kalerkantho

মঙ্গলবার । ২১ জানুয়ারি ২০২০। ৭ মাঘ ১৪২৬। ২৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

জনসনে আস্থা, নাকি ঝুলন্ত পার্লামেন্ট?

আহমেদ নূর   

১২ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৯ মিনিটে



জনসনে আস্থা, নাকি ঝুলন্ত পার্লামেন্ট?

যুক্তরাজ্যে এখন শীতকাল। গতকাল লন্ডনের তাপমাত্রা ছিল ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কনকনে শীত, সঙ্গে হিমশীতল হাওয়া। সাধারণত ডিসেম্বর মাসে যুক্তরাজ্যে নির্বাচন হয় না। ৯৬ বছর ধরে তা-ই হয়ে আসছে। অথচ এবার ডিসেম্বরেই নির্বাচন করতে হচ্ছে। প্রকৃতিতে শীতের আমেজ থাকলেও ব্রিটিশ রাজনীতিতে যেন বইছে লু হাওয়া। গোটা দেশ বিভক্ত। আগামী দিনে যুক্তরাজ্যের ভবিষ্যৎ কী হবে, তা নিয়ে এক ধরনের দোলাচলে রয়েছে দেশটির নাগরিকরা।

আজ বৃহস্পতিবার যুক্তরাজ্যের সাধারণ নির্বাচনের ভোট। অন্য কথায় বললে আগাম নির্বাচন। মূলত ব্রেক্সিট ইস্যুকে কেন্দ্র করেই এবারের নির্বাচন। এর সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছে যুক্তরাজ্যের রাজনীতির ভবিষ্যৎও। ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টি নাকি বিরোধী দল লেবার পার্টি ক্ষমতায় আসছে এ নিয়ে চলছে নানা বিশ্লেষণ। সর্বশেষ জরিপেও উভয় দলের হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস পাওয়া গেছে। কনজারভেটিভ পার্টি কিছুটা এগিয়ে থাকলেও শেষ পর্যন্ত একটি ঝুলন্ত পার্লামেন্টের দিকেই যাচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে নির্বাচনে যে দলই ক্ষমতায় যাক না কেন এই নির্বাচনের মাধ্যমে শুধু ক্ষমতার রদবদলই নয়, এর মাধ্যমে ব্রেক্সিট, যুক্তরাজ্য এবং ব্রিটিশ রাজনীতির ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

আজ স্থানীয় সময় সকাল ৭টা থেকে রাত ১০টা থেকে ভোটগ্রহণ করা হবে। তবে নির্বাচনের আগের দিন পর্যন্ত মরিয়া হয়ে ভোটারদের মন জয়ের চেষ্টা করেছেন রাজনৈতিক দলগুলোর শীর্ষ নেতারা। সর্বশেষ প্রচারেও ব্রেক্সিটকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন তাঁরা। এ নির্বাচনে বাংলাদেশের পাঁচ কন্যার জয়ের উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে। তাঁরা হলেন—রোশনারা আলী, টিউলিপ সিদ্দিক, রূপা হক, আফসানা বেগম ও  বাবলিন মল্লিক।

যুক্তরাজ্যের এবারের নির্বাচনে ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টি, বিরোধী লেবার পার্টি, লিবারেল ডেমোক্র্যাটস (লিবডেম), স্কটিশ ন্যাশনালিস্ট পার্টি (এসএনপি), গ্রিন পার্টি, ব্রেক্সিট পার্টি, ইনডিপেনডেন্ট গ্রুপ ফর চেঞ্জ অংশ নিচ্ছে। হাউস অব কমন্সে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য একটি দলকে ৬৫০টি আসনের ৩২৬ আসন নিশ্চিত করতে হবে। যে দল এই সংখ্যক আসন পাবে তারাই সরকার গঠন করবে। তবে কোনো দলই যদি সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পায় তাহলে যে দল সবচেয়ে বেশি আসন পায় তারা একটি সংখ্যালঘু বা মাইনরিটি সরকার পরিচালনার চেষ্টা করে। এ জন্য তারা ছোট কিছু দলের সমর্থন নিয়ে সরকার গঠন করে; যা একটা ঝুলন্ত পার্লামেন্টই হয়।

ইউরোপিয়ান ইউনিয়নে যুক্তরাজ্যের থাকা না থাকা প্রশ্নে ২০১৬ সালের ২৩ জুন অনুষ্ঠিত গণভোটে লিভ ক্যাম্পেইন জয়ী হওয়ার পর এটি দেশের দ্বিতীয় সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আর ২০১৫ সালের পর যুক্তরাজ্যে এটি তৃতীয় সাধারণ নির্বাচন। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ইইউতে থাকা না থাকা প্রশ্নে গণভোট দিয়েছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন। গণভোটে লিভ ক্যাম্পেইন জয়ী হওয়ার পর রিমেইন ক্যাম্পেইনার এবং প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরনের পদত্যাগের পর সাবেক হোম সেক্রেটারি টেরেসা মে কনজারভেটিভ পার্টির লিডার নির্বাচিত হন এবং প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তিনি নিজেও রিমেইনার ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করে ২০১৭ সালের ৮ জুন আগাম সাধারণ নির্বাচন দেন টেরেসা মে। এই নির্বাচনে ২০১৫ সালের নির্বাচনে পাওয়া ১৩টি আসন হারিয়ে ৩১৮টি আসন নিয়ে ক্ষমতায় এসেছিলেন টেরেসা। ব্রেক্সিট নিয়ে প্রায় আড়াই বছর লড়াই করে ২০১৯ সালের ২৪ জুলাই পদত্যাগ করেন তিনি। এরপর দলের নেতা নির্বাচিত হয়ে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন বরিস জনসন। জনসন ক্ষমতা গ্রহণের পর দৃঢ়তার সঙ্গে বলেছিলেন, ‘ডু অর ডাই’ ৩১ অক্টোবর ব্রেক্সিট হবেই। কিন্তু তিনি তাঁর ব্রেক্সিট চুক্তি পার্লামেন্টে পাস করানোর জন্য অনেক নাটক করেও লাভবান হতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত তাঁকেও আগাম নির্বাচনের পথে হাঁটতে হয়েছে। যুক্তরাজ্যে সচরাচর ডিসেম্বর মাসে নির্বাচন হয় না। এর আগে সর্বশেষ ১৯২৩ সালের ডিসেম্বর মাসে সাধারণ নির্বাচন হয়েছিল।

ব্রেক্সিটকে কেন্দ্র করে অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে ৬৫০টি আসনের জন্য ভোটগ্রহণ করা হবে। কনজারভেটিভ লিডার ও প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন ক্ষমতা গ্রহণের সময় পার্লামেন্টে ৩১৭ জন টোরি এমপি ছিলেন। এবার নির্বাচনী প্রচারণায় তিনি আরো ৯টি আসন তাঁকে দেওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, এটা হলে তিনি যুক্তরাজ্যকে ইইউ থেকে বের করে নিয়ে আসবেন। যদিও প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর গত সেপ্টেম্বরে দলের ২১ জন এমপিকে বরখাস্ত করেছেন তিনি। তাঁরা সবাই রিমেইনার ও বরিসের ব্রেক্সিট চুক্তিবিরোধী ছিলেন। এই ২১ জনের মধ্যে অনেকে এবার নির্বাচনে প্রার্থী হননি। কেউ কেউ স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন; তবে তাঁরা নির্বাচনে পাস করলে পার্লামেন্টে গিয়ে বরিসকে সমর্থন দেবেন কি না, সেটা এখনো বলা মুশকিল।

অন্যদিকে ব্রিটিশ রাজনীতির বিতর্কিত ব্যক্তি সাবেক ইউকিপ নেতা নাইজেল ফারাজের ব্রেক্সিট পার্টি কনজারভেটিভ পার্টির দখলে থাকা ৩১৭টি আসনে প্রার্থী দেয়নি। দলটি ব্রেক্সিট সম্পন্ন করার জন্য বরিসকে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে। এ কারণে শুধু লেবার ও লিবডেম পার্টির দখলে থাকা আসনগুলোতে প্রার্থী দিয়েছে ব্রেক্সিট পার্টি। সর্বশেষ নির্বাচনী ক্যাম্পেইনে লেবার পার্টির ব্রেক্সিট বা লিভ ভোটারদের তাঁর দলকে ভোট দেওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। যে কারণে এবারের নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলোর ব্রেক্সিট বা লিভ ভোটাররা কোন দিকে যায়, সেটা দেখার বিষয় রয়েছে। যদিও অনেক লিভ ভোটার পরবর্তী সময়ে তাঁদের চিন্তাভাবনার পরিবর্তন ঘটিয়ে রিমেইন অর্থাৎ ইইউতে থাকার পক্ষে চলে এসেছেন।

এদিকে ২০১৫ সালের নির্বাচনে দলের সাবেক লিডার এড মিলিব্যান্ড পদত্যাগ করার পর লেবার পার্টির লিডার নির্বাচিত হয়েছিলেন যুদ্ধবিরোধী কট্টর বামপন্থী নেতা জেরেমি করবিন। তাঁর নেতৃত্বে ২০১৭ সালের আগাম নির্বাচনে ২০১৫ সালের নির্বাচনের চেয়ে ৩০টি আসন বেশি লাভ করে লেবার পার্টি। লেবারের দখলে থাকা ২৬২টি আসন নিয়ে আজকের নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার আশায় ক্যাম্পেইন করে যাচ্ছেন লেবার লিডার জেরেমি করবিন।

সর্বশেষ নির্বাচনী প্রচারে কনজারভেটিভ নেতা বরিস জনসন জোর দিচ্ছেন ব্রেক্সিটের ওপর। তিনি বারবার বলছেন, সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় গেলে ৩১ জানুয়ারি ব্রেক্সিট অর্থাৎ ইইউ থেকে বের হয়ে আসবে যুক্তরাজ্য। গত ৩১ অক্টোবর ব্যর্থ হওয়ার পর ব্রেক্সিটের এই নতুন সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে ইইউ। ২০১৬ সালের গণভোটে লিভ ক্যাম্পেইনার ছিলেন বরিস জনসন। এ জন্য যেকোনো মূল্যে ইইউ ত্যাগের আকাঙ্ক্ষা তাঁর। তবে আয়ারল্যান্ড ও নর্দার্ন আয়ারল্যান্ড সীমান্তের বিষয়টি নিয়ে চুক্তিতে বরিস এক ধরনের ধামাচাপা দিচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ কারণে তাঁর চুক্তির সঙ্গে আয়ারল্যান্ড সরকার একমত হতে পারছে না। অন্যদিকে নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডও মনে করছে তাদেরকে ইইউর কাছে বিক্রি করে দিয়েছেন বরিস জনসন। লিভ ক্যাম্পেইনে জাতীয় স্বাস্থ্য সেবা (এনএইচএস) নিয়ে মিথ্যাচার এবং ব্রেক্সিটের পর মার্কিন সরকারের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির বিষয়ে প্রাথমিক আলোচনায় এনএইচএস যুক্ত রয়েছে বলে যে তথ্য ফাঁস হয়েছে, সেটা নিয়েও বেকায়দায় আছেন বরিস জনসন। এসব কারণে তাঁর ওপর বিশ্বাস বা আস্থা রাখতে পারছে না দলের রিমেইনাররা। খোদ দলের সাবেক প্রধানমন্ত্রী স্যার জন মেজরও আহ্বান করেছেন দল থেকে বরখাস্তকৃত স্বতন্ত্র এমপি প্রার্থীদের ভোট দিয়ে ব্রেক্সিট ঠেকানোর জন্য। সব মিলিয়ে বরিস জনসন একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারবেন কি না, এ নিয়ে সন্দেহ রয়েছে; যদিও বিভিন্ন সংস্থার জরিপে ৯-১০ শতাংশ এগিয়ে রয়েছেন তিনি। গতকাল আসনভিত্তিক সর্বশেষ জরিপে ইউগভ জানিয়েছে কনজারভেটিভ পার্টির পক্ষে ৪৩ ভাগ আর লেবার পার্টির পক্ষে ৩৪ ভাগ জনমত রয়েছে। তবে গত সপ্তাহের চেয়ে গতকাল কনজারভেটিভ পার্টির ২৮টি আসন কমেছে। অন্যদিকে লেবারের সমর্থন বেড়েছে।

