kalerkantho

বৃহস্পতিবার  । ২৬ চৈত্র ১৪২৬। ৯ এপ্রিল ২০২০। ১৪ শাবান ১৪৪১

বিশেষজ্ঞ মত

রমজান ঘিরে অসাধু ব্যবসায়ীরা ওত পেতে থাকে

গোলাম রহমান

২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রমজান ঘিরে অসাধু ব্যবসায়ীরা ওত পেতে থাকে

চিনির দাম বাড়ার কোনো কারণ নেই। তবে রজমান এলেই ব্যবসায়ীরা কোনো একটি অতিপ্রয়োজনীয় পণ্যকে টার্গেট করে দামে কারসাজি করে। হয় কোনো বছর ভোজ্য তেল, অথবা কোনো বছর চিনি। রমজান মাস এলে অতি মুনাফা করতে তারা সক্রিয় হয়ে ওঠে। এ ক্ষেত্রে বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারকে আরো সক্রিয় হতে হবে। মূল্যবৃদ্ধির কারণ অনুসন্ধান করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।

রমজান মাস এলেই অসাধু ব্যবসায়ীরা ওত পেতে থাকে, সুযোগ পেলেই বাজার অস্থির করে। রমজান মাসকে ঘিরে প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়াচ্ছে। এর আগেও ব্যবসায়ীরা পণ্যের দাম বাড়িয়েছে, মুনাফা লুটেছে; কিন্তু কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এই ব্যবসায়ীদের নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে বাজার আরো অস্থির হয়ে উঠতে পারে। রমজানে বাজার নিয়ন্ত্রণ দুরূহ হয়ে পড়তে পারে।

আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীরা এখন বলছেন, আন্তজার্তিক বাজারেই চিনির দাম বেড়েছে। এ ক্ষেত্রে চিনি আমদানিতে কর কমানোর একটি প্রস্তাব বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। বাজার স্থিতিশীল করতে সেটি বিবেচনায় নিতে হবে।

সরকারের দায়িত্ব বাজার স্থিতিশীল রাখা। আর বাজার স্থিতিশীল করতে যে ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন, সেটা নিতে হবে। ব্যবসায়ীদের কারসাজি রুখতে সরকারকে আরো সচেষ্ট হতে হবে। রমজানে চিনির বাজার স্থিতিশীল রাখতে কর কমিয়ে বা সমন্বয় করে বাজার ঠিক রাখতে হবে। পণ্যের দাম বাড়লে বাজারে ক্রেতার ওপর বাড়তি চাপ পড়ে, সেটা রোধ করতে সরকারকে সচেষ্ট হতে হবে। ব্যবসায়ীরা যেন রমজানকে ঘিরে অতি মুনাফা করতে না পারে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

লেখক : সভাপতি, কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা