kalerkantho

সন্ত্রাসবাদ সূচকে চার ধাপ উন্নতি বাংলাদেশের

বিশেষ প্রতিনিধি   

১৩ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সন্ত্রাসবাদ সূচকে চার ধাপ উন্নতি বাংলাদেশের

বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদ সূচকে বাংলাদেশের চার ধাপ উন্নতি হয়েছে। ৫ দশমিক ৬৯৭ পয়েন্ট (১০-এর মধ্যে) নিয়ে বাংলাদেশ ১৬৭টি দেশের মধ্যে ২৫তম অবস্থানে আছে। এক বছর আগে এই সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ২১তম, পয়েন্ট ছিল ৬ দশমিক ১৮১।

অস্ট্রেলিয়ার সিডনিভিত্তিক বৈশ্বিক নীতি গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইনস্টিটিউট ফর ইকোনমিকস অ্যান্ড পিস (আইইপি) গত শুক্রবার ২০১৮ সালের ওই বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

সন্ত্রাসের প্রভাব পর্যালোচনা করে ওই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়। এবারের প্রতিবেদনে বাংলাদেশকে সন্ত্রাসী হামলার প্রভাবের ক্ষেত্রে ‘মাঝারি’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

এবারের সন্ত্রাসবাদ সূচকে যুক্তরাষ্ট্র ১২ ধাপ, যুক্তরাজ্য সাত ধাপ, প্রতিবেশী ভারত এক ধাপ ও মিয়ানমার ১৩ ধাপ পিছিয়েছে। সূচকে ভারত সপ্তম স্থানে ও যুক্তরাষ্ট্র ২০তম স্থানে আছে। ওই দুটি দেশে সন্ত্রাসের প্রভাব ‘উচ্চ মাত্রার’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

সন্ত্রাসের ‘অত্যন্ত উচ্চ মাত্রার প্রভাব’ আছে—এমন ছয়টি দেশের অবস্থান সূচকের শীর্ষ ছয়ে। দেশগুলো হচ্ছে ইরাক, আফগানিস্তান, নাইজেরিয়া, সিরিয়া, পাকিস্তান ও সোমালিয়া।

প্রতিবেদনে বলা হয়, দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশ, ভুটান, নেপাল ও শ্রীলঙ্কায় সন্ত্রাসী হামলা কমেছে এবং নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। অন্যদিকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ফিলিপাইন ও মিয়ানমারে ২০০২ সালের পর ২০১৭ সালে সন্ত্রাসে বেশি মৃত্যু হয়েছে। এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সবচেয়ে প্রাণঘাতী তিনটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি (আরসা), নিউ পিপলস আর্মি ও আবু সায়াফ গ্রুপের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ প্রসঙ্গে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে এ দেশে সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী হামলা হয়েছিল ২০১৬ সালে। মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক জঙ্গিগোষ্ঠী আইএসের কথিত দায় স্বীকারের তথ্যও প্রতিবেদনে রয়েছে।

জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বৈশ্বিক বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে আইইপির ওই প্রতিবেদনে। এতে বলা হয়, গ্লোবাল কমিউনিটি এনগেজমেন্ট অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স ফান্ড বাংলাদেশে মাদরাসা ছাত্রদের ডিজিটাল ট্রেনিংয়ে সহায়তা, সমালোচনামূলক চিন্তাভাবনায় উৎসাহিত করতে এবং অনলাইনে ভুয়া খবর ও বার্তা প্রচার ঠেকাতে সাহায্য করছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, অনেক আগে থেকেই আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো সন্ত্রাসের লক্ষ্য হিসেবে বিবেচিত হয়। অনলাইনের ক্ষেত্রেও এটি প্রযোজ্য। ২০১৬ সালে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরি সম্ভবত ই-মেইলের মাধ্যমে ম্যালওয়্যার পাঠিয়েই হয়েছিল। ওই ম্যালওয়্যার বাংলাদেশ ব্যাংকের কম্পিউটার ব্যবস্থায় ইনস্টল করা হয়েছিল।

মন্তব্য