kalerkantho

মঙ্গলবার। ২০ আগস্ট ২০১৯। ৫ ভাদ্র ১৪২৬। ১৮ জিলহজ ১৪৪০

একাদশ সংসদ নির্বাচনের প্রচারণায় মুখর দেশ

প্রতীক পেয়েই উৎসবে ঝাঁপ

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১১ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ৯ মিনিটে



প্রতীক পেয়েই উৎসবে ঝাঁপ

প্রতীক বরাদ্দ পেয়েই গতকাল ঢাকায় রাশেদ খান মেননের পক্ষে নৌকার সমর্থকদের আনন্দ মিছিল (বাঁয়ে); দাউদকান্দিতে ড. খন্দকার মোশাররফের পক্ষে ধানের শীষের সমর্থকদের মিছিল। ছবি : কালের কণ্ঠ

‘ভোট চাই ভোটারের, দোয়া চাই সকলের; নৌকা মার্কায় দিলে ভোট, শান্তি পাবে দেশের লোক; সারা বাংলার ধানের শীষে, জিয়া তুমি আছ মিশে’—এ রকম অনেক স্লোগানই কানে বাজতে শুরু করেছে ভোটারদের। গতকাল সোমবার প্রতীক বরাদ্দ হওয়ার পরই দেশজুড়ে শুরু হয়ে গেছে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারযুদ্ধ। আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট কিংবা বিএনপি নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট, উভয় পক্ষই সরব ছিল নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায়। কেউ প্রচারপত্র বিলি করে, কেউ মাইক বাজিয়ে, কেউ পোস্টার সাঁটিয়ে, কেউ সমাবেশ করে, কেউ আবার দোয়া মাহফিল করে শুরু করে নির্বাচনী প্রচার।

প্রচারণার প্রথম দিনে মহাজোট প্রার্থীদের কণ্ঠে বেশি শোনা গেল—দেশের উন্নয়ন ধরে রাখতে নৌকার বিকল্প নেই। আর বিএনপি ও তাদের শরিকরা ভোটারদার কাছে যাচ্ছে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের অঙ্গীকার নিয়ে। প্রচারণার প্রথম দিন নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের তেমন কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে দু-একটি জায়গায় পুলিশি বাধার মুখে পড়ার অভিযোগ তুলেছেন বিএনপি নেতারা।

নব্বইয়ের দশকের পর দলীয় সরকারের অধীনে প্রথম অংশগ্রহণমূলক এ নির্বাচনে মোট প্রার্থী এক হাজার ৮৪১ জন। এর মধ্যে দলীয় প্রার্থী আছেন এক হাজার ৭৪৫ জন। বাকি ৯৬ জন লড়ছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে। তবে বরাবরের মতো এবারও প্রচারযুদ্ধে ভোটারদের মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকছে নৌকা আর ধানের শীষ।

‘শেখ হাসিনার সালাম নিন, কামাল মজুমদারের সালাম নিন, নৌকা মার্কায় ভোট দিন’—রাজধানীর মিরপুরে ‘৬০ ফিট’ সড়কে গতকাল বিকেলে এই স্লোগান শুনে ফিরে তাকান অনেকে। অনেকে দোকানপাট বা বিভিন্ন ভবনের বারান্দা থেকেও স্লোগান শুনে উঁকি মারেন। পরে সবার কাছে পরিষ্কার হয়, ঢাকা-১৫ আসনের আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী কামাল আহমেদ মজুমদারের নির্বাচনী প্রচার শুরু হয়েছে।

ঢাকা-১৪ আসনে প্রচারণা শুরু করেছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী আসলামুল হক। তিনি শুরু করেন ১১ নম্বর ওয়ার্ডের পাইকপাড়া এলাকা থেকে। ঢাকা-১৭ আসনে প্রচারণা শুরু করেছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী আকবর হোসেন পাঠান (চিত্রনায়ক ফারুক)। গতকাল বিকেলে তিনি একাধিক বৈঠক করেছেন। বিকেলে তোপখানা রোডে ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে ঢাকা-৮ আসনে মহাজোটের প্রার্থী রাশেদ খান মেননের নির্বাচনী প্রচারণা মিছিল বের হয়। মিছিল করেছে ঢাকা-৪ আসনে মহাজোটের প্রার্থী সৈয়দ আবু হোসেন বাবলার সমর্থকরাও। ঢাকা-১০ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস গতকাল সন্ধ্যায় গণসংযোগ চালান। তিনি নিউ মার্কেট থানার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের আইডিয়াল কলেজে রক্তদান কর্মসূচিতেও অংশ নেন। এ ছাড়া ঢাকা-১১ আসনের আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আলহাজ এ কে এম রহমতউল্লাহর কর্মী-সমর্থকরা বাড্ডা এলাকায় জনসংযোগ করে। ঢাকা-১২ আসনের আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আসাদুজ্জামান খান কামালের পক্ষ থেকে গণসংযোগ চালাতে দেখা যায় মনিপুরিপাড়া এলাকায়।

তবে ঢাকায় প্রথম দিন বিএনপি প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচারণা তেমন চোখে পড়েনি। দলের নেতারা সমান সুযোগ প্রত্যাশা করেছেন। নাম প্রকাশ না করে ঢাকা-৫ আসনের এক বিএনপি নেতা বলেন, ‘প্রচারণায় আমরা সমান সুযোগ চাই। নৌকার প্রার্থী যেভাবে প্রচারণা চালাবে, আমরাও একইভাবে প্রচারণা চালাতে চাই।’

ঢাকা নগরীর ১৫টি আসনের ১৩২ জন প্রার্থীকে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। সকালেই প্রার্থীরা ভিড় করেন রাজধানীর সেগুনবাগিচা এলাকায়। কেউ নিজেরা উপস্থিত ছিলেন। কেউ কেউ প্রতিনিধি পাঠিয়ে সংগ্রহ করেছেন প্রতীক। দুপুর নাগাদ ১৩২ জন প্রার্থীর কাছে প্রতীক হস্তান্তর করেন বিভাগীয় কমিশনার। হেভিওয়েট প্রার্থীদের মধ্যে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য ইলিয়াস মোল্লাহ্ উপস্থিত থেকে সংগ্রহ করেছেন নৌকার প্রতীক। এ ছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা উপস্থিত হয়ে সিংহ প্রতীক সংগ্রহ করেছেন। প্রার্থী সংখ্যা  ঢাকা-৪ আসন ৯ জন, ঢাকা-৬ আসন আটজন, ঢাকা-৭ আসন ১২ জন, ঢাকা-৮ আসন ১৪ জন, ঢাকা-৯ আসন সাতজন, ঢাকা-১০ আসন ছয়জন, ঢাকা-১১ আটজন, ঢাকা-১২ আসন ছয়জন, ঢাকা-১৩ আসন ১০ জন, ঢাকা-১৪ আসন সাতজন, ঢাকা-১৫ আসন ১০ জন, ঢাকা-১৬ আসন সাতজন, ঢাকা-১৭ আসন ১০ জন এবং ঢাকা-১৮ আসনে আটজন।

সিলেটে গতকাল সকালে প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়। প্রতীক পেয়েই প্রচারণায় ঝাঁপিয়ে পড়েন প্রার্থীরা। সিলেট-১ আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী ড. এ কে আব্দুল মোমেন প্রথম দিন নির্বাচনী কার্যালয় উদ্বোধনের পাশাপাশি গণসংযোগ ও নির্বাচনী সভা করেন। আর বিএনপির প্রার্থী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির প্রচারে নামেন হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারতের মাধ্যমে। মাজার জিয়ারত করেছেন সিলেট-৩ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরীও। সিলেট-৬ আসনে কর্মিসভা করেছেন নৌকার প্রার্থী ও শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।

খুলনায় প্রতীক বরাদ্দের পর প্রচারে নামে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নেতাকর্মীরা। তবে খুলনা-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু অভিযোগ করেন, ‘তিন দিন আগে মিছিলের বিষয়ে লিখিতভাবে পুলিশকে জানানো হয়েছিল। কিন্তু তারা আমাদের মিছিলে বাধা দিয়েছে।’

সাধক আদম শহীদের মাজার জিয়ারতের মধ্য দিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছেন মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আব্দুল হাই।

মিছিলের মাধ্যমে প্রচারযুদ্ধে নামে গোপালগঞ্জ-২ আসনে নৌকার প্রার্থী শেখ ফজলুল করিম সেলিমের সমর্থকরা। এ ছাড়া সংক্ষিপ্ত সমাবেশও করে তারা।

এদিকে শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে নিজ নির্বাচনী এলাকায় সমাবেশ করেছেন নৌকার প্রার্থী ও কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী। সেখানে তিনি বলেন, ‘আপনাদের ভোটের বদৌলতে ও শেখ হাসিনার আন্তরিকতায় এলাকায় অনেক উন্নয়ন করেছি। আরো অনেক স্বপ্ন আছে। সেগুলো বাস্তবায়নে আবারও নৌকায় ভোট চাই।’

ভোলা-৪ (চরফ্যাশন-মনপুরা) নির্বাচনী প্রচারে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন নৌকার প্রার্থী আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকবের নেতাকর্মীরা। চরফ্যাশন উপজেলা আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি মো. জয়নাল আবেদিন আখন জানান, তফসিল ঘোষণার পর থেকেই জ্যাকবের কর্মী-সমর্থকদের সংগঠিত করা হয়েছে। জ্যাকবের সমর্থকরা মনে করেন, তাঁর (জ্যাকব) জনপ্রিয়তা ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ড দেখে বিএনপির নেতাকর্মীরা মাঠে নামার আত্মবিশ্বাস পাচ্ছে না।

বাগেরহাট-২ আসনে গতকাল আনন্দ মিছিল করেন নৌকার প্রার্থী শেখ সারহান নাসের তন্ময়ের সমর্থকরা। এর আগে তাঁরা দলীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ করেন।

ঝালকাঠিতে প্রতীক বরাদ্দ পেয়ে গতকাল দুপুর ২টার পর থেকে আনুষ্ঠানিক প্রচার-প্রচারণা শুরু করেন আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নেতাকর্মীরা। দুপুরে ঝালকাঠি-২ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমুর পক্ষে মিছিল হয়। চলে প্রচারপত্র বিতরণও। প্রায় একই সময় প্রচারণা শুরু করেন বিএনপি প্রার্থী ব্যারিস্টার মুহাম্মদ শাহজাহান ওমরের সমর্থকরা।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের তিনটি সংসদীয় আসনে প্রচারণা শুরু হয়েছে। জেলা শহরের বিভিন্ন স্থানে শোভা পাচ্ছে পোস্টার ও ফেস্টুন। ব্যস্ততা বেড়ে গেছে নেতাকর্মীদের।

কুমিল্লা-১ আসনে নির্বাচনী প্রচারের প্রথম দিন গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন নৌকার প্রার্থী সুবিদ আলী ভূঁইয়া। সেখানে তিনি দুই উপজেলায় শতভাগ বিদ্যুৎসহ নানা প্রতিশ্রুতি দেন।

প্রতীক পাওয়ার পর প্রচারণা শুরু হয়ে যায় মৌলভীবাজারেও। মৌলভীবাজার-৪ আসনে (শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ) আওয়ামী লীগ প্রার্থী মো. আব্দুস শহীদ ও বিএনপি প্রার্থী মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী প্রচারণায় নেমেছেন। দুই প্রার্থীর প্রচার শুরু হয় মাইকিংয়ের মাধ্যমে।

প্রতীক বরাদ্দ পেয়েই সুনামগঞ্জ-১ আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী মোয়াজ্জেম হোসেন রতনের সমর্থকরা বিভিন্ন স্থানে মিছিল করেন। প্রচারণা শুরু করেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী নজির হোসেনও। সুনামগঞ্জ-২ আসনে মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন মহাজোট প্রার্থী ড. জয়া সেনগুপ্তা। ওই আসনে ব্যস্ততা শুরু হয়ে গেছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী নাসির উদ্দিন চৌধুরীরও। সুনামগঞ্জ-৩ আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী এম এ মান্নানের সমর্থকরা বিভিন্ন স্থানে মিছিল করেছে। ঐক্যফ্রন্ট মনোনীত প্রার্থী জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মাওলানা শাহীনুর পাশা চৌধুরী মাঠে নামলেও এখনো বিএনপির নেতাকর্মীরা তাঁর পক্ষে নামেনি। সুনামগঞ্জ-৪ আসনে মহাজোট মনোনীত জাতীয় পার্টির প্রার্থী অ্যাডভোকেট পীর ফজলুর রহমান মিসবাহর সমর্থকরা বিভিন্ন স্থানে প্রতীক বরাদ্দের পরই আনন্দ মিছিল করেছে। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের অ্যাডভোকেট ফজলুল হক আছপিয়ার সমর্থকরাও বিভিন্ন স্থানে মিছিল করেছেন।

বান্দরবানে আওয়ামী লীগের পক্ষে মাঠে নেমেছেন বীর বাহাদুর উশৈসিং। প্রচার শুরু করেছেন বিএনপির সাচিং প্রু জেরীও। প্রচারণার প্রথম দিনে বিএনপির পক্ষ থেকে মিলাদ মাহফিল করা হয়। অন্যদিকে বীর বাহাদুর উশৈসিং দুর্গম থানচি উপজেলা থেকে প্রচারণা শুরু করেন।

শাহ ফতেহ আলীর (র.) মাজার জিয়ারতের মাধ্যমে নির্বাচনী প্রচার শুরু করেন বগুড়া-৬ আসনে মহাজোট প্রার্থী নুরুল ইসলাম ওমর। পরে গণসংযোগও করেন তিনি। বগুড়া-২ আসনে প্রচারণা শুরু করেছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতা ও নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না।

ভোটযুদ্ধে নেমে পড়েছেন উত্তরের জেলা লালমনিরহাটের তিন আসনের অনেক প্রার্থী। কেউ করছেন গণসংযোগ, কেউ করছেন কর্মিসভা। বিভিন্ন জায়গায় গতকালই অনেক প্রার্থীর পোস্টার সাঁটানো হয়েছে।

নীলফামারী-৪ আসনে (সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ) প্রচার শুরু করেছেন ধানের শীষের প্রার্থী মো. আমজাদ হোসেন সরকার এবং জাতীয় পার্টির প্রার্থী আদেলুর রহমান আদেল। পিরোজপুর-২ আসনে বাইসাইকেল প্রতীক পাওয়ার পর শহরে আনন্দমিছিল করে আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টি—জেপির সমর্থকরা।

প্রতীক পাওয়ার পর ত্রিশালে আনন্দমিছিলের মধ্য দিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেন ময়মনসিংহ-৭ আসনে নৌকার প্রার্থী মাওলানা রুহুল আমিন মাদানীর সমর্থকরা। ময়মনসিংহ-১০ আসনে নির্বাচনী প্রচারে নেমেছেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী ফাহমী গোলন্দাজ বাবেলের সমর্থকরা।

প্রতীক বরাদ্দের পর নারায়ণগঞ্জে নৌকা প্রতীক নিয়ে আনন্দ মিছিল করেছে আওয়ামী লীগ প্রার্থী ও বর্তমান সংসদ সদস্য শামীম ওসমানের সমর্থকরা। নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের ফতুল্লা থানার পাঁচটি ইউনিয়নের ১৫৫টি কেন্দ্র এবং সিদ্ধিরগঞ্জ থানার সিটি করপোরেশনের ১০টি ওয়ার্ডের ৬১টি কেন্দ্রসহ মোট ২১৬টি কেন্দ্র থেকে একযোগে পৃথক মিছিল বের করা হয়।

প্রতিবেদনটি তৈরিতে সহায়তা করেছে—কালের কণ্ঠ’র খুলনা ও সিলেট অফিস; ঢাকা, বান্দরবান ও বগুড়া থেকে নিজস্ব প্রতিবেদক; বাগেরহাট, সুনামগঞ্জ, ঝালকাঠি, মুন্সীগঞ্জ, গোপালগঞ্জ, লালমনিরহাট, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, বিয়ানীবাজার (সিলেট), দাউদকান্দি (কুমিল্লা), সৈয়দপুর (নীলফামারী), ত্রিশাল ও গফরগাঁও (ময়মনসিংহ), ইন্দুরকানী (পিরোজপুর) ভোলা (চরফ্যাশন), শরণখোলা (বাগেরহাট), নালিতাবাড়ী (শেরপুর) এবং শ্রীমঙ্গল (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি।

 

মন্তব্য