এবারের নির্বাচন ব্রিটিশ রাজনীতির জন্য অন্য একটি কারণেও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ নির্বাচনে যদি বরিস জনসন একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেন তাহলে যুক্তরাজ্য তিন টুকরো হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। কারণ হিসেবে বিশ্লেষকরা বলছেন, স্কটল্যান্ড, নর্দার্ন আয়ারল্যান্ড চাচ্ছে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নে থাকতে। আয়ারল্যান্ড তো ইইউতে আছেই। তাই ব্রেক্সিট হলে নর্দার্ন আয়ারল্যান্ড যুক্তরাজ্য থেকে বের হয়ে আয়ারল্যান্ডের সঙ্গে এক হয়ে যেতে পারে। অন্যদিকে স্কটল্যান্ডের স্বাধীনতা প্রশ্নে দ্বিতীয় দফায় গণভোটের জন্য চাপ দিয়ে যাচ্ছে স্কটিশ ন্যাশনাল পার্টি (এসএনপি)। তারা এই শর্তেই ঝুলন্ত পার্লামেন্ট হলে লেবার লিডার জেরেমি করবিনকে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। এ থেকে ধারণা করা হচ্ছে, জেরেমি করবিন যে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবেন এমনটাও আশা করা যাচ্ছে না। কট্টর বামপন্থীদের দখলে থাকা লেবার যদিও নির্বাচনী ইশতেহারে বলেছে, ক্ষমতায় গেলে প্রথম তিন মাসের মধ্যে ইইউ থেকে একটি ডিল নিয়ে আসবেন আর পরবর্তী ছয় মাসের ভেতরে নতুন গণভোট দেবে। তবে এ ক্ষেত্রে লেবার লিডার নিরপেক্ষ থাকবেন বলেও ঘোষণা দিয়েছেন। করবিন গত শুক্রবার বলেছেন, ভোটের ফলাফল বিশ্বাসযোগ্য রাখতে এবং দেশকে ঐক্যবদ্ধ করতে তিনি নিরপেক্ষ থাকবেন। অথচ তাঁর দলের এমপিরা ব্রেক্সিট ঠেকাবেন প্রতিশ্রুতি দিয়েই ভোট চাইছেন। এই দ্বৈততা নানা প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে।  এদিকে জেরেমি করবিন লেবার লিডার হওয়ার পর দলের ভেতরে ইহুদি ও ইসরায়েলবিরোধী কার্যক্রম বেড়ে গেছে বলে বিস্তর অভিযোগ রয়েছে। সেকেলে আমলের কট্টর বামপন্থী ও যুদ্ধবিরোধী নেতা জেরেমি করবিনকে আটকানোর জন্য দলের ভেতরে একটি গ্রুপ তো আছেই, সেই সঙ্গে জুইশ এস্টাবলিশমেন্টরাও কাজ করছে। তাই জেরেমির পক্ষে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া কঠিন হবে।

এদিকে ক্ষমতায় গেলে পুরোপুরি ব্রিক্সিট বাতিল করবে বলে রিমেইনার ভোটারদের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করে যাচ্ছেন লিবডেম লিডার জৌ সুইনসন। বরিস ও জেরেমি কারো প্রতি আস্থা নেই তাঁর। তবে ২০১০ সালে টোরির সঙ্গে কোয়ালিশন করায় তাঁর প্রতি ভোটারদের খুব একটা আগ্রহ নেই; যদিও ব্রেক্সিট ও লিডারশিপের ওপর অনাস্থা এনে লেবার ও টোরির প্রায় সাতজন এমপি লিবডেমে যোগ দিয়েছেন।

সব মিলিয়ে যুক্তরাজ্যের মানুষও এক ধরনের সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছে। এবারের নির্বাচনে কনজারভেটিভ পার্টির নির্বাচনী স্লোগান ‘গেট ব্রেক্সিট ডান’। আর লেবার পার্টির নির্বাচনী স্লোগান ‘ইটস টাইম ফর রিয়েল চেঞ্জ’। তাহলে আজ কোন দিকে যাচ্ছে জনরায়? যুক্তরাজ্যের ভবিষ্যৎই বা কি এ প্রশ্নে ঘুরপাক খাচ্ছে? পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষায় মানবিক আবেদন নিয়ে যুক্তরাজ্যের সাধারণ মানুষের সঙ্গে পথ হাঁটা একজন করবিনকেই কি বেছে নেবে ভোটাররা? নাকি ব্রেক্সিট নামক বিচ্ছেদের জন্যই আজ বুথে যাবে ভোটাররা—এ প্রশ্নটা ঘুরেফিরে আসছেই। ‘রিয়েল চেঞ্জ’ না ‘ব্রেক্সিট ডান’—অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়েই এগোচ্ছে যুক্তরাজ্য। তবে শেষ পর্যন্ত কোন দিকে মোড় নিচ্ছে পরিস্থিতি তার জন্য শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

 

 

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা