kalerkantho

ভাটিতে বন্যার বিস্তৃতি

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৭ জুলাই, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৯ মিনিটে



ভাটিতে বন্যার বিস্তৃতি

বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ রেলস্টেশন এলাকা ও রেললাইন। ফলে জেলার সঙ্গে ট্রেন যোগাযোগ বন্ধ। ছবি : কালের কণ্ঠ

দেশের মধ্যাঞ্চলে বন্যার বিস্তৃতি ঘটছে। জামালপুর, শেরপুর, বগুড়া, নওগাঁ, গাইবান্ধা ও সিরাজগঞ্জে প্লাবিত হয়েছে নতুন নতুন এলাকা। জামালপুরে দুই লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।  রেল ও সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। যমুনা নদী দেওয়ানগঞ্জে ১৪৫ ও সিরাজগঞ্জে ৪১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে বইছে। পদ্মায় পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় রাজবাড়ী ও শরীয়তপুরে ভাঙনের তীব্রতা বেড়েছে।

এদিকে উত্তরের জেলা নীলফামারী, কুড়িগ্রাম ও বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। পার্বত্য জেলা বান্দরবানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে এসেছে। ঘরে ফিরতে শুরু করেছে বানভাসি মানুষ। তবে সড়কে পাহাড়ধস ও ভাঙনের কারণে গতকাল মঙ্গলবার পর্যন্ত সারা দেশের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপিত হয়নি।

নৌকাডুবি ও বানের পানিতে ডুবে গতকাল মঙ্গলবার পাঁচ জেলায় ছয় শিশুসহ ১১ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। এর মধ্যে কুড়িগ্রামে নৌকাডুবি ও বানের পানিতে ডুবে মারা গেছে চার শিশুসহ সাতজন। এ ছাড়া নেত্রকোনা ও শেরপুরে পানিতে ডুবে দুটি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। ঝিনাইগাতীতে পাহাড়ি ঢলে নিখোঁজ শতবর্ষী বৃদ্ধার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। সিরাজগঞ্জে স্রোতে ভেসে গেছে এক কৃষক। আমাদের স্থানীয় অফিস, নিজস্ব প্রতিবেদক ও প্রতিনিধিরা গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত বন্যা উপদ্রুত এলাকার বিস্তারিত তথ্য জানিয়েছেন।

কুড়িগ্রাম : কুড়িগ্রামের উলিপুরে নৌকা ডুবে চার শিশুসহ পাঁচজন প্রাণ হারিয়েছে। গতকাল দুপুরে উপজেলার হাতিয়া ইউনিয়নের নতুন অনন্তপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, ২০-২৫ জন নারী-পুরুষ ও শিশু নৌকা নিয়ে বন্যার পানিতে ডুবে যাওয়া স্বজনদের বাড়ি দেখতে যাওয়ার সময় তীব্র স্রোতে নৌকাটি তলিয়ে যায়। এ সময় অন্য একটি নৌকা তাদের উদ্ধারে এগিয়ে আসে। অনেকে সাঁতরে পার্শ্ববর্তী উঁচু স্থানে উঠে আসে। পরে ডুবে যাওয়া রূপামণি (৮), হাসিবুর (৭) ও রুনা বেগমকে (৩২) উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তারা মারা যায়। গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়া লাভলী বেগম, রুমি বেগম ও শিশু আয়শা সিদ্দিকাকে উদ্ধার করে উলিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। এ সময় ওই গ্রামের মনসুর আলীর পুত্র সুমন (৮), রাশেদের কন্যা রুকু মনি (৭) পানিতে ডুবে নিখোঁজ হয়। পরে বিকেল ৬টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিদল শিশু দুটির লাশ উদ্ধার করে।

এ ছাড়া গতকাল সকালে রৌমারীর কর্ত্তিমারীতে বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে পানিতে পড়ে সাইফুল ইসলাম (২৫) নামের এক তরুণ নিখোঁজ হন। পৃথক ঘটনায় নাগেশ্বরীতে পানিতে ডুবে খোকন (৪০) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়।

এদিকে গতকাল দুপুর পর্যন্ত ব্রহ্মপুত্র নদের পানি চিলমারী পয়েন্টে বেড়ে ১২৫ সেমি, নুনখাওয়া পয়েন্টে ৯৫ সেমি এবং ধরলা নদীর পানি ব্রিজ পয়েন্টে ১১৭ সেমি ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। তিস্তার পানি কমে বিপত্সীমার ১০ সেমি নিচে নেমে আসে।

জামালপুর : দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় বন্যার ভয়াবহতা ২০১৭ সালকেও ছাড়িয়ে গেছে। গতকাল বিকেলে যমুনার পানি এখানে ১৪৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। ফলে উপজেলা সদরসহ আটটি ইউনিয়নের প্রায় দুই লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।  

দেওয়ানগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশন প্লাটফরম ও রেললাইনে পানি উঠায় গতকাল সকাল ৯টা থেকে দেওয়ানগঞ্জ রেলস্টেশন পর্যন্ত ট্রেন চলাচল বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। ঢাকা ও ময়মনসিংহ থেকে ছেড়ে আসা দুই জোড়া আন্ত নগর তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেসসহ ১৪ জোড়া ট্রেন পূর্ববর্তী স্টেশন ইসলামপুর পর্যন্ত চলাচলের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বিভিন্ন স্থানে বন্যার পানি ওঠায় দেওয়ানগঞ্জ-সানন্দবাড়ী-রাজিবপুর সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দুটি ভবন ধসে পড়েছে।

কলমাকান্দা (নেত্রকোনা) : নেত্রকোনার কলমাকান্দায় বন্যার পানিতে ডুবে উজ্জ্বল মিয়া (৫) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গতকাল সন্ধ্যায় বাড়ির পাশে বন্যার পানিতে ভাসমান অবস্থায় শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে পরিবারের লোকজন। এর আগে বিকেলে শিশুটি নিখোঁজ হয়।

শেরপুর : ঝিনাইগাতী উপজেলার সারিকালীনগর এলাকায় বন্যার পানিতে নিখোঁজ শতবর্ষী এক বৃদ্ধার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল সকাল ১০টার দিকে বাড়ির পাশেই বন্যার পানিতে ভাসমান অবস্থায় আছিয়া বেগমের লাশ উদ্ধার করে স্বজনরা। বাড়িতে পাহাড়ি ঢলের পানি ওঠায় রবিবার রাত থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। এ ছাড়া শ্রীবরদীতে বন্যার পানিতে ডুবে হামিদ (৯) নামে একটি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গতকাল বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে পৌর শহরের পূর্ব তাতিহাটি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। শিশুটি ওই গ্রামের আবুল কালামের ছেলে।

এদিকে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদ, মহারশি, সোমেশ্বরি, ভোগাই, মালিঝি ও মৃগী নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে নদী তীরবর্তী এলাকায় শুরু হয়েছে তীব্র ভাঙন।

সিরাজগঞ্জ : উজান থেকে নেমে পানি ও বৃষ্টির কারণে সিরাজগঞ্জের হার্ট পয়েন্টে যমুনা নদীর পানি গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৯ সেন্টিমিটার বেড়ে গতকাল বিপদসীমার ৪১ সেন্টিমিটার  উপর  দিয়ে প্রবাহিত হয়। ভাঙন শুরু হওয়ায় নদীগর্ভে চলে গেছে অসংখ্য বাড়িঘর। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে নিম্নাঞ্চলের মানুষ।

এদিকে বন্যার পানিতে ডুবে কাজিপুরে কবির হোসেন (৪৮) নামের এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল সকালে কুমারিয়া গ্রামের মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে কবির হোসেন বাড়ির পাশে যমুনা নদীর ধারে একটি খালে পাট জাগ দিতে গেলে প্রবল স্রোত তাঁকে ভাসিয়ে নিয়ে যায়। দুপুরের দিকে তাঁর লাশ ভেসে ওঠে।

শিবচর (মাদারীপুর) : পদ্মা নদীতে অস্বাভাবিক হারে পানি বৃদ্ধিতে শিবচরের চরাঞ্চলের তিনটি ইউনিয়নে নদী ভাঙন দেখা দিয়েছে। বেশি আক্রান্ত হয়েছে বন্দরখোলা ইউনিয়ন। ইতিমধ্যে ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ইউনিয়নটির একটি মাদরাসা, কালভার্ট, ১৫টি ঘরবাড়িসহ ফসলের মাঠ। ভয়াবহ ভাঙন ঝুঁকিতে রয়েছে তিন ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও হাজারো বসতবাড়ি।

শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ী নৌ রুটের লৌহজং টার্নিং পয়েন্টে তীব্র ঘূর্ণিস্রোতে ফেরিসহ অন্যান্য নৌযান চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। চরম অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে নৌযান পারাপারে। একই সঙ্গে বেড়েছে নদীতীর ভাঙনের তীব্রতা।

রাজবাড়ী : পদ্মা নদীতে হু হু করে বাড়ছে পানি। গত ২৪ ঘণ্টায় নদীর রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া পয়েন্টে ৩১ সেন্টিমিটার পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপত্সীমার মাত্র ২০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়। এদিকে পানি বৃদ্ধির পাশাপাশি নদীতে দেখা দিয়েছে তীব্র স্রোত। ফলে ভাঙন অব্যাহত রয়েছে।

গোয়ালন্দে গতকাল সকাল ৬টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ৩১ সেন্টিমিটার পানি বেড়ে পদ্মা বিপত্সীমার মাত্র ২০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়। বেড়েছে ভাঙনের তীব্রতা। প্লাবিত হয়েছে নিম্নাঞ্চল।

বান্দরবান : দুই দিন ধরে বৃষ্টি না হওয়ায় পার্বত্য জেলা বান্দরবানে পানি নেমে গিয়ে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে এসেছে। বাড়িঘর থেকে বানের পানি নেমে যাওয়ায় আশ্রয়কেন্দ্রগুলো থেকে ঘরে ফিরছে দুর্গত মানুষ। সরকারের বিশেষ ভিজিএিফ কর্মসূচির আওতায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে চাল বিতরণ শুরু হয়েছে।

বান্দরবান সড়ক ও জনপথ বিভাগ জানিয়েছে, চট্টগ্রাম জেলার দক্ষিণাংশে থেমে থেমে বৃষ্টি হওয়ায় বান্দরবান-কেরানীরহাট সড়ক থেকে পানি পুরোপুরি নেমে যায়নি। অন্যদিকে বান্দরবান-রুমা ও বান্দরবান-থানচি সড়কে পাহাড়ধস ও রাস্তার ভাঙনের কারণে বান্দরবানের সঙ্গে সারা দেশের সড়ক যোগাযোগ গতকাল বিকেল পর্যন্ত চালু করা যায়নি। তবে বান্দরবান-রুমা-থানচির মধ্যে যোগাযোগের বিকল্প মাধ্যম হিসেবে শঙ্খ নদে নৌযান চলাচল শুরু হয়েছে।

সিলেট : বৃহত্তর সিলেটে সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি উন্নতির দিকে রয়েছে। নদ-নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। আপাতত নতুন করে কোনো অঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা নেই। এবারের বন্যায় জেলার ১৩টি উপজেলার ৪৮ হাজার পরিবারের তিন লাখ ৩৭ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গতকাল সিলেট জেলা প্রশাসন কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়।

সুনামগঞ্জ : সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে সুনামগঞ্জে। পাহাড়ি ঢল ও বর্ষণ বন্ধ থাকায় নদ-নদীর পানি কমেছে। সুনামগঞ্জ পয়েন্টে সুরমা নদী গতকাল সন্ধ্যায় বিপত্সীমার ৬৫ সেমি ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। সীমান্ত নদী জাদুকাটার পানিও বিপত্সীমার নিচে বইছে।

মৌলভীবাজার : মনু ও কুশিয়ারা নদীর পানি মৌলভীবাজারে গতকাল দুপুর ৩টায় বিপত্সীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। তবে ধলাই নদের পানি হ্রাস পেয়ে বিপত্সীমার নিচ দিয়ে বইছে। কমলগঞ্জ উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতির সার্বিক উন্নতি হয়েছে। মৌলভীবাজার সদরে পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে।

হবিগঞ্জ : গতকাল দুপুরে হবিগঞ্জে খোয়াই নদী বিপত্সীমার ৫৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হলেও বিকেলে তা দ্রুত কমে যায়। কুশিয়ারা নদী বিকেলে বিপত্সীমার ৫৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। কুশিয়ারায় পানি বৃদ্ধির ফলে অর্ধশত গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।

লালমনিরহাট : পাটগ্রাম উপজেলার জোংড়া ইউনিয়নে আঞ্চলিক সড়কে সেতুর সংযোগ সড়ক ধসে যাওয়ায় প্রায় ২০ হাজার মানুষ দুর্ভোগে পড়েছে। গত রবিবার রাতে ধরলা নদীর পানির চাপে সড়কটি ধসে যায়।

গাইবান্ধা : সংশ্লিষ্ট এলাকার নদ-নদীগুলোর পানি বাড়তে থাকায় জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি ঘটেছে। গতকাল দুপুরে জেলা শহরে বন্যার পানি ঢুকে পড়েছে। ব্রহ্মপুত্র বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে নতুন করে আশ্রয় নিয়েছে অসংখ্য মানুষ।

এদিকে গত সোমবার ভেঙে যাওয়া গাইবান্ধা সদর উপজেলার ফারাজিপাড়া ও গোদারহাট এলাকা দিয়ে পানি ঢুকে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। সদর উপজেলার ফারাজিপাড়া এলাকায় গাইবান্ধা-সুন্দরগঞ্জ সড়কের আধা কিলোমিটার অংশ ডুবে যাওয়ায় যান চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। গাইবান্ধা সদর, সুন্দরগঞ্জ, সাঘাটা ও ফুলছড়ি উপজেলার ২৬টি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়ে প্রায় দুই লাখ ৫৪ হাজার ৬৩ জন মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। এ ছাড়া ১৫টি স্থানে ফাটল ধরায় হুমকির মুখে রয়েছে বেলকা, চন্ডিপুর ও শ্রীপুর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ।

মান্দা (নওগাঁ) : আত্রাই নদীর পানি বিপত্সীমার ৭০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। সোমবার সন্ধ্যায় এ নদীর পানি বিপত্সীমায় অবস্থান করলেও ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে বেড়েছে ৭০ সেন্টিমিটার। এরই মধ্যে নদীসংলগ্ন বেড়িবাঁধ ভেঙে সহস্রাধিক পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে আত্রাই ও ফকির্ণী নদীর উভয় তীরের বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের অন্তত ৩০টি পয়েন্ট।

বগুড়া : বগুড়ায় যমুনার পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে সাড়ে পাঁচ শ’রও বেশি গ্রাম। গতকাল সকাল ৬টার দিকে মথুরাপাড়া পয়েন্টে যমুনা বিপত্সীমার ৯২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। এতে সারিয়াকান্দি, সোনাতলা ও ধুনট উপজেলার ২৯ ইউনিয়নের মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

 

মন্তব্য