kalerkantho

মঙ্গলবার । ১২ নভেম্বর ২০১৯। ২৭ কার্তিক ১৪২৬। ১৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

রংপুর বিভাগে আ. লীগে ৩৮৯ ‘অনুপ্রবেশকারী’

তৈমুর ফারুক তুষার   

৩ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ১১ মিনিটে



রংপুর বিভাগে আ. লীগে ৩৮৯ ‘অনুপ্রবেশকারী’

রংপুর বিভাগের পাঁচ জেলায় বিএনপি ও জামায়াত এবং এদের সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের আওয়ামী লীগে ‘অনুপ্রবেশের’ সংখ্যা কম নয়। গত প্রায় এক দশকে বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল থেকে ৩৭৭ জন এবং জামায়াত ও শিবির থেকে ১২ জন নেতাকর্মী ক্ষমতাসীন দলটিতে ভিড়েছেন। এঁদের মধ্যে বেশির ভাগই ২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচনের পরে আওয়ামী লীগে যোগ দেন। ডিসেম্বরে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলন সামনে রেখে দলটির সভাপতি শেখ হাসিনা অনুপ্রবেশকারীদের যে তালিকা করেছেন, সেটির রংপুর বিভাগের তথ্য বিশ্লেষণ ও খোঁজ নিয়ে এমন চিত্র পাওয়া গেছে।

আওয়ামী লীগের রংপুর বিভাগের অনুপ্রবেশকারীদের তালিকা থেকে জানা যায়, বিএনপি ও জামায়াত থেকে ঠাকুরগাঁওয়ে ১৩০ জন, দিনাজপুরে ১১৫ জন, লালমনিরহাটে ১০৯ জন, রংপুরে ২২ জন, নীলফামারীতে ১৩ জন অনুপ্রবেশ করেছেন। এর মধ্যে রংপুর জেলায় পাঁচজন জামায়াত, দিনাজপুরে চারজন শিবির ও তিনজন জামায়াত নেতাকর্মী আওয়ামী লীগে ভিড়েছেন। বিভাগটির অন্য তিন জেলায় জামায়াত-শিবির নেতাকর্মীদের আওয়ামী লীগে যোগদানের খোঁজ মেলেনি।

অনুপ্রবেশকারীদের তালিকাটি এরই মধ্যে আওয়ামী লীগের রংপুর বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক ও সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেলের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে আওয়ামী লীগ সভাপতির দপ্তরের একটি সূত্র। তালিকায় যাঁদের নাম রয়েছে তাঁদের আওয়ামী লীগের আসন্ন জাতীয় সম্মেলন উপলক্ষে যাবতীয় কর্মকাণ্ড থেকে বিরত রাখা হবে। দলটির কোনো পর্যায়ের কমিটিতেই তাঁদের না রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজী জাফর উল্যাহ কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘বিশেষ উদ্দেশ্য সামনে রেখেই আট বিভাগে অনুপ্রবেশকারীদের তালিকা দেওয়া হয়েছে। তবে অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে ঠিক কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে তা আরো দু-এক দিন বাদে স্পষ্ট হবে।’

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘অনুপ্রবেশকারীরা যেন আগামী সম্মেলনে অংশ নিতে না পারে এবং দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে না আসতে পারে সে জন্য এই তালিকা করা হয়েছে। এদের সবাইকে দল থেকে বাদ দেওয়া হবে, বিষয়টি এমন নয়। অপরাধের মাত্রা বুঝে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

তিনি বলেন, ‘অন্য দল থেকে নেতাকর্মীদের আমাদের দলে ঠাঁই না দিলে তো তাদের শক্তি কমবে না। তবে খেয়াল রাখতে হবে অন্য দল থেকে এসেই যেন আমাদের দলে গুরুত্বপূর্ণ পদ পেয়ে না যায়।’

তবে অনুপ্রবেশের তালিকায় নাম থাকা কয়েকজন কালের কণ্ঠকে জানিয়েছেন, পদ হারালেও তাঁরা আওয়ামী লীগের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে কর্মী হিসেবে যুক্ত থাকবেন।

একসময়ে দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলা বিএনপির পল্লী উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক খাদেমুন নবী চৌধুরী বাদল বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য। তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘২০১২ সালে স্থানীয় সংসদ সদস্যের সঙ্গে আলাপ করেই আমরা একটি অনুষ্ঠানের মঞ্চে আওয়ামী লীগে যোগ দিই। এখন এত দিন পর যদি আমাদের দলীয় কোনো পদ না-ও দেওয়া হয় তার পরও সাংগঠনিক কাজে যুক্ত থাকব। আগের চেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়ে দল করব, যাতে আওয়ামী লীগ তাদের ভুল বুঝতে পারে।’

বোচাগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি খায়রুল আলম বাদশা বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য। তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘পাঁচ-ছয় বছর আগে আমরা কয়েকজন বিএনপি নেতা আনুষ্ঠানিকভাবে আওয়ামী লীগে যোগ দিই। আমরা কোনো অপকর্মে যুক্ত হইনি। এর পরও আমাদের দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া দুঃখজনক।’

রংপুরের পাঁচ জেলায় অনুপ্রবেশকারী হিসেবে চিহ্নিত যাঁরা :

দিনাজপুর : দিনাজপুরের বিভিন্ন থানায় অন্য দল থেকে আওয়ামী লীগে যোগদানকারীরা হলেন—মজিবর রহমান (বিএনপি), আমিনুল ইসলাম মাস্টার (বিএনপি), জিল্লুর রহমান (বিএনপি), মহসীন আলী (বিএনপি), মোজাম্মেল হক সামু (শিবির), হুমায়ুন (বিএনপি), দুলাল প্রামাণিক (বিএনপি), বকুল মণ্ডল (বিএনপি), নূর ইসলাম (বিএনপি), হাবিবুর রহমান (বিএনপি), জাহাঙ্গীর আলম (বিএনপি), মেহেরুল ইসলাম (বিএনপি), মহসিন আলী রয়েল (বিএনপি), আইয়ুব আলী (বিএনপি), আকবর আলী (বিএনপি), ইকবাল হোসেন (বিএনপি), মানিক মাস্টার (বিএনপি), আকতার মণ্ডল (বিএনপি), মোখলেছুর (বিএনপি), আতাউর রহমান (বিএনপি), আ. রহমান (বিএনপি), তহুবার রহমান (বিএনপি), মালেক সরদার (বিএনপি), কাজী সিরাজুল ইসলাম (বিএনপি), বাবলু সরদার (বিএনপি), আমিনুল ইসলাম (বিএনপি), আ. খালেক (বিএনপি), আ. রাজ্জাক (বিএনপি), শহিদুজ্জামান শাহ (বিএনপি), নূর ইসলাম (বিএনপি), আহেনা বেগম (বিএনপি), দলিল উদ্দিন (বিএনপি), মীর সিদ্দিক আলী (বিএনপি), আব্দুল মজিদ (বিএনপি), মোকছেদুল হক (বিএনপি), রশিদুল ইসলাম শাহ (বিএনপি), মোরশেদুল হক (বিএনপি), হাসান আলী (বিএনপি), জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (বিএনপি), মাছুম উদ্দিন (বিএনপি), নুরুল উদ্দিন (বিএনপি), মেরিনা বেগম (বিএনপি), মালেকা খাতুন (বিএনপি), আলতাব হোসেন (বিএনপি), আ. ছালাম (বিএনপি), আ. সাত্তার (বিএনপি), জহুরুল হক (বিএনপি), বেবী বেগম (বিএনপি), জহুরুল হক (বিএনপি), খোরশেদ আলম (বিএনপি), আবুল কাশেম মণ্ডল (বিএনপি), নজরুল ইসলাম (বিএনপি), আব্দুল্লাহ (বিএনপি), কাশেম আলী (বিএনপি), রাসেল (বিএনপি), সুবত আলী (বিএনপি), আতিকুল (বিএনপি), রশিদুল (বিএনপি), আজিজুল (বিএনপি), তরিকুল ইসলাম (বিএনপি), আজিজ মিয়া (বিএনপি), আকরাম হোসেন (বিএনপি), আ. মালেক (বিএনপি), হাসেন আলী (বিএনপি), ফরহাদ হাসান চৌধুরী ইগলু (বিএনপি), খায়রুল আলম বাদশা (বিএনপি), নূর আলম (বিএনপি), খাদেমুন নবী চৌধুরী বাদল (বিএনপি), রবিউল ইসলাম চৌধুরী (বিএনপি), মাসুদ জাহাঙ্গীর (বিএনপি), আমিরুল ইসলাম চৌধুরী (বিএনপি), মাহাবুব রহমান খান (বিএনপি), মোজাফফর আহম্মেদ মানু (বিএনপি), জাহাঙ্গীর আলম লিটন (বিএনপি), রফিক মোল্লা (বিএনপি), মিজানুর রহমান মিজান (বিএনপি), মোকছেদ আলী (বিএনপি), নূর আলম মিঠু (বিএনপি), ওহেদুর রহমান ডাবলু (বিএনপি), হাবিবুর রহমান হবি (বিএনপি), মঞ্জুর আলম (বিএনপি), আসাদুজ্জামান আসাদ (বিএনপি), নুরু উদ্দিন (বিএনপি), রিয়াজুল ইসলাম (বিএনপি), দেলোয়ার মাস্টার (বিএনপি), রিয়াজুল ইসলাম (বিএনপি), জুয়েল (বিএনপি), ফয়জুল আলম চৌধুরী (বিএনপি), নওশাদ সালাম চৌধুরী (বিএনপি), আবু তাহের মূসা (বিএনপি), আলহাজ মো. এজাজ আহম্মেদ সোনা (বিএনপি), আলহাজ আকিল আহম্মেদ (বিএনপি), মজিবর রহমান (বিএনপি), মহিউদ্দিন আহম্মেদ (বিএনপি), আঞ্জুয়ারা বেগম ময়না (বিএনপি), হারুন অর রশিদ (বিএনপি), আতাউর রহমান (বিএনপি), সেকেন্দার আলী দুলাল (বিএনপি), আলী মণ্ডল (বিএনপি), সিরাজুল ইসলাম (বিএনপি), শহিদুল ইসলাম (বিএনপি), সামশুল আলম (বিএনপি), আ. রহিম মিয়া (বিএনপি), আ. রউফ (বিএনপি), আতিয়ার রহমান (শিবির), সোহরাব হোসেন (জামায়াত), বাবুল হোসেন (বিএনপি), ছানাউল ইসলাম (ছাত্রদলকর্মী), জাকিরুল (শিবির), কাওসার আলী (বিএনপি), আনিছুর রহমান (শিবির), মমিন (জামায়াত), সাফিউল ইসলাম (শিবির) ও মাফুজার রহমান (জামায়াত)।

ঠাকুরগাঁও : আব্দুল আজিজ (বিএনপি), রোমান বাদশা (বিএনপি), কামরুজ্জামান টিটু (ছাত্রদল), রাশেদুল ইসলাম (বিএনপি), রুহুল আমিন (যুবদল), তফিল উদ্দিন (বিএনপি), মিজানুর রহমান (বিএনপি), মাহাবুব (বিএনপি), সোলেমান আলী (বিএনপি), শাহাদত হোসেন (বিএনপি), তসলিম উদ্দিন (বিএনপি), আব্দুল গফুর (বিএনপি), রুহুল আমিন (বিএনপি), আব্দুর রহমান (বিএনপি), বশির উদ্দিন (বিএনপি), অ্যাডভোকেট আবু হাসান (যুবদল), শরিফ উদ্দিন (বিএনপি), ইউসুফ আলী (বিএনপি), রশিদুল ইসলাম (বিএনপি), রফিকুল ইসলাম (বিএনপি), দবির (বিএনপি), আফসার আলী (বিএনপি), বলজার রহমান (বিএনপি), ফারাজুল ইসলাম (বিএনপি), আ. কাদের (বিএনপি), আনোয়ার হোসেন (বিএনপি), আব্দুল গফুর (বিএনপি), আলাল উদ্দীন মাস্টার (বিএনপি), আব্দুল গফুর (বিএনপি), মকবুল হোসেন (বিএনপি), দেলোয়ার হোসেন (বিএনপি), মতিয়ার রহমান (বিএনপি), রেজওয়ানুল হক (বিএনপি), আল মামুন (বিএনপি), আব্দুল হক (বিএনপি), সাইদুল হক (বিএনপি), আজিজুর রহমান (বিএনপি), নূর জামাল (বিএনপি), লিয়াকত আলী (বিএনপি), আল আমিন (বিএনপি), আল আমিন (বিএনপি), হাসান আলী (বিএনপি), শাহিনুর রহমান (বিএনপি), আশরাফ আলী (বিএনপি), মকছেদ আলী (বিএনপি), সাইফুল ইসলাম (বিএনপি), ময়নুল হক (বিএনপি), রানা (বিএনপি), ছালেফুল (বিএনপি), বেলাল (বিএনপি), হেলাল (বিএনপি), আনিছুর রহমান (বিএনপি), লিটন (বিএনপি), নূর আলম (বিএনপি), আসাদুল্লাহ আল পাবিল (সবুজ) (বিএনপি), আনোয়ার হোসেন (বিএনপি), খলিল হোসেন (বিএনপি), আরিফ আলী (বিএনপি), রানা (বিএনপি), জামাল (পাইকার) (বিএনপি), লুত্ফর রহমান (বিএনপি), বাবু হোসেন (বিএনপি), ফারুক হোসেন (বিএনপি), রুহুল আমিন (বিএনপি), আল আমিন (বিএনপি), খাদেমুল ইসলাম (বিএনপি), আমিরুল ইসলাম আমু (বিএনপি), আকতাবুল ইসলাম আতা (বিএনপি), আব্দুল কাদের (বিএনপি), নঈম উদ্দিন (বিএনপি), পায়েল (বিএনপি), আলমগীর (বিএনপি), সালাফি (বিএনপি), রকিব হাসান (বিএনপি), আপন (বিএনপি), রুবেল (বিএনপি), মকলেছুর রহমান (বিএনপি), ফারুক হোসেন (বিএনপি), হাসান আলী (বিএনপি), আবুল হোসেন (বিএনপি), দেলোয়ার হোসেন (বিএনপি), আজিজুল হক (বিএনপি), রমজান আলী (বিএনপি), আজগর আলী (বিএনপি), ফয়জুল হক (বিএনপি), রাজু ইসলাম (বিএনপি), জব্বার (বিএনপি), রফিকুল ইসলাম (বিএনপি), আলম ইসলাম (বিএনপি), আমু রহমান (বিএনপি), মোতালেব হোসেন (বিএনপি), খাদেমুল ইসলাম (বিএনপি), জামাল উদ্দীন (বিএনপি), লাভলী আক্তার (বিএনপি), আনিসা বেগম (বিএনপি), নূরজাহান (বিএনপি), সালিমা বেগম (বিএনপি), করিমা বেগম (বিএনপি), এন তাজুল ইসলাম (বিএনপি), শফিউল ইসলাম (বিএনপি), মঈনুল ইসলাম (বিএনপি), আবুল কাশেম (বিএনপি), মাহাবুব (বিএনপি), লিপি বেগম (বিএনপি), শিল্পী বেগম (বিএনপি), মালেকা বেগম (বিএনপি), জোসনা বেগম, নারগিস বেগম (বিএনপি), আব্দুল কাদের (বিএনপি), নইয়িমুদ্দীন (বিএনপি), আলমগীর (বিএনপি), সোহেল শাহা (বিএনপি), দুলু মাস্টার (বিএনপি), সামশুদ্দিন (বিএনপি), মোজাম্মেল হক (বিএনপি), ফজলুল হক (বিএনপি), গোলাম ফারুক (বিএনপি), তোফাজ্জাল হোসেন (বিএনপি), ওয়াজেদ আলী (বিএনপি), আব্দুস সাত্তার (বিএনপি), জমশেদ আলী (বিএনপি), ফারজু (বিএনপি), বজলুর রহমান (বিএনপি), সুলতান (বিএনপি), জাহাঙ্গীর (বিএনপি), মিঠুন চন্দ্র বর্মণ (বিএনপি)।

