kalerkantho

শুক্রবার । ১৫ নভেম্বর ২০১৯। ৩০ কার্তিক ১৪২৬। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

বিশেষ মন্তব্য

প্রয়োজন সামাজিক পুলিশিং

আসাদুজ্জামান খান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



প্রয়োজন সামাজিক পুলিশিং

এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় সামান্য ঘটনাও বড় করে দেখানো হয়। এসব দেখে বলা যাবে না যে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি খারাপ হয়েছে। বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে দু-একটি নির্মম ঘটনা ঘটে, যা সোশ্যাল মিডিয়ার কারণে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। সার্বিকভাবে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো আছে বলেই আমাদের কাছে তথ্য আছে।

ধর্ষণ মামলাগুলো দ্রুততম সময়ের মধ্যে তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার ওপর কঠোরভাবে জোর দেওয়া  হচ্ছে। আগের মতো খুনাখুনি এখন নেই। তবে মাঝেমধ্যে কিছু হত্যাকাণ্ড আলোচনায় আসে। এ ধরনের হত্যার ঘটনাগুলো আমরা গুরুত্ব দিয়ে দেখছি। প্রতিটি ঘটনারই তদন্ত কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন সিনিয়ররা। কেন ঘটল তা ভাবা হয়। নিরাপত্তা ও সচেতনতার দিকে আমাদের নজর আছে। প্রতিটি এলাকাকে সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় আনার পরিকল্পনা ও কার্যক্রম চলছে। এর ফলে অপরাধপ্রবণতা যেমন কমবে, তেমনি অপরাধ সংঘটিত হলে অপরাধীও ধরা পড়বে সহজে।

পুলিশের সেবাকে গণমুখী করতে প্রয়োজন সামাজিক পুলিশিং। সচেতনতা বাড়াতে আমরা কমিউনিটি পুলিশের মাধ্যমে উঠান বৈঠকসহ সচেতনতামূলক নানা কার্যক্রম চালাচ্ছি। ধর্ষণ, ইভ টিজিং, গ্যাং কালচার, পারিবারিক নির্যাতন, হয়রানিসহ সামাজিক অপরাধগুলোর ব্যাপারে বিভিন্ন ধরনের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমে নাগরিকদের সঙ্গে পুলিশের সম্পর্কের উন্নয়ন হচ্ছে। নারী ও শিশুদের সহায়তার জন্য থানায় ডেস্ক চালু করা হয়েছে।

সামাজিক অপরাধ নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের কাজে সহায়তার পাশাপাশি নাগরিকদেরও সচেতন হতে হবে। সর্বোপরি পুলিশের সেবা বাড়াতে ফোর্স বাড়ানোর ওপর আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি। পুলিশে আরো লোকবল বাড়ানো হবে।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা