kalerkantho

সোমবার  । ১৬ চৈত্র ১৪২৬। ৩০ মার্চ ২০২০। ৪ শাবান ১৪৪১

বৈশ্বিক সূচকে ৬ ধাপ উন্নতি

বাংলাদেশে উগ্রবাদের ঝুঁকি কমেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



বাংলাদেশে উগ্রবাদের ঝুঁকি কমেছে

উগ্রবাদের ঝুঁকি সূচকে বাংলাদেশের ছয় ধাপ অগ্রগতি হয়েছে। ২০১৮ সালের অবস্থান থেকে ছয় ধাপ এগিয়ে ২০১৯ সালে বাংলাদেশের অবস্থান দাঁড়িয়েছে ৩১তম। এ ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ বিশ্বের অনেক দেশই বাংলাদেশের পেছনে রয়েছে। সর্বস্তরের জনগণের সহায়তা, গণমাধ্যমের ভূমিকা, প্রশাসনের দক্ষতাসহ সব কিছু মিলিয়ে দেশে উগ্রবাদের ঝুঁকি ধীরে ধীরে কমে আসছে।

সেন্টার ফর সোশ্যাল অ্যাডভোকেসি অ্যান্ড রিসার্চ ফাউন্ডেশন (সিসার্ফ) আয়োজিত ‘উগ্রবাদ রোধে গণমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক সেমিনারে কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম এই তথ্য জানান।

গতকাল শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এই সেমিনারে আরো বক্তব্য দেন বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল এটিএন বাংলার সিইও জ ই মামুন, জিটিভির প্রধান সম্পাদক সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা, ৭১ টিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল হক বাবু প্রমুখ।

মনিরুল ইসলাম বলেন, গ্লোবাল টেররিজম ইনডেক্সে ঝুঁকির দিক থেকে বিশ্বের অন্য অনেক দেশের চেয়ে বাংলাদেশ এগিয়ে রয়েছে। সূচকে ২০১৭ সালে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ২১তম। ওই সময় পাকিস্তান ও ভারত ছিল তালিকার ১০ নম্বরের মধ্যে। ২০১৮ সালে চার ধাপ অগ্রগতি হয়ে বাংলাদেশ ২৫তম স্থানে অবস্থান করে। আর ২০১৯ সালের প্রতিবেদনে বাংলাদেশ আরো ছয় ধাপ এগিয়ে ৩১তম হয়।

অস্ট্রেলিয়ার সিডনিভিত্তিক গবেষণাপ্রতিষ্ঠান ইনস্টিটিউট ফর ইকোনমিকস অ্যান্ড পিস (আইইপি) বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদ সূচক নিয়ে প্রতিবছর এই প্রতিবেদন প্রকাশ করে। স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও অলাভজনক প্রতিষ্ঠান আইইপি মানুষের ভালো থাকা ও অগ্রগতির ক্ষেত্রে ইতিবাচক ও অর্জনযোগ্য পদক্ষেপ হিসেবে বিশ্বজুড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার পক্ষে কাজ করে আসছে। প্রতিষ্ঠানটি এবার ২৩টি গুণগত ও পরিমাণগত নির্দেশকের ভিত্তিতে ১৬৩টি দেশের পরিস্থিতি নিয়ে বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদ সূচক ২০১৯ প্রকাশ করে। এতে বাংলাদেশের স্কোর ৫ দশমিক ২০৮। সে হিসাবে এ দেশে সন্ত্রাসবাদের প্রভাব মাঝারি মাত্রার।

মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা দেখেছি, ১৫ থেকে ৩০ বছর বয়সী তরুণরাই উগ্রবাদে বেশি জড়িয়েছে। এ কারণে আমরা সারা দেশে পাড়া-মহল্লার সব জায়গায় পোস্টার ও বিলবোর্ড লাগিয়েছি। পরিবার, স্কুল, কলেজ ও মাদরাসা এবং বিশ্ববিদ্যালয়সহ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কাজ করছি। কারণ উগ্রবাদে জড়ানোর বিষয়টি প্রথম তাদের কাছেই ধরা পড়ে।’ ধর্মীয় বক্তাদের নিয়ে কাজ করার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘ধর্মীয় বক্তারা ওয়াজ মাহফিলে নারী ও অন্যান্য ধর্মকে নিয়ে বিদ্বেষমূলক বক্তব্য দেন। সেটি যেন তাঁরা করতে না পারেন সে জন্য আমরা কাজ করছি।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা