kalerkantho

বুধবার । ২৫ চৈত্র ১৪২৬। ৮ এপ্রিল ২০২০। ১৩ শাবান ১৪৪১

শর্ট সার্কিট থেকে বিছানায় আগুন নারীর মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



শর্ট সার্কিট থেকে বিছানায় আগুন নারীর মৃত্যু

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে বহুতল ভবনে গতকাল শুক্রবার অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ হয়ে মাবিয়া বেগম (৫৫) নামে একজনের মৃত্যু হয়েছে। পক্ষাঘাতগ্রস্ত এই নারী দীর্ঘদিন ধরে শয্যাশায়ী ছিলেন। আর ওই অবস্থায় তাঁর চিকিৎসায় ব্যবহৃত বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি থেকে শর্ট সার্কিটে অগ্নিকাণ্ড ঘটে। এর আগে গত বুধবার শেষ রাতে রাজধানীর মগবাজারে পাঁচ তলাবিশিষ্ট এক ভবনে অগ্নিকাণ্ডে শিশুসহ তিনজনের মৃত্যু হয়। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি রয়েছেন সন্তানহারা মা-বাবা। তাঁদের অবস্থা গুরুতর।

ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষ জানায়, গতকাল সকাল ৯টা ১৩ মিনিটের দিকে মোহাম্মদপুর বাঁশবাড়ী মন্দির রোডে ১৩/জি হোল্ডিংয়ে ১৪ তলা ভবনের ষষ্ঠ তলায় বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে দগ্ধ এক নারীর লাশ উদ্ধার করে। তিনি ছেলে নূর মোহাম্মদের বাসায় থাকতেন।

মাবিয়ার স্বামী পরম আলী বলেন, ঘটনার কিছুক্ষণ আগে তিনি নিচে নেমেছিলেন চা পান করতে। পরিবারের অন্যরা বাসায় ছিলেন। খবর পেয়ে বাসায় ফিরে দেখেন এই অবস্থা। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী শরীরের ঘা শুকানো ও থেরাপির জন্য দুটি যন্ত্র মাবিয়ার বিছানার পাশে সংযুক্ত ছিল। ওই যন্ত্র থেকেই আগুন লাগে বলে ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষ তাকে জানিয়েছে।

মোহাম্মদপুর ফায়ার সার্ভিস স্টেশন কর্মকর্তা আশরাফুল ইসলাম বলেন, পক্ষাঘাতগ্রস্ত ওই নারীর থেরাপি নেওয়ার সময় বিছানায় আগুন লেগে এ ঘটনা ঘটেছে। ওই নারীর বিছানার সঙ্গে দুটি চিকিৎসা সরঞ্জাম সংযুক্ত ছিল, যেগুলো বিদ্যুতে চলে। সারা রাত চালু থাকায় যন্ত্রটি অতিরিক্ত গরম হয়ে পড়েছিল। এরপর শর্টসার্কিট হয়ে বিছানায় আগুন লাগলে তিনি দগ্ধ হয়ে মারা যান। ফায়ার সার্ভিসকর্মীরা পৌঁছার আগেই স্থানীয় লোকজন আগুন নিভিয়ে ফেলে। আগুনে ওই নারীর শরীরে থাকা লেপ ও বিছানার তোষক পুড়ে গেছে। আগুনে বাসার সরঞ্জামের তেমন ক্ষতি হয়নি।

ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে মোহাম্মদপুর থানার এএসআই মোহাম্মদ ফিরোজের কাছে হস্তান্তর করে ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষ। পরে পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ মর্গে পাঠায়।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা