kalerkantho

রবিবার । ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯। ৩০ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৭ রবিউস সানি                    

তিন দিন অন্ধকারে ১৫ জেলা

৪০ লাখ গ্রাহক তিন দিন ছিল বিদ্যুৎহীন। গতকাল থেকে পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১২ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



তিন দিন অন্ধকারে ১৫ জেলা

ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের আঘাতে দেশের ১৫টি জেলা তিন দিন বিদ্যুৎহীন থাকার পর গতকাল সোমবার বিকেল থেকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে।

বিদ্যুৎ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ শফিকুল্লাহ গতকাল রাত সাড়ে ৮টায় কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আমাদের অনেক লাইনই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। তবে দ্রুত সেগুলো মেরামতের মাধ্যমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা হচ্ছে। অল্প কিছু এলাকা এখন বাকি আছে। আশা করা যায়, আজ (মঙ্গলবার) নাগাদ তাও স্বাভাবিক হবে। এ ক্ষেত্রে ওজোপাডিকো এবং পল্লী বিদ্যুতের নিজ নিজ কর্তৃপক্ষ কাজ করছে। যেসব এলাকায় বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে পড়েছিল, সেগুলো পুনস্থাপন করা শুরু হয়েছে। যেসব লাইন ছিঁড়ে গিয়েছিল, সেগুলোও লাগানো হচ্ছে।’

গতকাল সকাল পর্যন্ত তথ্য অনুসারে ঘূর্ণিঝড়কবলিত এলাকায় প্রায় ৪০ লাখ গ্রাহক বিদ্যুত্হীন অবস্থায় ছিল। বিশেষ করে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের (আরইবি) আওতায় থাকা বরিশাল, বরগুনা, পটুয়াখালী, যশোর, সাতক্ষীরা ও ভোলায় বিদ্যুতের লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয় বেশি। মাদারীপুর, শরীয়তপুর, লক্ষ্মীপুর, নোয়াখালী ও চট্টগ্রামের কিছু লাইন আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আরইবির ২২টি সমিতির আওতায় রবিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ৮৫ হাজার কিলোমিটার পল্লী বিদ্যুৎ লাইন বন্ধ ছিল। অন্যদিকে পাওয়ার গ্রিড কম্পানি অব বাংলাদেশের (পিজিসিবি) একটি ১৩২ কেভি সঞ্চালন লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় পল্লী বিদ্যুতের সরবরাহ বিঘ্নিত হয়।

পল্লী বিদ্যুতের সূত্রগুলো জানায়, এই সংস্থার ৩৯ লাখ গ্রাহক বিদ্যুৎ পায়নি। তাদের ২০ হাজার মিটার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার মূল্য প্রায় দুই কোটি টাকা। এ ছাড়া, খুঁটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এক কোটি ৮০ লাখ টাকার। সব মিলিয়ে পল্লী বিদ্যুতের প্রায় পাঁচ কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে ওই সূত্র জানায়।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা