kalerkantho

মঙ্গলবার । ৫ ফাল্গুন ১৪২৬ । ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ২৩ জমাদিউস সানি ১৪৪১

আ. লীগের সহযোগী সংগঠনগুলোর পূর্ণাঙ্গ কমিটি ফেব্রুয়ারিতে

আবদুল্লাহ আল মামুন   

২৫ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



আ. লীগের সহযোগী সংগঠনগুলোর পূর্ণাঙ্গ কমিটি ফেব্রুয়ারিতে

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনগুলোর পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা হচ্ছে না চলতি জানুয়ারি মাসেও। ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নির্বাচন এবং জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ উদ্‌যাপনের প্রস্তুতি নিয়ে নেতাদের ব্যস্ততার কারণে একই সঙ্গে আটকে গেছে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণাও।

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুতে ইতালি সফরে যাওয়ার কর্মসূচি রয়েছে। তিনি সফর শুরুর আগে বা সফর শেষে দেশে ফেরার পরপরই পর্যায়ক্রমে সংগঠনগুলোর পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন দিতে পারেন। আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা এমন তথ্য জানিয়েছেন।

আওয়ামী লীগের ২১তম ত্রিবার্ষিক জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় সদ্যোবিদায়ি বছরের ডিসেম্বরে। এর আগে নভেম্বর মাসে ক্ষমতাসীন দলটির সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন কৃষক লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, মৎস্যজীবী লীগ ও জাতীয় শ্রমিক লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। একই সঙ্গে অনুষ্ঠিত হয় ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সম্মেলন।

আওয়ামী লীগ সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ফারুক খান গত বৃহস্পতিবার কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘সম্মেলনের কারণে নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসজুড়ে ব্যস্ততা ছিল। আবার চলতি জানুয়ারিতে ব্যস্ত থাকতে হচ্ছে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচন নিয়ে। তবে সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনগুলোর পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের কাজ চলছে। সিটি নির্বাচনের পর তা ঘোষণা করা হবে।’

কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক উম্মে কুলসুম স্মৃতি বলেন, ‘কৃষক লীগের সাংগঠনিক নেত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার কাছে আমরা প্রস্তাবিত কমিটি জমা দিয়েছি। তিনি যেকোনো সময় পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন করতে পারেন। তার পরই আমরা কমিটি ঘোষণা করব।’

যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল বলেন, ‘সিটি নির্বাচন নিয়ে ব্যস্ততায় প্রস্তাবিত পূর্ণাঙ্গ কমিটির তালিকা করা যাচ্ছে না। নির্বাচনের পর দ্রুতই যুবলীগের প্রস্তাবিত পূর্ণাঙ্গ কমিটি সাংগঠনিক নেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে জমা দেওয়া হবে।’

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আবু আহমেদ মন্নাফীও সিটি নির্বাচনের কারণে তালিকা গঠনে বিলম্বের কথা জানান। একই সঙ্গে তিনি বলেন, ‘ক্যাসিনো কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা ও বিগত সময়ে বিভিন্ন কারণে বিতর্কিতদের বাদ দিয়ে স্বচ্ছ ভাবমূর্তির অধিকারী নেতাদের খুঁজে বের করাও একটি কঠিন কাজ। তবে যত দ্রুত সম্ভব মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের প্রস্তাবিত পূর্ণাঙ্গ কমিটি সংগঠনের সভাপতি শেখ হাসিনার অনুমোদনের জন্য জমা দেওয়া হবে।’

আওয়ামী লীগ এবং সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনগুলোর মধ্যে প্রথমেই কৃষক লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়, গত বছরের ৬ নভেম্বর। রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের একই মঞ্চে ৯ নভেম্বর জাতীয় শ্রমিক লীগ, ১৬ নভেম্বর আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ, ২৩ নভেম্বর বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ এবং ২৯ নভেম্বর মৎসজীবী লীগের সম্মেলন হয়। আর ৩০ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হয় ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সম্মেলন। সম্মেলনে শুধু সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ কয়েকটি শীর্ষ পদে নির্বাচিত নেতাদের নাম ঘোষণা করা হয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা