kalerkantho

মঙ্গলবার । ২১ মে ২০১৯। ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ১৫ রমজান ১৪৪০

ফণীর প্লাবনে ভাসল উপকূল

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৪ মে, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৯ মিনিটে



ফণীর প্লাবনে ভাসল উপকূল

ঘূর্ণিঝড় ফণীর প্রভাবে সাগরের জোয়ারে পানি বৃদ্ধি পেয়ে কক্সবাজারের কুতুবদিয়া দ্বীপের বেশ কিছু গ্রাম প্লাবিত হয়। ছবি : কালের কণ্ঠ

বঙ্গোপসাগরে গভীর নিম্নচাপ থেকে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার পর ‘ফণী’ বিভিন্ন সময়ে গতিপথ পরিবর্তন করেছে। ভারতের ওড়িশা উপকূলের দিকে কখনো ত্বরিতগতিতে আবার কখনো ধীরগতিতে এগিয়েছে। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা নাগাদ বাংলাদেশের খুলনা অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’ ঢোকার কথা থাকলেও গত রাতে আবহাওয়া দপ্তর জানায়, ‘ফণী’ যেভাবে অগ্রসর হচ্ছে তাতে আজ শনিবার সকাল নাগাদ বাংলাদেশের উপকূলে আঘাত হানবে। এতে আজ দিনভর সারা দেশে প্রবল বৃষ্টিপাত হবে। বাতাসের তর্জন-গর্জন থাকবে সবখানেই।

আবহাওয়া দপ্তরের আবহাওয়াবিদ নাজমুল হক গত রাত দেড়টায় কালের কণ্ঠকে জানান, আজ শনিবার সকালের মধ্যেই বাংলাদেশের খুলনা অঞ্চলে ফণী আঘাত হানবে। তবে ভারতের ওড়িশায় আঘাত হানার পর ফণী অনেকটা দুর্বল হয়ে গেছে। ফলে বাংলাদেশে যে পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হয়েছিল আশা করা যায় তা আর হবে না।       

অন্যদিকে ভারতের আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছিল, গতকাল দুপুরের পর ওড়িশা উপকূলে ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’ আঘাত হানবে। কিন্তু বাস্তবে দেখা গেছে, সকাল ৮টা ৫২ মিনিটে ওই উপকূলে আঘাত হানে ঘূর্ণিঝড়টি। সেখানে ৮জন মারা গেছে। অন্যদিকে তারা বলছে, ফণী বাংলাদেশে আঘাত হানবে আজ বিকেলে।

বাংলাদেশের উপকূলে ‘ফণী’ আছড়ে পড়ার আগেই প্রবল জোয়ারে বাঁধ ভেঙে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে বেশ কয়েকটি জেলায়। এ ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ঝোড়ো হাওয়ায় গাছ উপড়ে গেছে অনেক স্থানে। পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় অন্তত ৪০টি ঘরবাড়ি তছনছ হয়ে গেছে। ফণীর অগ্রভাগের প্রভাবে তৈরি হওয়া বজ মেঘে গতকাল সারা দেশেই বৃষ্টি হয়েছে। কিশোরগঞ্জে বজ পাতে নিহত হয়েছে ছয়জন।

আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’র প্রভাবে বজ মেঘ তৈরি হয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে বজ পাত হয়েছে। বাগেরহাটে ঝড়ের কবলে পড়ে তাত্ক্ষণিক মৃত্যু হয় এক নারীর। ‘ফণী’র প্রভাবের মধ্যেই ফরিদপুরের মানুষ টর্নেডোও দেখেছে। টর্নেডোর আঘাতে বেশ কয়েকটি বাড়ির টিনের চাল উড়ে গেছে। ‘ফণী’র প্রভাবে বেড়িবাঁধ ভেঙে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে বেশ কয়েকটি জেলায়। যদিও এ ঘূর্ণিঝড় সামলাতে সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে সরকার। আবহাওয়া দপ্তরও তিন ঘণ্টা পর পর ঘূর্ণিঝড়ের হালনাগাদ তথ্য জানাচ্ছে।

বজ্রপাতে গতকাল কিশোরগঞ্জে ছয়জন নিহত হয়েছে। এর মধ্যে মিঠামইনে ঝড়-বৃষ্টির সময় বাড়ির সামনের হাওর থেকে গরু আনতে গিয়ে বজ্রপাতে সুমন মিয়া নামের সাত বছরের একটি শিশু প্রাণ হারায়। নিহত সুমন মিয়া উপজেলার কেওয়ারজোড় ইউনিয়নের কুড়ারকান্দি গ্রামের এবাদ মিয়ার ছেলে। অন্যদিকে উপজেলার বৈরাটি ইউনিয়নের বিরামচর গ্রামে হাওরে বোরো ধান কাটতে গিয়ে বজ পাতে প্রাণ হারান মো. মহিউদ্দিন (২২)। তিনি উপজেলার বৈরাটি ইউনিয়নের বিরামচর গ্রামের গোলাপ মিয়ার ছেলে।

ইটনায় ধান কাটার কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে বজ্রপাতে মারা যান রুবেল দাস (২৬) নামের এক তরুণ। তিনি ধনপুর ইউনিয়নের কাঠুইর গ্রামের রাকেশ দাসের ছেলে। স্থানী লোকজন জানায়, ধান কেটে বাড়ি ফিরছিলেন রুবেল। পথে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ঝড়-বৃষ্টির সময় নিজ গ্রামের কাছেই বজ্রপাতে তিনি গুরুতর আহত হন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে ইটনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ইটনা থানার ওসি মোহাম্মদ মুর্শেদ জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

এ ছাড়া পাকুন্দিয়ায় গতকাল পৃথক দুটি বজ পাতের ঘটনায় নারীসহ তিনজন প্রাণ হারান। তাঁরা হলেন উপজেলার চরফরাদী ইউনিয়নের আলগীরচর গ্রামের হালিম উদ্দিনের মেয়ে মোছা. নূরনাহার (৩৫) ও ইন্তাজ আলীর ছেলে মজিবুর রহমান এবং সুখিয়া ইউনিয়নের কোষাকান্দা গ্রামের আয়েছ আলীর ছেলে আসাদ মিয়া (৪৫)।

ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার জাহাপুর ইউনিয়নে টর্নেডোর ছোবলে বেশ কিছু বাড়িঘর বিধ্বস্ত হয়েছে। বেশ কিছু গাছও উপড়ে গেছে। তবে প্রাণহানির কোনো খবর পাওয়া যায়নি। গতকাল বিকেল ৪টা থেকে সোয়া ৪টার মধ্যে এ টর্নেডো আঘাত হানে বলে এলাকাবাসী জানিয়েছে। কয়েকজন এলাকাবাসী জানায়, ইউনিয়নের আখড়া এলাকা থেকে এ টর্নেডো শুরু হয়ে প্রায় সাত শ মিটার অংশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এলাকা, দরগাবাড়ী ও চর মনোহরদী গ্রামের ওপর দিয়ে প্রচণ্ড বেগে বয়ে যায়।

জাহাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোল্লা মো. ইছাহাক জানান, টর্নেডো শুরু হওয়ার পর মুহূর্তের মধ্যে সব লণ্ডভণ্ড করে দেয়। তবে প্রাণহানির কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

মধুখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোস্তফা মনোয়ার জানান, টর্নেডোর আঘাতে সাত থেকে আটটি বাড়ির টিনের চাল উড়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। বেশ কিছু লিচুগাছ ও আমগাছ উপড়ে গেছে।

আবহাওয়া কর্মকর্তা আবুল কালাম মল্লিক গত রাতে কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড় ফণী ভারতের ওড়িশার গোপালপুর ও পুরীতে আঘাত হানার পর তা পশ্চিমবঙ্গ হয়ে বাংলাদেশের দিকে ধেয়ে আসছে। রাত ৯টায় ফণী মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৪১০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল। এটি মধ্যরাত কিংবা শনিবার সকাল নাগাদ বাংলাদেশের উপকূলে আঘাত হানতে পারে।’

আবহাওয়া দপ্তর জানায়, ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’র প্রভাবে গতকাল দেশের প্রায় সব জেলাতেই বৃষ্টি হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে ময়মনসিংহে ৫৮ মিলিমিটার। ঢাকায় ২৭ মিলিমিটার এবং চুয়াডাঙ্গায় ৩০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

আবহাওয়ার বিশেষ বুলেটিনে বলা হয়েছে, মোংলা ও পায়রা বন্দরের জন্য ৭ নম্বর বিপত্সংকেত অব্যাহত রাখা হয়েছে। চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরকে ৬ নম্বর বিপত্সংকেত এবং কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরকে ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড় ফণীর প্রভাবে গতকাল সকালে জোয়ারের পানি চার থেকে পাঁচ ফুট বৃদ্ধি পেয়ে কক্সবাজারের নিচু এলাকা প্লাবিত হয়েছে। বিশেষ করে কুতুবদিয়া দ্বীপের ভাঙা বেড়িবাঁধ দিয়ে সামুদ্রিক জোয়ারের পানি ঢুকে দ্বীপের ২০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। জোয়ারের পানি দ্বীপে ঢুকে পড়ায় ১০০ পরিবারের কমপক্ষে এক হাজার মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে নেওয়া হয়েছে। মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন সাগরদ্বীপ কুতুবদিয়ায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের বেড়িবাঁধ রয়েছে ৪০ কিলোমিটারের। এর মধ্যে ২৪ কিলোমিটারই রয়েছে ঝুঁকিতে।

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় গতকাল দুপুরে আকস্মিক ঝড়-বৃষ্টিতে উপজেলার বলেশ্বর নদের তীরের মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। প্রায় ২০ মিনিটের হালকা ঝোড়ো বৃষ্টিতে নদী তীরবর্তী মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ঝড়ে উপজেলার সাপলেজা ইউনিয়নের বলেশ্বর নদতীরের ক্ষেতাছিঁড়া, কচুবাড়িয়া জেলেপল্লীর অন্তত ৪০টি ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

ক্ষেতাছিঁড়া ওয়ার্ডের ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য আফজাল হোসেন জানান, বেশ কিছু গাছপালা উপড়ে গেছে। বলেশ্বর নদে অস্বাভাবিক জোয়ারে বড়মাছুয়া, ভোলমারা, খেজুরবাড়িয়া, ক্ষেতাছিঁড়া ও কচুবাড়িয়া এলাকার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে এসব এলাকার ডাল ফসল দুই ফুট পানিতে তলিয়ে বিনষ্ট হয়েছে। ক্ষেতাছিঁড়া ও কচুবাড়িয়া পয়েন্টে বেড়িবাঁধ নদের প্লাবনে হুমকির মুখে রয়েছে।

ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’র প্রভাবে উপকূলীয় বাগেরহাটের শরণখোলায় গতকাল দুপুর ১টা থেকে প্রবল বৃষ্টিপাত ও দমকা বাতাস বইছে। নদীর পানি স্বাভাবিকের চেয়ে দুই থেকে তিন ফুট উচ্চতায় প্রবাহিত হচ্ছে। বলেশ্বর নদের জোয়ারের চাপে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ৩৫/১ পোল্ডারের বেড়িবাঁধের সাউথখালী ইউনিয়নের বগী এলাকার তিনটি পয়েন্ট ভেঙে তিন গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। সরেজমিনে ভাঙনকবলিত বগী এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, বগীবন্দর থেকে গাবতলা আশার আলো মসজিদ পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার বেড়িবাঁধ মারাত্মক ঝুঁকিরপূর্ণ হয়ে পড়েছে। এর মধ্যে বলেশ্বর নদের প্রবল জোয়ারে আগেই ভেঙে যাওয়া বগী সাতঘর এবং নতুন করে বগী নতুন স্লুইস গেট ও বগী কমিউনিটি ক্লিনিকের সামনের বেড়িবাঁধ ভেঙে পানি ঢুকছে। জোয়ারের পানিতে বগী, দক্ষিণ সাউথখালী ও চালিতাবুনিয়া এই তিনটি গ্রামের চার সহস্রাধিক বাড়িঘর প্লাবিত হয়েছে।

‘ফণী’র প্রভাবে গতকাল দুপুরে বাগেরহাট সদর উপজেলার খানপুর ইউনিয়নের চূড়ামনকাঠি গ্রামে গাছ পড়ে শাহিনুর বেগমের (৩৫) মৃত্যু হয়। তিনি ওই গ্রামের মুজাহারের স্ত্রী। 

বাগেরহাটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. জহিরুল ইসলাম জানান, শাহিনুর বেগম ঝড়ের সময় রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় গাছ ভেঙে গায়ে পড়লে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।

‘ফণী’র প্রভাবে পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় বিধ্বস্ত বন্যা নিয়ন্ত্রণ বেড়িবাঁধ দিয়ে জোয়ারের পানি প্রবেশ করায় চারটি গ্রামের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। তবে ভাটায় আবার পানি নেমে যাওয়ায় তেমন কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। কিন্তু রাতে জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কায় এলাকার লোকজনের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। জেলার নদ-নদী উত্তাল হয়ে উঠেছে। স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে তিন-চার ফুট পানি বৃদ্ধি পেয়েছে সব নদ-নদী ও সাগরে। এ ছাড়া গতকাল সকাল ১০টা থেকে ঝোড়ো হাওয়া বইতে শুরু করে। দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটের দিকে আকস্মিক প্রবল বেগে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ায় গাছের চাপায় কলাপাড়ায় তিনজন আহত হয়েছে। তাদের উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জাহাঙ্গীর হোসেন ও হাবিবুর রহমানকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। ঝোড়ো হাওয়ার পরপরই কলাপাড়ায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এ ব্যাপারে কলাপাড়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএম শহিদুল ইসলাম জানান, আমতলী-কলাপাড়া বিদ্যুৎ লাইন ঠিক আছে। ঝড়ের কারণে পটুয়াখালী-আমতলী বিদ্যুৎ সংযোগ লাইনে সমস্যা দেখা দেওয়ায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।

‘ফণী’ ধেয়ে আসার কারণে দুর্ঘটনার আশঙ্কায় নৌ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশক্রমে গতকাল দুপুর ২টা থেকে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথে সব ফেরি সার্ভিস বন্ধ ঘোষণা করে বিআইডাব্লিউটিসি কর্তৃপক্ষ। এদিকে ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া ঘাটে আটকা পড়ে যাত্রীবাহী বাস, পণ্যবাহী ট্রাকসহ ঢাকাগামী শত শত বিভিন্ন গাড়ি। এতে ঘাটের জিরো পয়েন্ট থেকে দৌলতদিয়া-খুলনা মহাসড়কের বাংলাদেশ হ্যাচারিজ পর্যন্ত চার কিলোমিটার সড়কে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়। এর আগে একই কারণে গত বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টা থেকে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথে সব লঞ্চ চলাচল বন্ধ ঘোষণা করে বিআইডাব্লিউটিএ।

 

মন্তব্য