লালমনিরহাট : নান্নু মিয়া (বিএনপি), শামছুল হক (বিএনপি), আব্দুল কুদ্দুস (যুবদল), আব্দুল জব্বার আলী (যুবদল), আব্দুস সাত্তার আলী (যুবদল), জালাল মিয়া (যুবদল), রজব আলী (যুবদল), নায়েব আলী (যুবদল), সালামত আলী (যুবদল), মোজাম্মেল হক (যুবদল), রাজু মিয়া (যুবদল), স্বপন মিয়া (যুবদল), সাইদুল হক (যুবদল), আব্দুস সালাম মিয়া (যুবদল), কেরামত আলী (যুবদল), হোসেন আলী (যুবদল), নয়ন মিয়া (যুবদল), শাহ আলম ভুট্টু (যুবদল), আনোয়ার হোসেন (যুবদল), মফিজুল হক (যুবদল), সুলতান আলী (যুবদল), ইসরাইল হক (যুবদল), মন্টু মিয়া (যুবদল), হামিদুল (যুবদল), সাদেক মিয়া (যুবদল), রাশেদুল (যুবদল), জাহাঙ্গীর আলী (যুবদল), রহিম বাদশা (যুবদল), রমজান আলী (যুবদল), মনিরুজ্জামান রুবেল (যুবদল), লিটন মিয়া (যুবদল), স্বপন (যুবদল), পাল সিংহ (যুবদল), রোমান (যুবদল), রবি (যুবদল), আবুল হোসেন (যুবদল), তনু (যুবদল), মনির হোসেন (যুবদল), আরিফ (যুবদল), হামিদুল (যুবদল), সজীব (যুবদল), কৌশিক (যুবদল), আল আমিন (যুবদল), সাইদুল হোসেন (যুবদল), মেহেদী হাসান (যুবদল), রাকিব হাসান রনক (যুবদল), মেহেদী হাসান শামীম (যুবদল), সোহাগ হাসান (যুবদল), চয়ন (যুবদল), ছোট চয়ন (যুবদল), নোমান হাসান (যুবদল), রিফাত হোসেন (যুবদল), ফিরোজ আহম্মেদ (যুবদল), বাধন (যুবদল), সাইফুল (যুবদল), মোক্তারুল (যুবদল), রাসেল (যুবদল), রাজু (যুবদল), শাহীন (যুবদল), হাসেম (যুবদল), মনিরুজ্জামান (যুবদল), রুবেল (যুবদল), সাব্বির (যুবদল), নুরুন্নবী (যুবদল), এনামুল (যুবদল), সাদ্দাম (যুবদল), দীপক চন্দ্র (যুবদল), আনিছ (যুবদল), জুয়েল (যুবদল), আলিফ (যুবদল), আশিকুর (যুবদল), মুন্না (যুবদল), রেজাউল (যুবদল), মমিনুল (যুবদল), আসাদুল (যুবদল), রহিম (যুবদল), আসাদ (যুবদল), হানিফ (যুবদল), মোফাজ্জল হোসেন (যুবদল), হাসিদুল (যুবদল), জলিল (যুবদল), আব্দুল কাদের (যুবদল), মানিক (যুবদল), খোরশেদ (যুবদল), শাহিনুর (যুবদল), আজিজুল ইসলাম (যুবদল), রেজাউল ইসলাম (যুবদল), সুমন মিয়া (যুবদল), জামাল মিয়া (যুবদল), রবিউল ইসলাম (যুবদল), মিজানুর রহমান (যুবদল), সুমন সরকার (যুবদল), গোলাম কিবরিয়া রিপন (বিএনপি), ছপিয়ার রহমান (বিএনপি), তমিজার মাস্টার (জিয়া পরিষদের সদস্য), আব্দুল মান্নান (বিএনপি), মশিয়ার রহমান পিন্টু (বিএনপি)।

রংপুর : শাহ মো. মোশাররফ হোসেন মোশা (বিএনপি), আব্দুর রউফ (বিএনপি), সমতুল্লাহ (বিএনপি), আব্দুর রহিম (বিএনপি), আবদার হোসেন (বিএনপি), শাহ মো. রফিকুল ইসলাম (বিএনপি), আ. আউয়াল মেকার (বিএনপি), সোলেমান আলী (বিএনপি), দুলাল মেম্বার (বিএনপি), কেরামত আলী (বিএনপি), আ. হাই (বিএনপি), আ. রহিম (বিএনপি), আবুল কালাম আজাদ (বিএনপি), কল্পনা বেগম (বিএনপি), আল-আমিন (বিএনপি), হারুন মিয়া (বিএনপি), রাজা মিয়া (বিএনপি), মাওলানা আবুবক্কর সিদ্দিক (জামায়াত), মোফাজ্জল হোসেন ভুট্টু (জামায়াত), আয়েশা বেগম (জামায়াত), শরিফুল ইসলাম মুকুল (জামায়াত), জুলেখা বেওয়া (জামায়াত)।

নীলফামারী : শরিফ ইবনে ফয়সাল মুন (বিএনপি), আ. লতিফ খান (বিএনপি), তফেল উদ্দিন (বিএনপি), গোলাম রব্বানী (বিএনপি), মিজানুর রহমান (বিএনপি), মাহাবুব আলম খান (বিএনপি), কামরুল ইসলাম (বিএনপি), আবুজার রহমান (বিএনপি), আবু আনছার (বিএনপি), আ. মান্নান (বিএনপি), দুলাল আলম (বিএনপি), রুহুল আমিন (বিএনপি)।

 

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা