kalerkantho

মঙ্গলবার । ১২ নভেম্বর ২০১৯। ২৭ কার্তিক ১৪২৬। ১৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

নাসার প্রতিযোগিতায় শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি   

১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নাসার প্রতিযোগিতায় শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন

যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা আয়োজিত ‘নাসা স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জ’ প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) দল ‘সাস্ট অলিক’। ‘লুনার ভিআর’ নামে একটি ভার্চুয়াল রিয়ালিটি অ্যাপ তৈরি করে ছয়টি বিভাগের মধ্যে ‘বেস্ট ইউজ অব ডাটা’ বিভাগে জাপান, ক্যালিফোর্নিয়া ও কুয়ালালামপুরকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় সাস্ট অলিক।

নাসার দেওয়া বিভিন্ন ডাটা ব্যবহার করে লুনার ভিআর অ্যাপটি তৈরি করা হয়। অ্যাপটির মাধ্যমে নাসা অ্যাপোলো ১১ মিশনের ল্যান্ডিং এরিয়া ভ্রমণ, চাঁদ থেকে সূর্যগ্রহণ দেখা এবং চাঁদকে একটি স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ভার্চুয়ালভাবে ভ্রমণ করা যাবে।

বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্বকারী দল সাস্ট অলিকের সদস্যরা হলেন কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক বিশ্বপ্রিয় চক্রবর্তী (মেন্টর), পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৩-১৪ বর্ষের শিক্ষার্থী এস এম রাফি আদনান, ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা বিভাগের ২০১৩-১৪ বর্ষের শিক্ষার্থী কাজী মাইনুল ইসলাম, একই বিভাগের ২০১৩-১৪ বর্ষের শিক্ষার্থী আবু সাদিক মাহদি এবং একই বিভাগের ২০১৫-১৬ বর্ষের শিক্ষার্থী সাব্বির হাসান।

সাস্ট অলিকের মেন্টর বিশ্বপ্রিয় চক্রবর্তী বলেন, ‘বাংলাদেশ থেকে প্রথমবারের মতো আমরা চ্যাম্পিয়ন হয়েছি। এই অর্জন শুধু শাবিপ্রবির নয়, এটি বাংলাদেশের অর্জন। এরই মধ্যে আমরা নাসায় ঘুরে আসার আমন্ত্রণ পেয়েছি। তবে এ জন্য আমাদের যাতায়াত খরচ দেওয়া হবে না। আমরা আশা করব, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়, কোনো মন্ত্রণালয়, আইসিটি বিভাগ কিংবা কোনো বেসরকারি সংস্থা আমাদের সহায়তায় এগিয়ে আসবে।’

সাস্ট অলিকের কনিষ্ঠ সদস্য সাব্বির হাসান বলেন, ‘ভার্চুয়াল রিয়ালিটি নিয়ে আমরা অনেক স্বপ্ন দেখি। বিশেষ করে শিক্ষা ক্ষেত্রে এ ধরনের অ্যাপস খুব কার্যকর ভূমিকা রাখবে। এ রকম অনেক কিছু আছে যা আমরা বইয়ে পড়ি কিন্তু বাস্তবে দেখি না। ভার্চুয়াল রিয়ালিটির মাধ্যমে বাস্তব অভিজ্ঞতা নিয়ে অনেক কিছু শেখা সম্ভব।’

বিজয়ী দলকে অভিনন্দন জানিয়ে শাবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘এই সাফল্যে আমরা গর্বিত। আমি পুরো দলকে অভিনন্দন জানাই। আশা করি, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এভাবে সাফল্যের ধারা অব্যাহত রাখবে। এ ধরনের কাজে যেকোনো ধরনের সহায়তা বিশ্ববিদ্যালয় দেবে।’

বিশ্বের ৭৯টি দেশের বাছাই করা দুই হাজার ৭২৯টি দলের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে বাংলাদেশ থেকে প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন হয় সাস্ট অলিক। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা