kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৫ জুন ২০১৯। ১১ আষাঢ় ১৪২৬। ২২ শাওয়াল ১৪৪০

ভর্তি-নিয়োগ পরীক্ষায় জালিয়াতিতে ৬ চক্র

এস এম আজাদ   

৩১ মে, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৯ মিনিটে



ভর্তি-নিয়োগ পরীক্ষায় জালিয়াতিতে ৬ চক্র

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি পরীক্ষা, ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষা এমনকি বিসিএস পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসসহ জালিয়াতির অভিযোগে দেশের সবচেয়ে বড় চক্র শনাক্ত করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। দেড় বছর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতির ঘটনার তদন্ত করতে গিয়ে ছয়টি চক্রের সন্ধান পেয়েছেন তদন্তকারীরা। এসব চক্রের ১২৫ জনকে শনাক্ত করা গেছে, যাদের ৮৭ জনই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। সিআইডির দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানান, ওই ১২৫ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) চূড়ান্ত করা হয়েছে। আগামী সপ্তাহে হাজার পৃষ্ঠার চার্জশিট দাখিল করা হবে।

ওই কর্মকর্তারা আরো জানান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরো ৫৫ জনের নাম পাওয়া গেছে, যাদের পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি। পরিচয় পেলে তাদের বিরুদ্ধে সম্পূরক চার্জশিট দেওয়া হবে। দেড় বছরে পাঁচ দফায় অভিযানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১ শিক্ষার্থীসহ ৪৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে সিআইডি। তবে চক্রের হোতাসহ গ্রেপ্তার করা সবাই এরই মধ্যে জামিনে ছাড়া পেয়ে গেছে।

সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রে জানা যায়, পরীক্ষার কেন্দ্রে প্রশ্ন ফাঁস করে বিশেষ ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে উত্তর তৈরি করে জালিয়াতি করছিল পাঁচটি চক্র। আরেকটি চক্র ছাপাখানা থেকেই প্রশ্নপত্র সংগ্রহ করে জালিয়াতি করে আসছিল। দুই থেকে সাত লাখ টাকার চুক্তিতে ভর্তি-নিয়োগ পরীক্ষায় জালিয়াতি করছিল তারা। তিন-চার বছর ধরে এসব চক্রের অপকর্ম চলছিল বলে তথ্য পেয়েছে সিআইডি। এসব সিন্ডিকেটে সরকারি কর্মকর্তা, শিক্ষক, বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র, ছাপাখানার কর্মচারী, কোচিং সেন্টারের মালিক, অভিভাবকও আছেন।

সূত্র মতে, এদিকে জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের মধ্যে চক্রের প্রধানসহ আটজনের ১৫ কোটি টাকার বেশি লেনদেনের তথ্য পেয়েছে সিআইডি। তাদের বাড়ি-গাড়ি, জমিসহ আছে আরো কয়েক কোটি টাকার সম্পদ। এসব অবৈধ সম্পদের ব্যাপারে অর্থপাচার আইনে আলাদা মামলা হয়েছে।

এদিকে ১৪২ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাদের বিরুদ্ধে এখনো কঠোর পদক্ষেপ নেয়নি। জালিয়াতি ধরা পড়ার পর গ্রেপ্তার হওয়া রানা, মামুনসহ এক দফায় মাত্র ১৫ জনকে বহিষ্কার করেছিল কর্তৃপক্ষ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম গোলাম রাব্বানী বলেন, ‘আগে অভিযোগের প্রমাণ পেয়ে ১৫ জনকে বহিষ্কার করা হয়েছে। প্রমাণসাপেক্ষে এখন ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

সিআইডি সূত্রে জানা যায়, গত ২৩ ফেব্রুয়ারি ৯১ জনকে শনাক্ত করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে ওই সব শিক্ষার্থীর বিস্তারিত তথ্য চাওয়া হয়। এপ্রিলে সিআইডিকে তথ্য দেয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। তাদের মধ্যে চারজনের পরে সম্পৃক্ততা পায়নি সিআইডি। অভিযুক্ত শিক্ষার্থীরা জালিয়াতির মাধ্যমে ভর্তি হয়েছে এবং সুবিধা নিয়েছে।

সিআইডির প্রধান, অতিরিক্ত আইজিপি মোহা. শফিকুল ইসলাম গতকাল বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘দেড় বছরের দীর্ঘ তদন্ত শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বহুল আলোচিত প্রশ্ন ফাঁস মামলার চার্জশিট প্রস্তুত করা হয়েছে। এতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮৭ শিক্ষার্থীসহ মোট ১২৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। আরো অনেক তথ্য যাচাইয়ের কাজ চলছে। নাম-ঠিকানা সঠিক পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধেও সম্পূরক চার্জশিট দেওয়া হবে।’ জালিয়াতির বিষয়ে তিনি বলেন, মূলত দুইভাবে জালিয়াতি হয়। একটি চক্র প্রেস থেকে প্রশ্নপত্র ফাঁস করে। অন্যটি পরীক্ষা শুরুর কয়েক মিনিট আগে কেন্দ্র থেকে প্রশ্নপত্র নিয়ে দ্রুত তা সমাধান করে ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে পরীক্ষার্থীকে সরবরাহ করে।

সিআইডির প্রধান বলেন, এখন পর্যন্ত ৪৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৪৬ জনই  আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। বাকিরা পলাতক।

যেভাবে ধরা পড়ে জালিয়াতি : সিআইডির কর্মকর্তারা জানান, ২০১৭ সালের ১৯ অক্টোবর মধ্যরাতে গণমাধ্যমকর্মীদের দেওয়া কিছু তথ্যের সূত্র ধরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুটি আবাসিক হলে অভিযান চালায় সিআইডি। তখন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সহসম্পাদক মহিউদ্দিন রানা ও শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আল মামুনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের কাছ থেকে এটিএম কার্ডের মতো দেখতে ইলেকট্রনিক ডিভাইস উদ্ধার করা হয়, যা দিয়ে পরীক্ষা চলাকালে কানে আরেকটি ডিভাইস রাখা পরীক্ষার্থীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হতো। ওই দুজনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, পরদিন পরীক্ষার হল থেকে গ্রেপ্তার করা হয় ভর্তীচ্ছু রাফিকে। ২০ অক্টোবর শাহবাগ থানায় মামলা করা হয়। রাফির দেওয়া তথ্যমতে, প্রশ্ন পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া সাত শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করে সিআইডি। ওই শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে জানা যায়, পরীক্ষার আগেই প্রেস থেকে ফাঁস হয়ে যেত প্রশ্ন। ওই চক্রের মাস্টারমাইন্ড নাটোরের ক্রীড়া কর্মকর্তা রাকিবুল হাসান এছামী, রাজধানীর ইন্দিরা রোডের একটি ছাপাখানার কর্মচারী খান বাহাদুর, তাঁর আত্মীয় সাইফুল, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী বনি ও মারুফসহ ২৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের কাছ থেকে অনেক তথ্য পায় সিআইডি।

তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, পাঁচটি ধাপে জালিয়াতচক্রের পৌনে দুই শ সদস্যের নাম পায় সিআইডি। শেষ ধাপে গত জানুয়ারিতে ডিভাইস জালিয়াতচক্রের মূল হোতা ব্যাংকার হাফিজুর রহমান হাফিজ ও ব্যবসায়ী মাসুদুর রহমান তাজুলকে গ্রেপ্তার করা হয়।  

হোতাদের কোটি টাকার সম্পদ : সিআইডি সূত্রে জানা যায়, ডিজিটাল ডিভাইস জালিয়াতচক্রের মূল হোতা পাঁচজন। তাঁরা হলেন বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাবেক সহকারী পরিচালক অলিপ কুমার বিশ্বাস, ৩৮তম বিসিএসে নন-ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত ইব্রাহিম মোল্লা, জনতা ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার হাফিজুর রহমান হাফিজ, ব্যবসায়ী মাসুদুর রহমান তাজুল ও বিএডিসির সহকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোস্তফা কামাল। তাঁরা গ্রেপ্তার হয়েছেন। তাঁরা বিসিএস পরীক্ষায়ও জালিয়াতি করেছেন।

সূত্র মতে, সিআইডির অনুসন্ধানকারী দল গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের অঢেল অর্থ-সম্পদের তথ্য পেয়েছে, যা তাঁরা প্রশ্নপত্র ফাঁস ও ডিজিটাল জালিয়াতি করে আয় করেছেন। রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দীর অলিপ কুমার বিশ্বাস ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতি করে কয়েক বছরে দুই কোটি টাকা আয় করেন। ধানমণ্ডির এলিফ্যান্ট রোডে একটি বাসা নিয়ে অলিপ বিকেএসপিতে চাকরি করার পাশাপাশি জালিয়াতি করে আসছিলেন। গত ২০ অক্টোবর জালিয়াতি ধরা পড়ার পর তাঁকে বরখাস্ত করে বিকেএসপি।

ইব্রাহিম, হাফিজ, মোস্তফা, তাজুল ও বাঁধনের প্রায় ২০ কোটি টাকার সম্পদের সন্ধান পেয়েছে সিআইডি। ইব্রাহিমের ছিল বিলাসী জীবন। ৩৬ লাখ টাকা দামের গাড়িতে চড়তেন। জালিয়াতির টাকায় খুলনায় সাড়ে ৬ শতাংশ জমির ওপর চারতলা ভবন নির্মাণ করেন তিনি। নড়াইলে বানিয়েছেন ডুপ্লেক্স বাড়ি। রাজধানীতে তাঁর একটি অবৈধ মানি এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠানও আছে। এ ছাড়া হাফিজের ব্যাংকে কয়েক কোটি টাকার লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে।

অলিপের সহযোগীরা হলেন জাহাঙ্গীর আলম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র মহিউদ্দিন রানা, সাইদুর রহমান সাইদ, প্রণয় পাণ্ডে ও হাসিবুর রহমান রুবেল। ইব্রাহিমের সহযোগী আইয়ুব আলী বাঁধনও তাঁর সঙ্গে বিসিএসে সুপারিশপ্রাপ্ত ছিলেন। জাহাঙ্গীর আলম অগ্রণী ব্যাংকের ক্যাশ অফিসার। ওই চক্রে আরো আছেন মামুন মিয়া, সাদেকুল সুমন ও খায়রুজ্জামান সুজন। হাফিজুর রহমান হাফিজের সিন্ডিকেটে আছেন ঢাকা কলেজের ছাত্র আবদুর রহমান রমিজ। মাসুদুর রহমান তাজুলের সিন্ডিকেটে আছেন ঢাকা কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী অসীম বিশ্বাস, গ্রীন ইউনিভার্সিটির ছাত্র রিমন হোসেন, শ্বাসত কুমার ঘোষ ও নেছার উদ্দিন লিমন। মোস্তফা কামালের সিন্ডিকেটে আছেন মাসুদ হাসান ও আব্দুল্লাহ। ছাপাখানা থেকে প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের মাস্টারমাইন্ড নাটোরের সাবেক ক্রীড়া কর্মকর্তা রাকিবুল হাসান এছামী। তাঁর সহযোগীরা হলেন ইন্দিরা রোডের পিপলস প্রিন্টিং প্রেসের কর্মচারী খান বাহাদুর, তাঁর আত্মীয় সাইফুল ইসলাম, সজীব ইসলাম, বনি ইসরাইল, আশরাফুল ইসলাম আরিফ, মারুফ হাসান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী (বহিষ্কৃত) নাভিদ আনজুম তনয়।

সিআইডি সূত্রে জানা যায়, অলিপ কুমার বিশ্বাস, ইব্রাহিম মোল্লা, মোস্তফা কামাল, হাফিজ, তাজুল, রিমন, বাঁধন ও রাকিবুল হাসানের ২০ কোটি টাকার সম্পদ বাজেয়াপ্ত করতে গত বছরের ৭ জানুয়ারি উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করা হয়।

সিআইডির বিশেষ সুপার মোল্যা নজরুল ইসলাম বলেন, ‘মানি লন্ডারিং মামলায় জালিয়াতির সঙ্গে জড়িতদের ব্যাপারে তদন্ত করে আলাদাভাবে প্রতিবেদন দেওয়া হবে।’

চার্জশিটে নাম থাকছে যাঁদের : চার্জশিটে যাঁদের নাম থাকছে তাঁরা হলেন ইব্রাহিম, অলিপ কুমার বিশ্বাস, মোস্তফা কামাল, হাফিজুর রহমান, মাসুদুর রহমান তাজুল, রিমন হোসেন, মো. মহিউদ্দিন রানা, আইয়ুব আলী বাঁধন, আব্দুল্লাহ আল মামুন, ইশরাক হোসেন রাফি, জাহাঙ্গীর আলম, মামুন মিয়া, অসিম বিশ্বাস, আনোয়ার হোসেন, নুরুল ইসলাম, হাসমত আলী সিকদার, হোসনে আরা বেগম, গোলাম বাবুল, টি এম তানভির হাসনাইন, সুজাউর রহমান সাম্য, রাফসান করিম, আখিনুর রহমান অনিক, নাজমুল হাসান নাঈম, ফারজাদ ছোবহান নাফি, আনিন চৌধুরী, রকিবুল হাসান ইসামী, বনি ইসরাইল, মারুফ হোসেন, সাইফুল ইসলাম, খান বাহাদুর, কাজী মিনহাজুল ইসলাম, নাহিদ ইফতেখার, রিফাত হোসেন, বায়জিদ, ফারদিন আহম্মেদ সাব্বির, তানভির আহম্মেদ মল্লিক, প্রসেনজিত দাস, আজিজুল হাকিম, নাভিদ আনজুম তনয়, সালমান এফ রহমান হৃদয়, সজীব আহাম্মেদ, শিহাব হোসেন খান, এনামুল হক আকাশ, মোশারফ মোসা, মোহায়মেনুল ইসলাম বাঁধন, সাইদুর রহমান, আব্দুর রহমান রমিজ, গোলাম রাব্বী খান জেনিথ, উৎপল বিশ্বাস, বেলাল হোসেন বাপ্পী, মশিউর রহমান সমীর, আবু জুনায়েদ সাকিব, মোস্তাফিজ-উর-রহমান মিজান, আবুল কালাম আজাদ, শরমিলা আক্তার আশা, মাসুদ রানা, জেরিন হোসাইন, শেখ জাহিদ বিন হোসেন ইমন, তাজুল ইসলাম সম্রাট, আবির হাসান হৃদয়, মোর্শেদা আক্তার, সালমান হাবিব আকাশ, আলামিন পৃথক, শাহ মেহেদী হাসান হৃদয়, অনিকা বৃষ্টি, ফিওনা মহিউদ্দিন মৌমি, সিনথিয়া আহম্মেদ, শাবিরুল ইসলাম সনেট, লাভলুর রহমান লাভলু, মো. ইছাহাক আলী ইছা, আব্দুল ওয়াহিদ মিশন, তানজিনা সুলতানা ইভা, ইশরাত জাহান ছন্দা, আশেক মাহমুদ জয়, নাফিসা তাসনিম বিন্তী, প্রণয় পাণ্ডে, নুরুল্লাহ নয়ন, জিয়াউল ইসলাম, আশরাফুল ইসলাম আরিফ, জাকিয়া সুলতানা, শাদমান শাহ, সাদিয়া সিগমা, রবিউল ইসলাম রবি, মেহেজাবীন অনন্যা, রাকিবুল হাসান, এম ফাইজার নাঈম সাগর, সাদিয়া সুলতানা এশা, সামিয়া সুলতানা, ফাতেমা আক্তার তামান্না, নওশীন আফরিন মিথিলা, আমরিন আলম জুটি, সুবহা লিয়ানা তালুকদার, মোহাইমিনুল রায়হান ফারুক, সাফায়েতে নূর সাইয়ারা নোশিন, মাসুদ রানা, ইখতেখার আলম জিসান, রাকিব হাসান, খালিদ হাসান, আজলান শাহ ফাহাদ, সৌভিক সরকার, রিজন আহমদ পাঠান, মাহবুব আলম সিদ্দিকী সম্রাট, মো. হাসিবুর রশিদ, আফসানা নওরিন ঋতু, মারুফ হাসান খান, তৌহিদুল হাসান আকাশ, শাহাৎ আল ফেরদৌস ফাহিম, আয়েশা আক্তার তামান্না, ফাতেমা তুজ জোহরা মীম, শাশ্বত কুমার ঘোষ শুভ, রাসেল আলী, রাজীবুল ইসলাম রাজীব, আবু মাসুম, জান্নাত সুলতানা, জি এম রাফসান কবির, সাগর সাহা, সাদেকুল ইসলাম সুমন, আব্দুল্লাহ, খাইরুজ্জামান সরকার সুজন, শাহেদ আহমেদ, মুহাইমিনুল ইসলাম মাসুদ, আশরাফুল আলম, হাসিবুর রহমান রুবেল ও মাকসুদুর রহমান শুভ।

 

 

মন্তব্য