kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ ফাল্গুন ১৪২৬ । ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ২ রজব জমাদিউস সানি ১৪৪১

বিশেষজ্ঞ মত

স্থিতিশীলতায় দরকার চার উদ্যোগ

ড. এ বি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম

২০ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে




স্থিতিশীলতায় দরকার চার উদ্যোগ

পুঁজিবাজারে সংকট ছিল বিনিয়োগকারীর আস্থাহীনতা। দফায় দফায় দরপতনে পুঁজিবাজার থেকে আস্থা হারায় বিনিয়োগকারীরা। এই বাজার উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বৈঠকের পর বিনিয়োগকারীরা আস্থা ফিরে পেয়েছে। সরকারি ব্যাংকগুলোকেও বিনিয়োগের জন্য বলা হয়েছে।

এমন পরিস্থিতিতে বাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থা কিছুটা বাড়বে। এরই মধ্যে তেমন প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। তবে এই ঊর্ধ্বমুখী অবস্থা ধরে রাখতে পুঁজিবাজারের মৌলিক সমস্যাগুলো সমাধানের ওপর জোর দিতে হবে। বিদ্যমান মৌলিক সমস্যাগুলোর সমাধান করতে পারলেই পুঁজিবাজার স্থিতিশীলতার পথে এগোবে।

পুঁজিবাজারে ঊর্ধ্বমুখী ধারা ধরে রাখা এবং স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে হলে আমার পক্ষ থেকে চারটি পরামর্শ থাকবে। প্রথমত, ব্যাংকিং খাতের সঙ্গে পুঁজিবাজারকে ভালোভাবে সম্পৃক্ত করতে হবে। ব্যাংকিং খাতের তারল্য সংকট দূর করতে হবে। ব্যাংকের তারল্য সংকট না কাটলে পুঁজিবাজারও এগোবে না। ব্যাংকিং খাতের সংকট পুঁজিবাজারকে দারুণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে।

দ্বিতীয়ত, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কম্পানি গ্রামীণফোনের সঙ্গে দ্বন্দ্বের অবসান করতে হবে। বহুজাতিক এই কম্পানিতে বিদেশি বিনিয়োগ রয়েছে। বকেয়া আদায় নিয়ে সৃষ্ট দ্বন্দ্বের অবসান না হলে পুঁজিবাজার আবারও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। যত দ্রুত সম্ভব এই দ্বন্দ্বের অবসান প্রয়োজন।

তৃতীয়ত, সরকারি ও বহুজাতিক কম্পানিকে পুঁজিবাজারে আনতে হবে। সরকারি কম্পানিতে বিনিয়োগকারীর আস্থা বাড়ে। মুনাফায় থাকা সরকারি কম্পানিকে পুঁজিবাজারে আনতে হবে। দেশে ব্যবসা করা বহুজাতিক কম্পানিগুলোকেও পুঁজিবাজারে নিয়ে আসতে হবে।

চতুর্থত, পুঁজিবাজারে কারসাজি মামলার বিচারিক কার্যক্রমে দ্রুততা আনতে হবে। শেয়ার কারসাজির মামলাগুলো দীর্ঘসূত্রতায় ঝুলছে। কারসাজি কিংবা অপরাধে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া গেলে বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়বে। সর্বোপরি বিনিয়োগকারীদের আস্থা ধরে রাখতে উদ্যোগ নিতে হবে।

লেখক : সাবেক চেয়ারম্যান, বিএসইসি

অনুলিখন : রফিকুল ইসলাম

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা