kalerkantho

বুধবার । ১১ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৩ রবিউস সানি     

সংসদে প্রধানমন্ত্রী

কিছুদিনের মধ্যেই ৫০ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ আসবে

‘ট্রেন দুর্ঘটনার পেছনে চক্রান্ত আছে কি না, তদন্ত হবে’

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৫ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



কিছুদিনের মধ্যেই ৫০ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ আসবে

মিসর ও তুরস্ক থেকে কিছুদিনের মধ্যে ৫০ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ আসবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, আমদানি করা পেঁয়াজ জেলায় জেলায় পাঠানো হবে। টিসিবি ট্রাকে করে তা বিক্রি করবে।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে একাদশ সংসদের পঞ্চম অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে তিনি এসব তথ্য জানান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘একটি রাজ্য ছাড়া গোটা ভারতে পেঁয়াজ ১০০ রুপি কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। ভারতও পেঁয়াজ আমদানি করছে। আমরাও বসে নেই। মিসর, তুরস্কসহ বিভিন্ন দেশ থেকে আমরা পেঁয়াজ আমদানি করছি।’

দেশবাসীকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশকে বিশ্ব দরবারে একটা মর্যাদার আসনে নিয়ে এসেছি। আমি জানি, দেশের কিছু লোকের এটা পছন্দ হয় না। একটি চক্র আছে, যারা নানাভাবে একটা ঘটনা ঘটিয়ে দেশের বিরুদ্ধে বদনাম করতে পারলেই বেশি খুশি হয়।’

ট্রেন দুর্ঘটনা নিয়ে বিরোধীদলীয় নেতার বক্তব্যের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দুর্ঘটনা দুর্ঘটনাই। কুয়াশার কারণে কসবায় রেল দুর্ঘটনায় কিছু মানুষ মারা গেছে। সঙ্গে সঙ্গে আহতদের চিকিৎসর ব্যবস্থা করেছি। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে আমরা আছি। উল্লাপাড়ায় আরেকটি দুর্ঘটনা ঘটেছে। কিছু মানুষ আহত হয়েছে। এসব দুর্ঘটনার পেছনে কোনো চক্রান্ত আছে কি না, তা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেব। কারণ দেশে একটা ঘটনা ঘটার পরপরই আরো ঘটনা ঘটে। এর পেছনেও কিছু আছে কি না, তা খুঁজে বের করতে হবে।’

দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সমাজ থেকে অনিয়ম দূর করার জন্য সন্ত্রাস, দুর্নীতি, মাদকবিরোধী অভিযান চলছে, তা অব্যাহত থাকবে।’ তিনি বলেন, ‘সামরিক স্বৈরাচাররা অবৈধ ক্ষমতা বৈধ করতে দুর্নীতিকে নীতি হিসেবে গ্রহণ করেছিল, দুর্নীতির সুযোগ করে দিতে একটি এলিট শ্রেণি তৈরি করেছিল। দেশে গণতান্ত্রিক বিধিব্যবস্থা ছিল না। তখন দেশের মানুষ থেকেছে অবহেলিত, বঞ্চিত। যার কুফলটা আমাদের দেশ ও সমাজ ভোগ করে।’

বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যবিরোধী আন্দোলন প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, ‘একজন উপাচার্য নিয়োগ দিলেই তাঁর বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু হয়ে যায়। শিক্ষকরা তাদের স্বার্থে ছাত্রদের ব্যবহার করবে কেন? অনেক কষ্ট করে আমরা সেশনজট বন্ধ করেছি। কিন্তু চক্রান্ত করে সেটা আবার সৃষ্টির চেষ্টা করা হচ্ছে। মুষ্টিমেয় কয়েকজনের জন্য শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হতে দিতে পারি না, আমরা দেব না। আইনেই রয়েছে, কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ করলে তা প্রমাণ করতে হবে, প্রমাণ করতে না পারলে অভিযোগকারীদেরও শাস্তির বিধান আছে। এ ক্ষেত্রে আইন তার নিজস্ব গতিতেই চলবে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা