kalerkantho

শুক্রবার । ২২ নভেম্বর ২০১৯। ৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

একুশে পদক প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী

আসুন, সবাই মিলে দেশ গড়ি

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



আসুন, সবাই মিলে দেশ গড়ি

নিজ নিজ ক্ষেত্রে কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের জন্য কথাসাহিত্যিক ও কালের কণ্ঠ সম্পাদক ইমদাদুল হক মিলনসহ ২১ জন গুণী ব্যক্তিকে রাষ্ট্রের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সম্মাননা একুশে পদক ২০১৯ প্রদান করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় দেশের সবাইকে মিলেমিশে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্র্যমুক্ত সোনার বাংলা গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

গতকাল বুধবার বিকেলে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পদকপ্রাপ্তদের অভিনন্দন জানিয়ে পদকপ্রাপ্ত ও তাঁদের প্রতিনিধিদের হাতে পুরস্কার ও সনদ তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘একুশ আমাদের শিখিয়েছে মাথা নত না করা। একুশ আমাদের শিখিয়েছে কিভাবে নিজের অস্তিত্ব রক্ষা করা যায়, নিজের মাতৃভাষাকে রক্ষা করা যায়। সঙ্গে সঙ্গে নিজের সংস্কৃতি, শিক্ষা, ঐতিহ্য—সব কিছুকেই রক্ষা করা ও তার মর্যাদা দেওয়া যায়।’ তিনি বলেন, ‘আসুন, আমাদের মাতৃভূমিকে আমরা গড়ে তুলি। আমাদের সংস্কৃতি, আমাদের ঐতিহ্য নিয়ে বিশ্বে যেন অনন্য মর্যাদা নিয়ে চলতে পারি। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্র্যমুক্ত সোনার বাংলাদেশ গড়তে পারি।’ 

এ বছরের পদকপ্রাপ্তরা হচ্ছেন ভাষা আন্দোলনে অবদানের জন্য মরহুম অধ্যাপক হালিমা খাতুন (মরণোত্তর), যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রধান কৌঁসুলি গোলাম আরিফ টিপু ও অধ্যাপক মনোয়ারা ইসলাম। ক্ষিতীন্দ্র চন্দ্র বৈশ্য একুশে পদক পেয়েছেন মহান মুক্তিযুদ্ধে ভূমিকার জন্য। প্রয়াত পপশিল্পী আজম খান (মরণোত্তর) ও নজরুলসংগীত শিল্পী খায়রুল আনাম শাকিলের সঙ্গে এবার সংগীত বিভাগে এ পুরস্কার পান গায়ক সুবীর নন্দী। সুবর্ণা মুস্তাফার সঙ্গে লাকী ইনাম ও লিয়াকত আলী লাকী একুশে পদক পান অভিনয়ের জন্য। দেশের প্রথম নারী আলোকচিত্রী সাইদা খানম আলোকচিত্রে অবদানের জন্য এবং চিত্রশিল্পী জামাল উদ্দিন আহমেদ চারুকলায় এ পুরস্কার পান। গবেষণায় ড. বিশ্বজিৎ ঘোষ ও ড. মাহবুবুল হক এবং শিক্ষায় ড. প্রণব কুমার বড়ুয়াকে এ পদক প্রদান করা হয়। এ ছাড়া ভাষা সাহিত্যে কথাসাহিত্যিক রিজিয়া রহমান, ঔপন্যাসিক ও কালের কণ্ঠ সম্পাদক ইমদাদুল হক মিলন, কবি অসীম সাহা, কথাসাহিত্যিক আনোয়ারা সৈয়দ হক, মঈনুল আহসান সাবের ও হরিশংকর জলদাস একুশে পদক পান।

মরণোত্তর একুশে পদক বিজয়ী অধ্যাপক হালিমা খাতুনের পক্ষে তাঁর কন্যা বেগম প্রজ্ঞা লাবনী এবং পপসম্রাট আজম খানের পক্ষে তাঁর কন্যা বেগম ইভা খান পুরস্কার গ্রহণ করেন। পুরস্কার হিসেবে প্রত্যেককে ৩৫ গ্রাম ওজনের একটি স্বর্ণপদক, এককালীন দুই লাখ টাকা ও একটি সম্মাননাপত্র দেওয়া হয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা