kalerkantho

মঙ্গলবার । ১২ নভেম্বর ২০১৯। ২৭ কার্তিক ১৪২৬। ১৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

ঢাকার দুই সিটি নির্বাচন জানুয়ারিতে

চট্টগ্রামে ভোট মার্চের পর

বিশেষ প্রতিনিধি   

৪ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ঢাকার দুই সিটি নির্বাচন জানুয়ারিতে

আসন্ন শীতেই উত্তাপ ছড়াতে যাচ্ছে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের নির্বাচন। আর মাত্র দুই মাস পর আগামী বছরের জানুয়ারিতেই ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এ দুই সিটি নির্বাচনেই ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মাধ্যমে ভোটগ্রহণ হবে। চলতি মাস নভেম্বরের ১৮ তারিখের পর যেকোনো দিন তফসিল ঘোষণা করা হবে। গতকাল রবিবার নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বৈঠক শেষে ইসি সচিব মো. আলমগীর সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

সচিব জানান, বিদ্যমান তালিকার ভোটারদের মাধ্যমেই এ নির্বাচন সম্পন্ন হবে। আর এখনো সময় না হওয়ায় চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। মার্চের  শেষ দিকে অথবা তার পরে নতুন ভোটার তালিকা ব্যবহার করে ওই সিটিতে ভোটগ্রহণ হতে পারে।

এদিকে ইসি সচিবালয় সূত্র জানায়, ভোটার তালিকার চলমান হালনাগাদ কার্যক্রম চূড়ান্ত হওয়ার আগেই ঢাকার দুই সিটির নির্বাচন সম্পন্ন হচ্ছে। এ কারণে এ দুই সিটির প্রায় দুই লাখ ভোটার যোগ্য নাগরিক ভোট দিতে পারবেন না। বিদ্যমান তালিকার প্রায় ৪৫ লাখ ভোটারকে নিয়েই এ নির্বাচন সম্পন্ন হবে। একই দিনে এ দুই সিটির নির্বাচন সম্পন্ন হবে। নির্বাচন কমিশনের আশঙ্কা, একই দিনে নির্বাচন সম্পন্ন না হলে এক সিটির ভোটার অন্য সিটি এলাকায় গিয়ে সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।

নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুসারে ২০১৫ সালের ২৮ এপ্রিল নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ার পর ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রথম সভা হয় ওই বছরের ১৪ মে। আর ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রথম সভা হয় ওই বছরের ১৭ মে। সে হিসাবে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী বছরের মাঝামাঝি সময়ে। আর চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রথম সভা হয় ২০১৫ সালের ৬ আগস্ট। এ সিটি করপোরেশনের মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী বছরের আগস্টের প্রথম সপ্তাহে। মেয়াদের পার্থক্য বিবেচনায় নিয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকেও এবার ঢাকা ও চট্টগ্রাম সিটির নির্বাচন আলাদাভাবে করার প্রস্তাব রয়েছে। 

স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইন অনুসারে সিটি করপোরেশনের মেয়াদ শেষ হওয়ার ১৮০ দিনের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে। আর সিটি করপোরেশনের মেয়াদ হচ্ছে করপোরেশনের প্রথম সভার তারিখ থেকে পরবর্তী পাঁচ বছর।

ইসি সচিবালয় সূত্র আরো জানায়, ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে সংসদের সম্ভাব্য উপনির্বাচন এবং স্থানীয় সরকারের সাধারণ ও উপনির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য ৩২০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এ বরাদ্দের বেশির ভাগই ব্যয়

হবে ঢাকার দুই সিটি ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের নির্বাচনের জন্য।
 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা