kalerkantho

শনিবার। ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ৫ ডিসেম্বর ২০২০। ১৯ রবিউস সানি ১৪৪২

ব্যবসায়ীদের নজরদারিতে রাখা হয়েছে

এম সায়েম টিপু   

১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ব্যবসায়ীদের নজরদারিতে রাখা হয়েছে

পুলিশের বিশেষ শাখার গোয়েন্দা প্রতিবেদনে নিত্যপণ্যের বাজারে ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট থাকার কথা বলা হলেও রমজানে পণ্যের দাম বাড়বে না বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। তিনি বলেন, ব্যবসায়ীরা যাতে সিন্ডিকেট করতে না পারে সে জন্য সজাগ রয়েছে সরকার। এ জন্য সংশ্লিষ্টদের ইতিমধ্যে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কালের কণ্ঠ’র সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে এসব কথা জানান বাণিজ্যমন্ত্রী। আসন্ন রমজানে বাজারে ভোগ্যপণ্যের দাম ও সরবরাহ নিয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রস্তুতি কেমন জানতে চাইলে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, ‘আসন্ন রমজানে যেন কোনো ভোগ্যপণ্যের দাম না বাড়ে সে জন্য সরকার পুরোপুরি প্রস্তুত। এ জন্য ব্যবসায়ীদের নজরদারির মধ্যে রাখা হয়েছে। বর্তমানে বাজারে ভোজ্য তেলের দাম কিছুটা বেশি। আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়ায় স্থানীয় বাজারেও এর প্রভাব পড়েছে। তবে এ বছর আশা করি কোনো সমস্যা হবে না। এ ছাড়া ব্যবসায়ীরা কী পরিমাণ ঋণপত্র খুলেছে, তার সব খবরাখবর আমরা রাখছি।’ 

সরকার সব সময় পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করে। তার পরও রমজান মাসে বেশি ব্যবহার—এমন পণ্যের দাম কয়েক গুণ বেড়ে যায়। এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘রমজান মাসে সাধারণত অন্য সময়ের চেয়ে পণ্যের চাহিদা একটু বেশি থাকে। ফলে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করে। বাড়তি দাম নেওয়ার প্রবণতা দেখা যায়। তবে গত বছর রমজানে আমরা নিত্যপণ্যের দাম ভোক্তাদের নাগালের মধ্যে রাখার চেষ্টা করেছি। এবারও আশা করছি নিত্যপণ্যের দাম বাড়বে না। এ জন্য সরকার সতর্ক রয়েছে। ভোজ্য তেলের যথেষ্ট মজুদ আছে। সুতরাং দাম বাড়ার সুযোগ নেই।’  

মন্ত্রী আরো বলেন, ‘বাজার মনিটরিংয়ের জন্য ভোক্তা অধিকারসহ ভ্রাম্যমাণ আদালতকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, তারা যেন সজাগ থাকে। তারা যথাযথ ব্যবস্থা নেবে এবং বাজার তদারকি করবে। সংশ্লিষ্ট সবাইকে আমরা চিঠি দিয়েছি। তার পরও আগামী সপ্তাহে আমরা খোঁজ-খবর নেব। চলতি সপ্তাহে ছোলা, তেল, ডাল, খেজুরসহ নিত্যপণ্যের নতুন করে ঋণপত্র খোলা হয়েছে। অন্য বছরের চেয়ে এবার ১০ গুণ বেশি ক্যাপাসিটি রাখা হবে। আশা করছি সমস্যা হবে না।’ 

রমজানে বাজারে ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেটের তৎপরতার আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘সিন্ডিকেটের ব্যাপারে আমরা পুরোপুরি সজাগ আছি। বাজারে যদি চাহিদা অনুসারে পণ্যের সরবরাহ রাখা যায়, তাহলে কোনো সমস্যা হবে না। চাহিদা অনুসারে সরবরাহ থাকলে সিন্ডিকেট করেও লাভ হবে না। গত বছরও তারা সুবিধা করতে পারেনি। এ বছরও পারবে না বলে আশা করছি।’

 

মন্তব্য