kalerkantho

মঙ্গলবার । ১২ নভেম্বর ২০১৯। ২৭ কার্তিক ১৪২৬। ১৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

আওয়ামী লীগে ‘অনুপ্রবেশকারী’

বরিশাল বিভাগে ৫৯৫ খুলনায় প্রায় ২০০

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৪ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ১১ মিনিটে



বরিশাল বিভাগে ৫৯৫ খুলনায় প্রায় ২০০

স্বাধীনতাবিরোধী জামায়াত, তাদের আশ্রয়-প্রশ্রয়দাতা বিএনপি, এমনকি বঙ্গবন্ধুর খুনিদের গড়া সংগঠন ফ্রিডম পার্টির অসংখ্য নেতাকর্মী গত প্রায় ১০ বছরে ভিড়েছেন ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগে। আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা দেশের আট বিভাগে বিভিন্ন দল থেকে আসা নেতাকর্মীদের যে তালিকা তৈরি করেছেন তাতে এমন চিত্র দেখা গেছে। কালের কণ্ঠ’র হাতে আসা বরিশাল ও খুলনা বিভাগের তালিকায় দেখা যায়, বরিশাল বিভাগে ৫৯৫ জন এবং খুলনায় প্রায় ২০০ নেতাকর্মীকে ‘অনুপ্রবেশকারী’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

অনুপ্রবেশকারীদের ওই সব তালিকা বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, বিভিন্ন দল থেকে আওয়ামী লীগে যোগদানকারী অনেক গুরুত্বপূর্ণ নেতারই নাম নেই তালিকায়। তালিকাগুলোতে অনুপ্রবেশকারীদের পরিবারের সদস্যদের বিশেষ করে দাদা, নানা, বাবা, চাচা, মামা, খালা, ফুফু প্রমুখের ভূমিকা কী ছিল সে বিষয়ে একটি ঘর আছে। অন্য বিভাগগুলোতে অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে এসংক্রান্ত তথ্য থাকলেও বরিশাল বিভাগের তালিকায় এ বিষয়ে কোনো তথ্য নেই।

তালিকায় অনুপ্রবেশকারী বেশির ভাগ নেতাকর্মীই এসেছেন বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনগুলো থেকে। দুই বিভাগে অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী এসেছেন জামায়াত থেকে। আর বেশ কয়েকজন এসেছেন ফ্রিডম পার্টি থেকে।

খুলনা বিভাগ : খুলনার রূপসার আকতার খান, কায়েম কোরাইসী, মোহাম্মদ মাগদুম, মোহাম্মদ আরাফাত, স্কেল লস্কার, আমীনুল ইসলাম সাগর, ওয়াহিদ মোড়ল, সৈয়দ মাসুম বিল্লাহ, বটিয়াঘাটার মোল্লা ইসমাইল হোসেন বাবু, মনিরুজ্জামান জামাল মেম্বার, মোফাজ্জেল শেখ, রহমত মীর, আবদুল হালিম, কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানার আনোয়ার হোসেন খান, রতন আলী, ছমির আলী, আবদুল খালেক, তমজের শেখ, আনিচুর রহমান, আক্কেত মণ্ডল, শাইন মণ্ডল, শাহজাহান মণ্ডল, লালন বিশ্বাস, মিরপুরের মোহাম্মদ খোকন, আবদুল মান্নান, কবির হোসেন, মোজাম্মেল হক, সুরুজ আলী, মোহাম্মদ সুমন, রিয়াজ প্রামাণিক, দৌলতপুরের আরিফুল ইসলাম, ইসমাইল হোসেন, আদর মেম্বার, তফিকুল ইসলাম তপন মেম্বার, নজরুল ইসলাম, হেকমত আলী, আবদুল লতিফ, আজিজুল হক, ইসরাফিল মেম্বার, মোহাম্মদ নজিবুল, মোহাম্মদ ইছাহক আলী, মোহাম্মদ সজিবুল, মোহাম্মদ সাইদুর, মোহাম্মদ আসাদুল, মোহাম্মদ সাজাহান, তককেল মালিথা, ভাদু শেখ, আনারুল ইসলাম, মোহাম্মদ বাপ্পি, মোহাম্মদ ভাষান, মোহাম্মদ রহমান, মোহাম্মদ রতন, মোহাম্মদ রাজু, মেহেরপুরের গাংনীর আনোয়ারুল ইসলাম বাবু, জাকির হোসেন মোল্লা, শামছের আলী, মোহাম্মদ মোমিন, মেহেরপুর সদরের মনিরুল ইসলাম কাটু, ইলিয়াস হোসেন, শওকত হোসেন, মোহাম্মদ রাশেদ, হাফিজুল ইসলাম, আজাহারুল ইসলাম, মোহাম্মদ গয়াল, সাবর আলী, মোহাম্মদ জাবিরুল, আইনাল হক, মোহাম্মদ জয়নাল, মোহাম্মদ আকাশ, সহিদুল ইসলাম, মোহাম্মদ মোশারফ, মোহাম্মদ জুয়েল, মোহাম্মদ মুস্তাকিম, মোহাম্মদ আবু, মোহাম্মদ মিলন, মোহাম্মদ এলাহী, মোহাম্মদ বকুল, মোহাম্মদ মুকুল, মোহাম্মদ আখের, মোহাম্মদ বাবু, মোহাম্মদ মজনু, মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর, মোহাম্মদ রমজান, মোহাম্মদ সিরাজ, মোহাম্মদ ফিরাজুল, মোহাম্মদ মহিবুল, মোহাম্মদ ধুলু, মোহাম্মদ মাহাবুল, বাবলু মোল্লা, মোহাম্মদ ডাবলু, মোহাম্মদ শাহিনুল, মোহাম্মদ খালেক, মুজিবনগরের তুষার ইমরান, শাহ ওয়ালীউল্লাহ সোহাগ, মোহাম্মদ মুকুল, রাজু আহম্মেদ, মফিজুর রহমান, আরশাদ আলী, খুলনা সদরের শেখ আবদুল গফফার, হরিণটানার আবদুল গফুর মোল্লা, লবণচরার কামাল হোসেন, শহিদুল ইসলাম, আবদুল বারেক, খালিশপুরের শেখ দাউদ আলী, হাসান শেখ, রুবেল শেখ, নজরুল ইসলাম, মোহাম্মদ মিন্টু, পাইকগাছার সেলিম জাহাঙ্গীর, ইদ্রিসুর রহমান মন্টু, এস এম আলতাপ হোসেন, কয়রার নূরুল হক মোল্যা, সিদ্দিক মোল্যা, হাবিবুল্লাহ মোল্যা, নজরুল সানা, মহিবুল্যাহ, হাবিবুল্যা সানা, ওয়ালী উল্লাহ, রফিকুল বৈদ্য, খলিলুর রহমান, নূরজাহান বেগম, মন্তাজ আলী, শফিকুল মিস্ত্রী, ইউনুছ আলী, জহুরুল ইসলাম, আবদুল মন্নান, মোহাম্মদ হাবিবুল্যাহ, লুত্ফর রহমান, আবুল বাশার, মোহাম্মদ সিরাজুল, শহিদুল শেখ, মোহাম্মদ জুলফিকুর, মোহাম্মদ আজিজুল, মোহাম্মদ জাকিরুল, মোহাম্মদ তরিকুল, মোহাম্মদ রহিম, মোহাম্মদ জুলফিকার, ইউনুছ আলী, কামরুল ঢালী, টুকু গাজী, মোহাম্মদ মোস্তফা, মোহাম্মদ রেজাউল, নূর ইসলাম, নূর বক্স গাজী, শাহাজান ঢালী, শাহিন ঢালী, মোহাম্মদ গোলজার, আনিচ ঢালী, লিটন ঢালী, মোহাম্মদ শাহাদাত, ময়নুদ্দীন ঢালী, মোহাম্মদ মোশাররফ, মোহাম্মদ ছিদ্দিক, শফিকুল ইসলাম, শফিকুল সরদার, মোহাম্মদ আব্দুল্যাহ, নূরুল আমিন, মোহাম্মদ জিয়ারুল, ইউনুচ আলী ও রমজান আলী।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, খুলনা মহানগরীতে বিএনপি থেকে আওয়ামী লীগে যোগ দেওয়া অনেক গুরুত্বপূর্ণ নেতাকেই অনুপ্রবেশকারী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়নি। ২০১৯ সালের ২৪ মার্চ খুলনায় বিএনপিপন্থী ১২ জন কাউন্সিলর আওয়ামী লীগে যোগ দেন। তাঁদের মধ্যে আটজন বিএনপির সাবেক ও বর্তমান নেতা, বাকি চারজন বিএনপিপন্থী স্বতন্ত্র কাউন্সিলর হিসেবে পরিচিত ছিলেন। বিএনপি থেকে যোগ দেওয়া কাউন্সিলররা হলেন—মো. সাইফুল ইসলাম, শেখ শামসুদ্দিন আহমেদ, সুলতান মাহমুদ, এইচ এম ডালিম, মনিরুজ্জামান, আনিসুর রহমান বিশ্বাস, শেখ হাফিজুর রহমান, শেখ মো. গাউসুল আজম। তাঁদের মধ্যে শেখ হাফিজুর রহমান ও আনিছুর রহমান বিশ্বাস বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত ছিলেন। এই দুজন খুলনার বিশ্বাসবাড়ির সদস্য। খান-এ সবুরের বিশ্বাসভাজন ও রাজাকার পরিবার হিসেবে বিশ্বাসবাড়ির পরিচিতি আছে। পরিবারটি যাঁর নামে পরিচিত সেই টুকু বিশ্বাস একাত্তরে রাজাকার ছিলেন এবং স্বাধীনতার পর কারাগারে ছিলেন। শেখ গাউসুল আজম বিএনপি থেকে পদত্যাগ করলেও পরে বিএনপির মনোনয়ন নিয়েই কাউন্সিলর পদে বিজয়ী হন। বাকিরা নগর ও থানা বিএনপির বিভিন্ন পদে ছিলেন। এ ছাড়া স্বতন্ত্র হিসেবে পরিচিত চার কাউন্সিলর হলেন—ইমাম হাসান চৌধুরী, গোলাম মওলা শানু, শেখ আরিফুল ইসলাম ও মনিরা আকতার। কাউন্সিলর শানু ফ্রিডম পার্টির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

বরিশাল বিভাগ : বরিশালে অনুপ্রবেশকারীরা হলেন মেহেন্দীগঞ্জের রশিদ রাঢ়ী, দুলাল রাঢ়ী, সাইফুল রাঢ়ী, রহিম খান, রুবেল তালুকদার, মাসুম জোমাদ্দার, শাহ আলম হাওলাদার, বাবুল জোমাদ্দার, সুমন তালুকদার, বাবুল মাতুব্বর, খোকন চন্দ্র দাস, তুহিন খান, বাতেন হাওলাদার, আবদুস সাত্তার, শহিদুল ইসলাম, আবুল হোসেন, শুকুর বেপারী, কালু বেপারী, নিজাম হাওলাদার, জলিল চৌকিদার, মিন্টু হাওলাদার, শহিদুল ইসলাম, রিয়াজ উদ্দিন, ধলু বেপারী, জামাল হোসেন, আবুল বেপারী, মোক্তার সরদার, আখর রাঢ়ী, আলতাফ হোসেন রাঢ়ী, মাসুদ হাওলাদার, শাহাবালী মুন্সি, আলতাফ হোসেন রাঢ়ী, হাসান জোমাদ্দার, অহিদ চৌকিদার, সাইফুল ইসলাম বেপারী, রফিক রাঢ়ী, শহিদ রাঢ়ী, মোহাম্মদ জাকির, নুরু নবী, মাসুদ রাঢ়ী, মোহাম্মদ আরিফ, সুজিত দাস, সঞ্জিব দাস, বিপ্লব দাস, অমল বেপারী, কৃষ্ণ বাড়ৈ, উজ্জ্বল দাস, দিলীপ নাথ, সুজন, তপন মৃধা, আবদুল আল নোমান তালুকদার, কামাল কবিরাজ, ইব্রাহিম ফকির, আমিনুল ইসলাম টিপু, কামাল ঘরামী, মাইদুল মোল্লা, জহির কবিরাজ, কাওছার কবিরাজ, কামাল বকসী, শাহিন হাওলাদার, জুয়েল বকসী, নিজাম উদ্দিন বেপারী, বাহার উদ্দিন সিকদার, জসিম হাওলাদার, ফজলু রাঢ়ী, গিয়াস উদ্দিন বকসী, সাইফুল হাওলাদার, কামাল বেপারী, রুহুল আমিন বকসী, রিমন মৌলভী, রিয়াজ সিকদার, আমিনুল সিকদার, আমির রাঢ়ী, আলী বকসী, সজিব হাং, সুলতান মাহামুদ, নাসির বকসি, রুবেল রাঢ়ী, সেকুল রাঢ়ী, সাইফুল ইসলাম, মিল্লাত হোসেন, আসাদ রাঢ়ী, রিনি বকসী, রিয়াজ হোসেন বকসী, জামাল বকসী, মোহাম্মদ আলী, সাহিদ হাসান রাঢ়ী, সুমন মোল্লা, আবুল সরদার, আলম বকসী, শওকত জোমাদ্দার, সফিজল বকসী, শাহ আলম পালোয়ান, হযরত পালোয়ান, হাসান বকসী, মোসলেম মৌলভী, শফিক জোমাদ্দার, বারেক রাঢ়ী, খোকন রাঢ়ী, মন্নান মোল্লা, লিটন রাঢ়ী, শাহজাহান রাঢ়ী, মিল্লাত হোসেন, বাবুল বয়াতী, আবুল খান, জাফর বাছাড়, আবদুর রহিম বেপারী, নুরুল আমিন বাচ্চু, ইব্রাহিম সিকদার, সহিদ বেপারী, আবুল হোসেন রাঢ়ী, খোরশেদ দেওয়ান, হারুন হাফেজ, সাইফুল ইসলাম, বেল্লাল রাঢ়ী, অলিউদ্দিন দেওয়ান, মাসুদ ঢালী, বাবুল খাঁ, সহিদ চৌকিদার, কামাল গাজী, আবদুল খালেক, সালাউদ্দিন, আজিম চাপরাশি, মতলেব চাপরাশি, খোকন বেপারী, নুরুল ইসলাম গাজী, বাবুল বেপারী, ওমর আলী, ইব্রাহিম বেপারী, মনির হোসেন রাঢ়ী, মোহাম্মদ সুমন, আজিজল হক, মাহেব মুন্সি, মনির হোসেন হাওলাদার, হাসান আলী আকন, মনির হোসেন রাঢ়ী, জয়নাল আবেদীন, আব্বাস জোমাদ্দার, মাইদুল ইসলাম, দুলাল বাঘা, হাসেম সিকদার, মাসুদ আকন, এসাহাক সিকদার, মামুন হোসেন, খালেক বিশ্বাস, কামাল মুন্সি, জামাল মুন্সি, বাবুল মুন্সি, সোহেল মুন্সি, মোহাম্মদ আলী ঢালী, হেলাল শেখ, দুলাল ঢালী, মজিবর ফকির, আজিজ গোলদার, আলম গোলদার, শাজাহান গোলদার, ইদ্রিস গোলদার, জহির গোলদার, রাকিব রাঢ়ী, হান্নান গোলদার, বজলুর রহমান গোলদার, আলমগীর গোলদার, বিল্লাল গোলদার, ফারুক গোলদার, রতন গোলদার, রাসেল গোলদার, সোহেল গোলদার, মোহাম্মদ আলী মৃধা, জসিম রাঢ়ী, তানভির হাসান, হিমেল বেপারী, জাবেল মাহামুদ, মোহাম্মদ রেজাউল, ইউনুছ বিশ্বাস, মোহাম্মদ মিরাজ, মোহাম্মদ সোহেল, মোহাম্মদ সজিব, মোহাম্মদ মিঠু, সিরাজ হাওলাদার, সেলিম রাঢ়ী, সজিব হাওলাদার, সোহেল রাঢ়ী, মোসলেম বেপারী, মাসুদ বেপারী, লতিফ সিকদার, আলমগীর বেপারী, সাত্তার খান, মোহাম্মদ সফিক, তাহের মোল্লা, মোক্তার হোসেন খান, আবদুল আজিজ আকন, জাফর বেপারী, সোহেল সিকদার, কাজীরহাটের নাসির উদ্দিন খোকন, হিজলার নোমান মোল্লা, পারভেজ সরদার, মোহাম্মদ রেজাউল, রফিক প্যাদা, কাঞ্চন বেপারী, আনিছুর রহমান সিকদার, শহিদ খান, বাবুগঞ্জের আবুল হোসেন বাবুল বিশ্বাস, উজিরপুরের কামাল মুন্সি, কামাল হোসেন মোল্লা, ইউসুফ হাওলাদার, আনোয়ার হোসেন রাঢ়ী, চুন্নু রাঢ়ী, জাকির সিকদার, জামাল সরদার, সোহেল খান, গৌরনদীর লোকমান হোসেন খান, পটুয়াখালীর মতিউর রহমান হাওলাদার, বেল্লাল ফরাজী, খলিলুর রহমান, নুরুল হক মৃধা, কবির মৃধা, আবদুল হাকিম মাস্টার, রাজু ভুঁইয়া, আবদুল মজিদ হাওলাদার, সিদ্দিকুর রহমান, গলাচিপার মোহিবুল্লাহ, গিয়াস উদ্দিন এলাহী, রুহুল আমিন ভুঁইয়া, সাইমুর রহমান এলিট, ইসমাইল মিয়া, কলাপাড়ার আবদুল মান্নান খান, মকবুল দফাদার, গাজী আব্বাস উদ্দিন বাচ্চু, রাঙ্গাবালীর তারেক হাওলাদার, সোহেল মীর, আবু হাসনাত আবদুল্লাহ, নুরুল আমিন মেম্বার, কামাল সিকদার, হানিফ খান, জাকির গাজী, পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার আবুল হোসেন লাবলু, নজরুল ইসলাম ফারুক, জাকির হোসেন নিজাম, সরোয়ার শরীফ, মোহাম্মদ মিজান, মীর তারেক, রাজু জমাদ্দার, নজরুল ইসলাম, মজিবর রহমান মোল্লা, মোহাম্মদ সুলতান, বরগুনার তালতলীর আলম কবির, আবদুর রাজ্জাক হাওলাদার, বামনার আজমল খান, জাকির হোসেন চৌধুরী, মোস্তফা কামাল, গোলাম মোস্তফা বাবুল সিকদার, গোলাম মাওলা হানিফ, তাসলিমা বেগম, খাদিজা বেগম, আবদুস শুক্কুর জোমাদ্দার, ঝালকাঠির এ কে এম জাকির হোসেন, শাহ আলম মীর বহর, কামাল হোসেন মৃধা, মাসুম হাওলদার, জাকির হোসেন তালুকদার, নলছিটির এইচ এম আখতারুজ্জামান বাচ্চু, এনামুল হক শাহিন, মিজান খলিফা, আল আমিন হাওলাদার, এম এ নান্না মিয়া, মাহাবুব আলম আকন, আনোয়ার হোসেন, মামুন হাওলদার, বশির হাওলাদার, আবদুল জলিল হাওলাদার, বরিশাল মহানগরের কাউনিয়ার তৌহিদুল ইসলাম বাদশা, কাওছার বিশ্বাস, আওলাদ মোল্লা, রাসেল মুন্সি, ইব্রাহিম হাওলদার, নাসির উদ্দিন হাওলাদার, ভোলার বোরহানউদ্দিনের আসাদুজ্জামান বাবুল অ্যাডভোকেট, সোলায়মান মেম্বার, নুরুল আমিন, রহমত মেম্বার, জাকির মেম্বার, হাসান মেম্বার, বশির মেম্বার, রেদোয়ান চৌধুরী নয়ন, কবির কমিশনার, আনোয়ার মেম্বার, আবদুল বারেক কবিরাজ, সরোয়ার হাওলাদার, নাসির উদ্দিন, রিয়াজ উদ্দিন শাহিন, তজুমদ্দিনের ছলিম পাটোয়ারী, মোকছেদ পাটোয়ারী, সফিক পাটোয়ারী, গিয়াস পাটোয়ারী, মোজাম্মেল হোসেন, মোহাম্মদ মিজান, মোহাম্মদ মোফাজ্জেল, ইউনসু হাজি, লালমোহনের ইমাম কমিশনার, মিজান হাওলাদার, কামাল কসাই, জাকির হোসেন, হাসেম মাস্টার, আলমগীর কসাই, হারুন অর রশিদ, লাভু পঞ্চায়েত, সাবিনা ইয়াসমিন, আবুল বাশার সেলিম, হাসানুজ্জামান সোহাগ, আসাদুল ইসলাম সুজন, চরফ্যাশনের মনির উদ্দিন, ওবায়দুল হক রতন, নুরে আলম মাস্টার, আশ্রাফুল আলম ফোটন, ইকবাল হোসেন লিখন, মফিজ পাটোয়ারী, এমরান সিকদার, জাহাঙ্গীর হোসেন নিয়াজি, সফিউল্লাহ পলোবান, শশীভূষণের ইউনুস মিয়া, আজাহার মেম্বার, কামাল মাস্টার, মোহাম্মদ মুজাম্মেল, মুজাম্মেল মেম্বার, দুলাল মিলিটারি, ওমর ফারুক, হাসান মিন্টু, আবুল কাসেম, আলতাফ হোসেন মীর, আওলাদ হোসেন, আবদুস সালাম, সিডু মাঝি, মোহাম্মদ হান্নান, মনির হোসেন, আমিরুল ইসলাম, প্রভাষক মনির, মোহাম্মদ. আলী, ফারুক বাঘা, হাফেজ মেম্বার, সলেমান পাটোয়ারী, কালাম মেম্বার, আবদুর রব হাজি, দক্ষিণ আইচার আবদুল মন্নান, ইসমাইল ফকির, মনির হোসেন হাওলাদার, কালাম কসাই, হেলাল তালুকদার, বেল্লাল হাওলাদার, আবুল কাসেম, আবদুস সহিদ, সফিকুল ইসলাম, আবদুল মালেক, খোকন মজুমদার, বাবুল ফকির, মনজুর আলম, কালাম চৌকিদার, বশার ফকির, মোহাম্মদ. মনির, মোহাম্মদ জাফর, মোহাম্মদ আকবর, সত্তার মোল্লা, মোহাম্মদ হোসেন, মোহাম্মদ রেজাউল, মোহাম্মদ সোহাগ, বেল্লাল মোল্লা, ফিরোজ আলম স্বপন পঞ্চায়েত, মিজান পঞ্চায়েত, জাকির হোসেন হাওলাদার, তোফায়েল আহমেদ, মোশারেফ হাওলাদার, মনপুরার আলাউদ্দিন হাওলাদার, মনির হাওলাদার, মোশারফ হোসেন তপু, সাইফুল পাটোয়ারী, ইউছুব পাটোয়ারী, সৈকত হোসেন, মোহাম্মদ রিয়াজ, মোহাম্মদ অলিউল্ল্যা, আবদুল মোমিন, আমিন মেম্বার, আব্বাস মাঝী, আবুল কালাম, মোহাম্মদ মনির, আবদুল আজিজ, মোহাম্মদ কালাম, মোহাম্মদ মোশারফ, মোহাম্মদ সোহেল, মোহাম্মদ রিপন, মোহাম্মদ স্বপন, মোহাম্মদ আমজাদ, মোহাম্মদ সামসুদ্দিন, সাহাবুদ্দিন মাস্টার, আবদুর সাত্তার, ইলিয়াস চৌধুরী, ইয়াকুব আলী চৌধুরী, হুমায়ুন কবির, মফিজুল ইসলাম, মোহাম্মদ বাহার, মোহাম্মদ সালাউদ্দিন, লোকমান বেপারী, মোহাম্মদ শাহাজাহান, ওজিউল্ল্যা সরদার, মোহাম্মদ আজাদ, মোহাম্মদ কামাল, মোহাম্মদ আলী সহিদ, মোহাম্মদ জাফর, মোহাম্মদ ফারুক, আবদুল বাসেদ, রাসেল হাওলাদার ও মোহাম্মদ আব্বাস।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা