kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ নভেম্বর ২০১৯। ২৯ কার্তিক ১৪২৬। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

ওবায়দুল কাদের বললেন

স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতিকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৪ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতিকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে

আবু কাওছার

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের জানিয়েছেন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মোল্লা মো. আবু কাওছারকে সংগঠনের পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। ওবায়দুল কাদের গতকাল বুধবার দুপুরে ধানমণ্ডির হোয়াইট হলে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের এক বিশেষ বর্ধিত সভায় এ তথ্য জানান। ক্যাসিনোকাণ্ডে নাম আসায় বুধবার মোল্লা কাওছার ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের ব্যাংক হিসাব জব্দের নির্দেশ দেয় এনবিআরের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল।

ওবায়দুল কাদের তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতিকেও তাঁর পদ থেকে নেত্রী (শেখ হাসিনা) অব্যাহতি দিয়েছেন। আমি তার সঙ্গে কথা বলেছি, বিষয়টি তাকে জানিয়েছি।’ প্রসঙ্গত, মোল্লা মো. আবু কাওছারকে সভাপতি এবং পঙ্কজ দেবনাথকে সাধারণ সম্পাদক করে ২০১২ সালে স্বেচ্ছাসেবক লীগের সর্বশেষ কমিটি গঠন করা হয়। তিন বছর মেয়াদের এই কমিটি সাত বছর ধরে কাজ চালিয়ে আসছে। সম্প্রতি আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংগঠনে শুদ্ধি অভিযান শুরু করার নির্দেশ দেন। অপকর্মে যুক্ত থাকায় প্রথমেই ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে সংগঠন থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। পরে যুবলীগের চেয়ারম্যান এবং সর্বশেষ স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতিকেও অব্যাহতি দেওয়া হলো।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারাও নজরদারিতে আছেন। নিজের ঘরের লোকদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সৎসাহস দেখিয়ে এ দেশে শাসক হিসেবে পঁচাত্তর-পরবর্তী সময়ে শেখ হাসিনাই কেবল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। এটা অন্য কোনো সরকার করতে পারেনি। নিজের ঘরের মধ্য থেকে তিনি শুদ্ধি অভিযান শুরু করেছেন। কঠিন কিছু সিদ্ধান্ত তিনি নিয়েছেন। টেন্ডারবাজির সঙ্গে, চাঁদাবাজির সঙ্গে, মাদকের সঙ্গে যারা যুক্ত থাকবে, তাদের কেউ ছাড় পাবে না।’

অন্য দল থেকে বিতর্কিত নেতাকর্মীদের আওয়ামী লীগে ভেড়ানো প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘নিজেদের পকেট ভারী করার জন্য দলে কোনো বিতর্কিত ব্যক্তিকে ঢোকাবেন না। দুষ্ট গরুর চেয়ে শূন্য গোয়াল ভালো। এসব বিতর্কিত ব্যক্তিই দলের জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁডায়। এরই মধ্যে যদি কোনো বিতর্কিত ব্যক্তি দলে স্থান পেয়ে থাকে, তাহলে আপনারা তাদের বের করে দিন। আওয়ামী লীগের লোকের কোনো অভাব নেই।’

নির্বাচন নিয়ে রাশেদ খান মেনন সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘ক্যাসিনোকাণ্ড নিয়ে এত কথা, এত কেচ্ছা, তখন কেন তিনি এ বিষয়ে মুখ খুলতে গেলেন? অবশ্য রাশেদ খান মেনন সাহেব এখন উল্টো সুরে কথা বলছেন। তিনি ইউটার্ন নিয়ে ফেলেছেন অলরেডি। তিনি বলেছেন তিনি এভাবে বলেননি, তাঁর বক্তব্যটা খণ্ডিতভাবে প্রকাশ করা হয়েছে। তাঁর দলে তাঁর অবস্থান এবং চলমান পরিস্থিতিতে তাঁর অবস্থান কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে তা বলা আমার সমীচীন নয়।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা