kalerkantho

রবিবার । ০৮ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১০ রবিউস সানি ১৪৪১     

এস কে সিনহাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলার চার্জশিট অনুমোদন

ফাঁসলেন নাজমুল হুদা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৫ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



এস কে সিনহাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলার চার্জশিট অনুমোদন

চার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে করা মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহাসহ (এস কে সিনহা) ১১ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গতকাল বুধবার কমিশনের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে সংস্থার সূত্র নিশ্চিত করেছে।  

আরেকটি মামলায় এস কে সিনহাকে অব্যাহতি দিয়ে বাদী ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার বিরুদ্ধে মামলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুদক। দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য গণমাধ্যমকে জানান, শিগগিরই এই চার্জশিট আদালতে পেশ করা হবে।

ক্ষমতার অপব্যবহার করে ভুয়া ঋণের মাধ্যমে ফারমার্স ব্যাংক থেকে (বর্তমানে পদ্মা ব্যাংক লিমিটেড) চার কোটি টাকা স্থানান্তর ও আত্মসাৎ করার অভিযোগে গত ১০ জুলাই মামলাটি দায়ের করে দুদক। মামলায় বিচারপতি এস কে সিনহা ছাড়াও ফারমার্স ব্যাংকের সাবেক এমডি এ কে এম শামীম, এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও প্রাক্তন ক্রেডিট প্রধান গাজী সালাহউদ্দিন, ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট স্বপন কুমার রায়, ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট সফিউদ্দিন আসকারী, ভাইস প্রেসিডেন্ট লুত্ফুল হক, টাঙ্গাইলের বাসিন্দা মো. শাহজাহান, নিরঞ্জন চন্দ্র সাহা, সাভারের শ্রীমতী সান্ত্রী রায় (সিমি), শ্রী রণজিৎ চন্দ্র সাহা ও মাহবুবুল হক চিশতী (বাবুল চিশতী) এই ১১ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন করা হয়েছে।

এ ছাড়া ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ এনে এস কে সিনহার (সাবেক প্রধান বিচারপতি) বিরুদ্ধে ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার আদালতে করা মামলার তদন্তভার আসে দুদকে। এই মামলায় দুদক এস কে সিনহার বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পায়নি। এই দুটি মামলার একটির অভিযোগপত্র দিচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশন। আরেকটি মামলায় এস কে সিনহাকে অব্যাহতি দিয়ে বাদী ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার বিরুদ্ধে মামলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুদক।

চার্জশিটে মামলাটির অভিযোগ বিবরণীতে বলা হয়েছে, আসামিরা মিলিত হয়ে ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্রভাব বিস্তার করে অসৎ উদ্দেশ্যে কাজ করেছেন। তাঁরা অন্যদের লাভবান করে অবৈধভাবে ভুয়া ঋণ সৃষ্টির মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে অর্থ স্থানান্তর করে নগদে টাকা উত্তোলন করেন। এ ছাড়া বিভিন্ন পে-অর্ডারের মাধ্যমে টাকা সরিয়ে ওই টাকা উত্তোলন করে পাচার করেছেন বা পাচারের ষড়যন্ত্রে সংঘবদ্ধভাবে সম্পৃক্ত থেকে দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫ (২) এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ৪ (২) (৩) ধারায় অপরাধ করায় তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিলের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া তদন্তকালে এজাহারভুক্ত আসামি ফারমার্স ব্যাংকের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও সাবেক শাখা ব্যবস্থাপক (গুলশান) জিয়া উদ্দিন আহমেদ মারা যাওয়ায় তাঁকে এই মামলার দায় থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছে।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা