kalerkantho

সোমবার। ১৯ আগস্ট ২০১৯। ৪ ভাদ্র ১৪২৬। ১৭ জিলহজ ১৪৪০

১৫ হাজার ছাড়াল ডেঙ্গু রোগী

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৩১ জুলাই, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৯ মিনিটে



১৫ হাজার ছাড়াল ডেঙ্গু রোগী

রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের কক্ষে জায়গা না থাকায় বারান্দায়ও চিকিৎসা চলছে ডেঙ্গু রোগীর। পাশেই ডেঙ্গু পরীক্ষার রিপোর্ট সংগ্রহের জন্য দীর্ঘ লাইন। ছবি : কালের কণ্ঠ

ভয় আর আতঙ্ককে সঙ্গী করে আস্তে আস্তে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে ডেঙ্গু পরিস্থিতি। এরই মধ্যে দেশের ৫৯ জেলাতেই ডেঙ্গু হানা দিয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গতকাল মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় আরো এক হাজার ৩৩৫ জন ডেঙ্গু রোগী দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৯৭৪ জন। সব মিলিয়ে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ১৫ হাজার ৩৬৯ জনে গিয়ে ঠেকেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশনস সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের প্রতিবেদনে এ পর্যন্ত আটজনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করলেও এ সংখ্যা আরো অনেক বেশি বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে উঠে এসেছে।

এদিকে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় রাজধানী ঢাকা ও বরিশালে আরো চারজনের মৃত্যু হয়েছে। ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবেলায় সারা দেশে স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল করেছে সরকার। একই সঙ্গে অন্য সব বিভাগের কর্মীদের এবার ঈদুল আজহার ছুটি নেওয়ার ব্যাপারে নিরুৎসাহ করা হয়েছে। ডেঙ্গু পরিস্থিতি সামাল দিতে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে খোলা হয়েছে বিশেষ ওয়ার্ড।

এদিকে গতকাল মঙ্গলবার লন্ডন থেকে টেলিকনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবাইকে যার যার অবস্থান থেকে সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

ডেঙ্গু রোগের চিকিৎসা কার্যক্রম তদারকিতে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক তাঁর নিজের দপ্তরে ‘মিনিস্টার মনিটরিং সেল’ গঠন করেছেন। এই সেল থেকে ডেঙ্গু রোগ সংক্রান্ত তথ্য এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের চলমান কর্মকাণ্ড তদারক করা হবে বলে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

এদিকে ঈদুল আজহার ছুটিতে ডেঙ্গু আরো ভয়ংকর হয়ে উঠতে পারে। রাজধানীবাসী ডেঙ্গু নিয়ে ঈদের ছুটিতে প্রিয়জনের সান্নিধ্যে গ্রামে গেলে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা সেখানে আরো উদ্বেগজনক হারে বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। তবে রাজধানীর বাইরেও এডিস মশার বিচরণ রয়েছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। এদিকে ঢাকার বাইরে ডেঙ্গু আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা বাড়লে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া যাবে না। তাই ঢাকার চেয়ে জেলা পর্যায়ের ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন সরকার। গতকাল মঙ্গলবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে ডেঙ্গু প্রতিরোধ, বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলা ও গুজব প্রতিরোধ সংক্রান্ত পর্যালোচনা সভায় এমন আলোচনা হয়েছে। ওই সভা শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) শেখ মুজিবুর রহমান সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘আমরা ঈদের ছুটি সব কর্মকর্তাকে ঢাকায় উপভোগ করতে উৎসাহিত করছি। এ ছাড়া ছুটি নিতে নিরুৎসাহ করেছি।’ তিনি বলেন, ‘স্বাস্থ্য বিভাগে যেসব কর্মকর্তা সংশ্লিষ্ট, তাঁদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। আশা করব, আমাদের প্রশাসনের কর্মকর্তারা যথাসম্ভব ঢাকায়ই ঈদ করবেন।’

ডেঙ্গু পরিস্থিতিকে মহামারি ঘোষণা করা হবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এ রকম পর্যায়ে এখনো আসেনি। কোনো স্থানে ব্যবস্থাপনার বাইরে চলে গেছে, এ রকম কোনো তথ্য নেই।’

এদিকে ডেঙ্গু মোকাবেলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য এবং কেন্দ্রীয় ১৪ দলের মুখপাত্র মোহাম্মদ নাসিম। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর ঢাকা শিশু হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এ কথা বলেন।

মোহাম্মদ নাসিম বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আমাদের চিকিৎসকরা যেভাবে ডেঙ্গুর মতো দুর্যোগ মোকাবেলা করে চলেছেন, এ থেকে আমরা মুক্তি পাব। আমরা বাংলাদেশকে অন্য রোগের মতো ডেঙ্গুমুক্ত করতে পারব; যদিও এটা সময়সাপেক্ষ ব্যাপার। এখন আমাদের দায়িত্ব আগে বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবেলা করা।’

এদিকে ডেঙ্গু শনাক্তকরণের কিট আমদানির বিষয়ে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমানের সঙ্গে গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর মহাখালীর অধিদপ্তরের সভাকক্ষে ডায়াগনস্টিক রিয়েজেন্ট আন্ড ইক্যুইপমেন্ট ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের নেতারা জরুরি সভা করেছেন।

ডেঙ্গু থেকে শিক্ষার্থীদের রক্ষায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সাময়িক বন্ধ রাখার দাবি জানিয়েছে অভিভাবক ফোরাম নামের একটি সংগঠন। একই সঙ্গে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে ক্যাম্পাস পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করার প্রস্তাবও করে সংগঠনটি।

এদিকে মশা নিধনে মেয়রদের ব্যর্থতার প্রতিবাদে এবং ডেঙ্গু থেকে নগরবাসীকে রক্ষায় কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবিতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) নগর ভবনের সামনে আজ বুধবার বিক্ষোভ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ)।

ঢাকা ও বরিশালে আরো চারজনের মৃত্যু : ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই আবদুর রহমান খান জানান, গত সোমবার রাত পৌনে ২টার দিকে হাসপাতালের মেডিসিন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাউথ পয়েন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের মিরপুর শাখার ভাইস প্রিন্সিপাল ফারজানা হোসেনের (৪৫) মৃত্যু হয়। ফারজানা রাজধানীর নিউ ইস্কাটন এলাকায় থাকতেন। তাঁর স্বামী নুরুল আমিন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব। নুরুল আমিন বলেন, ‘সপ্তাহখানেক আগে আমার স্ত্রীর ডেঙ্গু ধরা পড়লে একটি ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। কিন্তু হঠাৎ তাঁর অবস্থার অবনতি হলে গত সোমবার তাঁকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আনা হয়।’

একই হাসপাতালে মারা যাওয়া অন্যজন হলেন পটুয়াখালীর বাউফলের কনকদিয়া গ্রামের মজিদ হাওলাদারের ছেলে লিটন হাওলাদার (২৫)। লিটন গত শনিবার থেকে মেডিসিন বিভাগের ৬০১ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি ছিলেন। গত সোমবার থেকে তাঁর মধ্যে শক সিনড্রোমের উপসর্গ দেখা দেয়। গতকাল মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে চিকিৎসকরা লিটনকে মৃত ঘোষণা করেন।

এদিকে বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে গতকাল মঙ্গলবার ভোরে আধঘণ্টার ব্যবধানে ডেঙ্গু আক্রান্ত দুই রোগীর মৃত্যু হয়েছে। তাঁরা হলেন বরিশালের বাকেরগঞ্জের শ্যামপুর গ্রামের নাসির খানের ছেলে আসলাম খান (২৪) ও পিরোজপুরের কাউখালীর ঘোষণতারা গ্রামের মো. আদম আলীর ছেলে মো. সোহেল (১৮)।

শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. বাকির হোসেন বলেন, মারা যাওয়া দুই যুবকই ঢাকায় ছিলেন। ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ার পর তাঁরা বাড়ি ফিরে আসেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁদের দুজনের মধ্যে আসলাম খান গত সোমবার রাত সাড়ে ৯টায় এবং  সোহেল রাত ১টা ২০ মিনিটে হাসপাতালে ভর্তি হন। এতে দুজনের চিকিৎসায় যথেষ্ট সময় পাওয়া যায়নি। পরে ভোর রাত ৩টা ৪০ মিনিটে আসলাম খান এবং ৫টা ১০ মিনিটে সোহেল মারা যান। এ ছাড়া যে ২৫ জন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে এবং সুস্থ হয়ে যারা বাড়ি ফিরেছে তারা সবাই ঢাকা থেকে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে বাড়ি এসেছিল বলে রোগী ও স্বজনরা জানিয়েছে।  ওই হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. বাকির হোসেন আরো বলেন, ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীকে এখন সবচেয়ে বেশি প্রধান্য দেওয়া হচ্ছে। ডেঙ্গু আক্রান্তদের জন্য আলাদা ওয়ার্ড কিংবা শয্যা না থাকলেও পর্যাপ্ত চিকিৎসাব্যবস্থা ও ওষুধ বরাদ্দ রয়েছে।

সারা দেশের ডেঙ্গু পরিস্থিতি : এদিকে দেশের বিভিন্ন জেলায় জ্বরে আক্রান্ত হয়ে অনেকেই স্থানীয় হাসপাতালে ভিড় করছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে গাজীপুরে সাতজন, কিশোরগঞ্জে ২৭ জন, বগুড়ায় ৪৮ জন, রংপুরে ১৫ জন, চুয়াডাঙ্গায় ৯ জন, চাঁদপুরে আটজন, ফেনীতে ২৪ জন, হবিগঞ্জে পাঁচজন, বান্দরবানে দুজন, ঠাকুরগাঁওয়ে পাঁচজন, শেরপুরে দুজন রোগী স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।

রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডা. সুলতান আহমেদ জানান, রোগীদের জন্য পর্যাপ্ত চিকিৎসকের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবে প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের অভাবে ডেঙ্গু শনাক্তের পরীক্ষা রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে করা যাচ্ছে না। প্রয়োজনীয় চিকিৎসার স্বার্থে গতকাল সাত সদস্যের একটি বিশেষজ্ঞ টিম গঠন করা হয়েছে।

বগুড়া সিভিল সার্জন অফিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ দাবি করেছে, ডেঙ্গু আক্রান্তদের চিকিৎসার জন্য শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. হালিমুর রশিদের নেতৃত্বে ১০ জন সদস্যের উচ্চ পর্যায়ের মেডিক্যাল টিম গঠন করা হয়েছে। সেই সঙ্গে বহির্বিভাগের সামনে হেল্প ডেস্ক খোলা হয়েছে।

শেরপুর জেলা হাসপাতালে আটটি শয্যা নিয়ে আলাদা ডেঙ্গু ইউনিট খোলা হয়েছে। সেখানকার সিভিল সার্জন অফিসের মেডিক্যাল অফিসার ডা. মো. মোবারক হোসেন বলেন, ঢাকা থেকে প্রত্যন্ত অঞ্চলে যাতে এডিস মশা যানবাহনের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তে না পারে সে জন্য ঢাকা থেকে আসা গাড়িগুলোতে এডিস মশানিরোধী স্প্রে করা প্রয়োজন।

ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক ড. কে এম কামরুজ্জামান সেলিম জানান, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে রাখতে সব ধরনের প্রস্তুতির নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আক্রান্ত রোগীরা যাতে দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠে সে জন্য তাদের আলাদা চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া মশা নিধনের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

গোপালগঞ্জের সরকারি হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু রোগ নির্ণয়ের কোনো ব্যবস্থা নেই। ফলে আক্রান্তদের ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ওপরই নির্ভর করতে হচ্ছে।

ডেঙ্গু আক্রান্তদের চিকিৎসার জন্য মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা হাসপাতালের চতুর্থ তলায় আলাদা ডেঙ্গু কর্নার চালু করা হয়েছে। ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসায় একটি মেডিক্যাল বোর্ডও গঠন করা হয়েছে।

ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. নাছির উদ্দিন আহমদ নিজের ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা নিতে হাসপাতালে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। রোগীদের সব পরীক্ষা-নিরীক্ষার ব্যাপারেও সার্বিক সহায়তার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। চিকিৎসার বিষয়ে তদারকির জন্য একটি টিমও গঠন করে দেওয়া হয়েছে।

বান্দরবান সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক (আরএমও) ডা. প্রত্যুষ পল ত্রিপুরা জানান, বান্দরবান স্বাস্থ্য বিভাগের কাছে ডেঙ্গু শনাক্তকরণের কোনো কিট (উপকরণ) এখন পর্যন্ত নেই।

চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের প্রধান ডা. সালেহ আহমেদ জানান, মেডিসিন বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিয়ে ডেঙ্গু প্রিভেনশন টিম গঠন করা হয়েছে।

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. শামীম কবির জানান, ডেঙ্গু পরীক্ষার সরঞ্জামের স্বল্পতা থাকলেও পর্যাপ্ত ওষুধ আছে। এ ছাড়া হাসপাতালে ১০ শয্যার একটি ডেঙ্গু জোন করা হয়েছে।

গাজীপুরের ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডা. মো. শাহীন বলেন, ‘উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু শনাক্তের আজিজি, আইজিএম ও এনএসআই পরীক্ষার ব্যবস্থা নেই। অনেকে জ্বর নিয়ে হয়ে হাসপাতালে আসছে। আমরা লক্ষণ বুঝে তাদের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠাচ্ছি।’

মন্তব্য