রতিষ্ঠান ট্যাক্স ফাইল হালনাগাদ করে জমা না দিলে তাকে সরকারি কাজের জন্য ঠিকাদার নিয়োগ দেওয়া হবে না। অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের সরকারি ক্রয় কমিটির বৈঠক থেকে যেসব ঠিকাদারকে যতগুলো প্রকল্প অনুমোদন দেব তাদের ট্যাক্স ফাইল হালনাগাদ আছে কি না তা দেখা হবে। যাদের হালনাগাদ নেই তাদের এ কাজ থেকে বাইরে রাখাব।’

তিনি বলেন, ‘ঠিকাদারদের সম্পদের পরিমাণ কত এবং কী পরিমাণ তাঁরা ট্যাক্স জমা দেন, ট্যাক্স প্রদানের সর্বশেষ সার্টিফেকেট কাজ পাওয়ার জন্য টেন্ডারপত্রের সঙ্গে দিতে হবে। আমরা এসব কাগজপত্র জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করে দিয়েছি। এর মাঝেও আমরা নতুন করদাতা পাব। রাজস্ব আদায় বাড়াতে আমরা এ কাজ করেছি।’

 

মন্তব্য