kalerkantho

বুধবার । ৬ ফাল্গুন ১৪২৬ । ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ২৪ জমাদিউস সানি ১৪৪১

আনসারদের প্রধানমন্ত্রী

সুরক্ষা ও উন্নয়ন নিশ্চিতে ভূমিকা রাখতে হবে

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



সুরক্ষা ও উন্নয়ন নিশ্চিতে ভূমিকা রাখতে হবে

আনসার বাহিনীকে দেশের সর্ববৃহৎ বাহিনী অভিহিত করে তাঁদের সততা, আন্তরিকতা এবং সাহসিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে জনগণের সুরক্ষা ও উন্নয়ন নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে গাজীপুরের সফিপুরে বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপি একাডেমিতে আনসার ও ভিডিপির ৪০তম জাতীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা চাই আপনারা দেশের সর্ববৃহৎ বাহিনী হিসেবে আপনাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব সততা, আন্তরিকতা ও সাহসিকতার সঙ্গে পালন করে জননিরাপত্তার ক্ষেত্রে অশুভ শক্তিকে পরাজিত করতে সমর্থ হবেন।’

একই সঙ্গে সরকারের উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে অব্যাহত রাখতে আনসার সদস্যদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনেরও আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি আরো বলেন, দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের পূর্বশর্ত স্থিতিশীল রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিবেশ বজায় রাখা। এ পরিবেশ বজায় রাখার ক্ষেত্রে আনসার সদস্যরাও গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। তিনি বলেন, ‘আমরা সবাই একযোগে কাজ করলে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশ অচিরেই বাস্তবে রূপান্তরিত করতে পারব, এটা আমার দৃঢ় বিশ্বাস।’

আনসার ও ভিডিপির প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সাহসিকতা ও কর্মদক্ষতা বর্তমানে সর্বজনস্বীকৃত।’ তিনি বলেন, ‘জাতীয় নির্বাচনসহ বিভিন্ন নির্বাচনে দায়িত্ব পালনসহ সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, উগ্রবাদ ও মৌলবাদ নির্মূলে আনসার বাহিনী বিশেষ ভূমিকা রেখে যাচ্ছে।’

প্রধানমন্ত্রী বক্তব্যে আনসার ও ভিডিপির উন্নয়নে তাঁর সরকারের নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী সমাবেশস্থলে পৌঁছলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব মোস্তাফা কামাল উদ্দীন এবং বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল কাজী শরীফ কায়কোবাদ তাঁকে অভ্যর্থনা জানান।

প্রধানমন্ত্রীকে বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ থেকে অভিবাদন জানানো হয়। প্রধানমন্ত্রী একটি সুসজ্জিত খোলা জিপে চড়ে প্যারেড পরিদর্শন এবং অভিবাদন গ্রহণ করেন।

দৃষ্টান্তমূলক কাজের স্বীকৃতি হিসেবে এ বছর আটটি ক্যাটাগরিতে ১৪৩ জন আনসার ও ভিডিপি সদস্যের মধ্যে ‘সেবা’ ও ‘সাহসিকতা’ পদক প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি অনুষ্ঠানে মরহুম আনসার সদস্য গোলাম মোস্তফার সহধর্মিণীর হাতে পদক (মরণোত্তর) তুলে দেন।

পরে আনসার ও ভিডিপি সদস্যদের পরিবেশনায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন প্রধানমন্ত্রী। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সংগ্রামী জীবন ও কর্ম তুলে ধরে নাটিকা, গীতিনাট্য এবং গম্ভীরা পরিবেশিত হয়। আনসার সদস্যদের দরবারেও যোগ দেন সরকারপ্রধান। তিনি আনসার একাডেমি প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারা রোপণ করেন এবং কেক কাটেন। সূত্র : বাসস।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা