kalerkantho

বুধবার । ১৩ নভেম্বর ২০১৯। ২৮ কার্তিক ১৪২৬। ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রধানমন্ত্রী

সংসদে না এসে ভুল করছেন বিএনপি ও ফ্রন্টের এমপিরা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



সংসদে না এসে ভুল করছেন বিএনপি ও ফ্রন্টের এমপিরা

বিএনপিসহ ঐক্যফ্রন্টের সংসদ সদস্যদের সংসদে আসার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনা। গতকাল বুধবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেও অল্প সিট পেয়েছেন বলে অভিমানে তাঁরা পার্লামেন্টে আসছেন না। আমার মনে হয়, তাঁরা একটা ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কারণ ভোটের মালিক জনগণ, জনগণ যাকে খুশি তাকে ভোট দেবে এবং সেভাবেই জনগণ ভোট দিয়েছে। কাজেই আমার আহ্বান থাকবে, যাঁরাই নির্বাচিত সংসদ সদস্য তাঁরা সবাই পার্লামেন্টে আসবেন, বসবেন এবং যাঁর যা কথা সেটা বলবেন।’ স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অধিবেশনে এসংক্রান্ত সম্পূরক প্রশ্নটি করেছিলেন বিরোধী দল জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য মো. ফখরুল ইমাম।

জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সংসদে আসলে তাঁদের (বিএনপিসহ ঐক্যফ্রন্টের বিজয়ী এমপিরা) যদি কোনো কথা থাকে, তাঁরা তা বলার একটা সুযোগ পাবেন। আর এই সুযোগটা শুধু পার্লামেন্টে সীমাবদ্ধ থাকবে না। মিডিয়াতে সম্পূর্ণভাবে অধিবেশন সরাসরি দেখানো হয় এবং সংসদ টিভিও আছে। এর মাধ্যমে সারা দেশের মানুষ তাঁদের কথা জানতে পারবে। এই সুযোগটা তাঁরা কেন হারাচ্ছেন আমি জানি না।’

নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ী হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ভারতসহ ৯৭টি দেশের সরকার ও রাষ্ট্র প্রধান এবং বিভিন্ন সংস্থার প্রধানরা তাঁকে অভিনন্দন জানানোর কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এসব অভিনন্দনবার্তায় বিশ্বনেতৃবৃন্দ আমাদের সরকারের সঙ্গে একযোগে কাজ করার ইচ্ছা পুনর্ব্যক্ত করেছেন। যত দিন বেঁচে থাকব দেশের অব্যাহত উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য কাজ করে যাব।’ সরকারি দলের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সর্বস্তরের সাংবাদিকদের জন্য নবম ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়নে কার্যকর ভূমিকার ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ওয়েজ বোর্ডে সব সংবাদপত্রের গণমাধ্যমকর্মীর শতকরা ৪৫ ভাগ মহার্ঘ ভাতা প্রদানের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। দাখিলকৃত রোয়েদাদের সুপারিশমালা পরীক্ষা করে দ্রুত গেজেট প্রকাশ করা হবে।

বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য রুস্তম আলী ফরাজীর প্রশ্নের উত্তরে শেখ হাসিনা বলেন, বিগত ১০ বছরে আওয়ামী লীগ সরকারের অভাবনীয় সাফল্য বাংলাদেশকে বিশ্বের বুকে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। সরকারি দলের মামুনুর রশীদ কিরণের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক অনন্য দৃষ্টান্ত। স্বাধীনতাবিরোধী একটি চক্র মানুষের ধর্মীয় অনুভূতিকে পুঁজি হিসেবে ব্যবহারের মাধ্যমে রাজনীতি করে দেশের সুনাম ক্ষুণ্ন করতে চেয়েছে। তবে আমাদের ঐকান্তিক চেষ্টার ফলে বারবার তা ব্যর্থ হয়েছে।’

মো. ফখরুল ইমামের সম্পূরক প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘গ্রামে জন্মগ্রহণ করেছি, গ্রামের কাদামাটি মেখেই বড় হয়েছি। খালে ঝাঁপ দিয়ে, গাছে উঠে নানাভাবে খেলাধুলা করেই গ্রামে বড় হয়েছি, হয়তো একটা পর্যায়ে ঢাকায় চলে এসেছি। সব সময় আমার একটা আকাঙ্ক্ষা, যখনই অবসর নেব তখন গ্রামের বাড়িতে থাকব।’ সরকারি দলের মাহফুজুর রহমানের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, উপজেলা পর্যায়ে যুবকদের প্রশিক্ষণসংক্রান্ত একাধিক প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা