kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৭ চৈত্র ১৪২৬। ৩১ মার্চ ২০২০। ৫ শাবান ১৪৪১

ফিলিং স্টেশনে তদারকি নেই

জ্বালানি সরবরাহের সময় যানবাহনের ফিটনেস সার্টিফিকেট পরীক্ষা হচ্ছে না

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



জ্বালানি সরবরাহের সময় যানবাহনের ফিটনেস সার্টিফিকেট পরীক্ষা হচ্ছে না

রাজধানীর ফিলিং স্টেশনগুলোতে যানবাহনে জ্বালানি সরবরাহের সময় সেগুলোর ফিটনেস সার্টিফিকেট পরীক্ষা করা হচ্ছে না। এ বিষয়ে উচ্চ আদালতের নির্দেশনা থাকলেও তা মানছে না ফিলিং স্টেশনগুলো। তাদের মতে, ফিটনেস সার্টিফিকেট পরীক্ষা করা ফিলিং স্টেশনের কর্মচারীদের কাজ নয়। আর সার্টিফিকেট দেখে জ্বালানি দিতে গেলে ফিলিং স্টেশনের আলাদা লোকবল লাগবে। এ ছাড়া সময়ক্ষেপণ হবে বলে তীব্র যানজট সৃষ্টি হবে।

সরেজমিনে গতকাল রবিবার বিকেল সোয়া ৪টায় রাজধানীর কারওয়ান বাজারে অবস্থিত কানাডা বাংলা ফিলিং স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে চারটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা, একটি পিকআপ ভ্যান, ল্যাবএইডের স্টিকার লাগানো একটি মাইক্রোবাস জ্বালানি সংগ্রহ করছে। সেখানে প্রায় ১৫ মিনিট অপেক্ষা করে দেখা যায়, ফিলিং স্টেশনটির কর্মচারীরা কোনো যানেরই ফিটনেস সার্টিফিকেট না দেখে জ্বালানি সরবরাহ করছেন।

একটি মাইক্রোবাসে জ্বালানি সরবরাহ করছিলেন কানাডা বাংলা ফিলিং স্টেশনের কর্মচারী মনা। তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘ফিটনেস সার্টিফিকেট চেক করা আমাদের কাজ নাকি? হাইকোর্টের নির্দেশের পরে কিছুদিন আমরা ফিটনেস সার্টিফিকেট চেক করে গ্যাস দিতাম। কিন্তু এখন আর এসব চেক করার সময় নেই। সব গাড়ির ফিটনেস চেক করতে গেলে তো আমাদের পাম্পে জ্যামই শেষ হবে না।’ তিনি বলেন, এটি করতে গেলে আলাদা লোকও লাগবে।

বিকেল ৪টা ২৫ মিনিটের সময় দেখা গেল ফিলিং স্টেশনটিতে মাত্র একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা জ্বালানি সংগ্রহ করছে। কিন্তু তখনও ফিটনেস সার্টিফিকেট দেখা হলো না।

এর আগে বিকেল ৩টার দিকে আসাদগেটে সোনার বাংলা ফিলিং স্টেশনে গিয়ে দেখা যায় পাঁচটি প্রাইভেট কার জ্বালানি সংগ্রহ করছে। সেখানে খানিকটা সময় অপেক্ষা করে দেখা যায় একটি গাড়িরও ফিটনেস সার্টিফিকেট না দেখেই জ্বালানি সরবরাহ করা হচ্ছে।

একটি প্রাইভেট কারের চালক আব্দুর রহমান কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘ঢাকার বিভিন্ন পেট্রল ও গ্যাস ফিলিং স্টেশন থেকে আমি জ্বালানি নিয়ে থাকি। কিন্তু কোথাও ফিটনেস সার্টিফিকেট দেখাতে হয় না।’

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একটি ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘গাড়ির ফিটনেস ঠিক আছে কি না, এটা দেখার দায়িত্ব আমাদের নয়। এর জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান আছে। জ্বালানি নিয়ে তো গাড়িগুলো ঘরে বসে থাকে না। সেগুলো রাস্তায়ই চলে। ফিটনেস দেখার কাজ যাদের তারা তো সেখানেই এসব দেখতে পারে।’

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা