kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৪ চৈত্র ১৪২৬। ৭ এপ্রিল ২০২০। ১২ শাবান ১৪৪১

এ ধরনের ঋণের উদ্দেশ্যটা প্রশ্নবিদ্ধ

ড. জাহিদ হোসেন

২৮ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



এ ধরনের ঋণের উদ্দেশ্যটা প্রশ্নবিদ্ধ

বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলার অনুযায়ী, পরিচালকরা নিজ ব্যাংক থেকে তাঁর শেয়ার পরিশোধিত মূলধনের ৫০ শতাংশ ঋণ নিতে পারবেন। কিন্তু অন্য ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রে এ রকম কোনো রুলস নেই। ফলে এ ক্ষেত্রে মনিটরিংয়ের ব্যবস্থাও নেই। এই সুযোগে এক ব্যাংকের পরিচালক অন্য ব্যাংক থেকে সহজে ঋণ নিতে পারেন। এ কারণে এ ক্ষেত্রে ঋণের ভলিউমও প্রায় ১১ শতাংশ।

এই ঋণের মধ্যে অবশ্যই খেলাপি আছে। যদিও সেটা কত, তা প্রকাশ করা হয়নি। এ ধরনের ঋণের উদ্দেশ্যটা প্রশ্নবিদ্ধ। এটি দুর্বল ক্যাটাগরিতে পড়ে।

এসব ঋণ কোন শর্তে দেওয়া হচ্ছে, সাধারণ ব্যবসায়ীরা যে শর্তে ঋণ পাচ্ছেন, সেই একই শর্তে দেওয়া হচ্ছে কি না, নাকি বিশেষ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে? আমি আপনাকে দিলাম, আবার আপনি আমাকে দিলেন, আমি ঋণ ফেরত দিলাম না, আপনিও দিলেন না, এভাবে যোগসাজশে হচ্ছে কি না; সেটি যাচাই করা জরুরি।

এটি ব্যাংকিং খাতের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। কারণ ব্যাংক পরিচালকরা যে ঋণ নিচ্ছেন, তা আমানতকারীদের অর্থ। ফলে ঝুঁকিতে থাকেন আমানতকারীরাই। ফলে এই বিষয়গুলো বিশেষ তদারকির দাবি রাখে। বিশেষ করে একজন পরিচালক ব্যাংক থেকে কী পরিমাণ ঋণ নিতে পারবেন, সেটা ভাবা দরকার। এর জন্য ব্যাংক কম্পানি আইনের সংশোধনের প্রয়োজনীয়তা আছে কি না, সেটাও বিশেষজ্ঞ দিয়ে পর্যালোচনা করা দরকার।

লেখক : সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ, বিশ্বব্যাংক, ঢাকা কার্যালয়

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা