kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ০৫ ডিসেম্বর ২০১৯। ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ৭ রবিউস সানি ১৪৪১     

ওমর ফারুককে ছাড়াই প্রেসিডিয়ামের বৈঠক

যুবলীগের দপ্তর সম্পাদক আনিসকে বহিষ্কার

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১২ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



যুবলীগের দপ্তর সম্পাদক আনিসকে বহিষ্কার

অবশেষে যুবলীগের দপ্তর সম্পাদক কাজী আনিসুর রহমানকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। গতকাল সকালে বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে যুবলীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংগঠনটির প্রেসিডিয়াম সদস্যদের এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। আনিসের বিরুদ্ধে নানা অপকর্মে জড়িত থাকার অভিযোগ গণমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

যুবলীগ চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরীর অনুপস্থিতিতেই সভাপতিমণ্ডলীর বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন যুবলীগের সাধারণ  সম্পাদক হারুনুর রশীদ। বহিষ্কৃত কাজী আনিসুর রহমান যুবলীগের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরীর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত।

বৈঠক শেষে যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ আতিয়ার রহমান দীপু সাংবাদিকদের বলেন, ‘কাজী আনিসের ব্যাপারে একটি সিদ্ধান্ত হয়েছে। প্রেসিডিয়াম সদস্যরা একমত হয়েছেন কাজী আনিসকে বহিষ্কার করার জন্য। সেই আলোকে কাজী আনিসকে আমরা বহিষ্কার করেছি।’

আনিসকে বহিষ্কারের কারণ প্রসঙ্গে যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক এ বি এম আমজাদ হোসেন বলেন, ‘কাজী আনিস বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের দপ্তর সম্পাদক। তাঁর দুর্নীতির কথা আমরা পত্র-পত্রিকায় দেখেছি এবং অর্থ তছরুপের কারণে যুবলীগ থেকে তাঁকে বহিষ্কার করা হয়েছে।’

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, যুবলীগের রাজনীতিতে অনেকটা বিস্ময়করভাবেই উত্থান ঘটে আনিসের। ২০০৫ সালে যুবলীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অফিস সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটরের চাকরি নেন আনিস। মাসে পাঁচ হাজার টাকা বেতনের এ চাকরি থেকেই খুলে যায় তাঁর ওপরে ওঠার সিঁড়ি। কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের তালিকা থাকত তাঁর কাছে। ফলে সারা দেশের গুরুত্বপূর্ণ নেতাকর্মীদের নাম মুখস্থ করে ফেলেন তিনি। এই পারদর্শিতা দেখিয়ে তিনি হয়ে ওঠেন যুবলীগ চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরীর ঘনিষ্ঠ। ২০১২ সালে পেয়ে যান যুবলীগের উপদপ্তর সম্পাদকের পদ। কয়েক মাসের মধ্যেই পদন্নোতি পেয়ে যুবলীগের দপ্তর সম্পাদক হয়ে যান। যুবলীগ চেয়ারম্যানের ঘনিষ্ঠ হওয়ায় সংগঠনটির অন্য নেতাকর্মীদের কাউকে পাত্তা দিতেন না আনিস। কমিটি বাণিজ্য করে হাতিয়ে নেন বিপুল অর্থ। গত সেপ্টেম্বর মাসে সরকার দুর্নীতিবাজ ও অপকর্মকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরুর পর থেকে আত্মগোপনে চলে যান আনিস।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা