kalerkantho

বুধবার । ২৩ অক্টোবর ২০১৯। ৭ কাতির্ক ১৪২৬। ২৩ সফর ১৪৪১                 

ইসিতেও খালেদা জিয়ার আপিল নামঞ্জুর

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৯ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ১০ মিনিটে



ইসিতেও খালেদা জিয়ার আপিল নামঞ্জুর

ফাইল ছবি

বিএনপির চেয়ারপারসন খালাদা জিয়ার তিনটি আপিল আবেদনই নামঞ্জুর করেছে নির্বাচন কমিশন। ফলে একাদশ জাতীয় নির্বাচনে তাঁর আপাতত অংশ নেওয়া হচ্ছে না। উচ্চ আদালতে তাঁর আপিল করার সুযোগ রয়েছে।

গতকাল শনিবার নির্বাচন ভবনে আপিল শুনানি শেষে নির্বাচন কমিশন এই সিদ্ধান্ত জানায়। নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার আপিল গ্রহণের পক্ষে মত দেন। অন্যদিকে বিপক্ষে মত দেন প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ অন্য চার নির্বাচন কমিশনার।

আপিল শুনানির শেষ দিনে গতকাল বিএনপি নেতা আমানউল্লাহ আমানও তাঁর প্রার্থিতা ফিরে পাননি। তবে মির্জা আব্বাস ও তাঁর স্ত্রী আফরোজা আব্বাস, সাবেক মন্ত্রী এম মোরশেদ খান ও মো. কফিল উদ্দিন প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। এ ছাড়া প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা।

বিএনপি চেয়ারপারসন কারাবন্দি খালেদা জিয়ার মনোনয়নপত্র বাতিলে রিটার্নিং অফিসারদের সিদ্ধান্ত বহাল রেখেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। গতকাল সন্ধ্যায় শুনানি শেষে নির্বাচন কমিশন খালেদা জিয়ার আপিল নামঞ্জুর করেন। তবে নির্বাচন কমিশন এ বিষয়ে সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি। নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার খালেদা জিয়া নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন বলে মত দেন। কিন্তু ভিন্ন মত পোষণ করেন কমিশনার রফিকুল ইসলাম, কবিতা খানম ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) সাহাদাত  হোসেন। এরপর প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদাও এই তিন নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেন। ফলে নির্বাচন কমিশনের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে খালেদা জিয়ার আপিল খারিজ হয়ে যায়।

এর আগে সকালে আপিল শুনানি শুরু হলে খালেদা জিয়ার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন তাঁর আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী। তিনি প্রায় ২০ মিনিট সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর মনোনয়নপত্র বাতিলের বিরুদ্ধে যুক্তি তুলে ধরেন। এ সময় সেখানে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি জয়নুল আবেদীন, সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উদ্দিন খোকনসহ অন্য আইনজীবীরা উপস্থিত ছিলেন।

ওই সময় শুনানি মুলতবী রাখা হয়। বিকেল ৫টায় পুনরায় শুনানির কথা জানিয়ে দেয় কমিশন। এরপর প্রায় পৌনে এক ঘণ্টা পাঁচজন কমিশনার সিইসির দপ্তরে বৈঠকে বসেন। বিকেল সাড়ে ৩টায় পুনরায় তাঁরা আপিল শুনানিতে অংশ নেন। সন্ধ্যায় খালেদার মুলতবি শুনানি আবার শুরু হয়। এ সময় খালেদা জিয়ার পক্ষে আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী, জয়নুল আবেদীন ও মাহবুব উদ্দিন খোকন যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তাঁরা আইনের ধারা উল্লেখ করে খালেদা জিয়ার পক্ষে রায় দাবি করেন। আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন খালেদা জিয়ার আইনজীবীদের বিপক্ষে মত তুলে ধরেন। আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের বেশ কয়েকজন আইনজীবী এজলাসে উপস্থিত ছিলেন। শুনানির একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। সিইসি রায় ঘোষণা করতে যাবেন—এমন সময় নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার মাইক্রোফোন হাতে নেন। তিনি বলেন, ‘রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক যথাক্রমে বগুড়া-৬, ৭ ও ফেনী-১ আসনে খালেদা জিয়ার মনোনয়নপত্র বাতিলের বিরুদ্ধে যে আপিল দায়ের করা হয়েছে, তা আইনগত বিশ্লেষণ করে আমার রায় এই আপিল মঞ্জুরের পক্ষে। আমি এই আপিল মঞ্জুর করলাম।’ মাহবুব তালুকদারের এই ঘোষণার পরপরই বিএনপির আইনজীবীরা উল্লাস করে কোর্ট রুমের পেছনের দিকে চলে যেতে উদ্যত হন। অন্যদিকে আওয়ামী আইনজীবীরা এর বিরুদ্ধে তাঁদের ক্ষোভ প্রকাশ করতে শুরু করেন। এ সময় নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমেদ বলেন, ‘আপনারা ঠাণ্ডা হয়ে বসুন। এই রায় পূর্ণাঙ্গ নয়, এটি মাত্র একজনের রায়।’

তখন উত্তপ্ত আদালত কক্ষেই কমিশনার মো. রফিকুল ইসলাম মাইক্রোফোন নিয়ে তাঁর রায় ঘোষণা শুরু করেন। তিনি বলেন, ‘সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী দণ্ডপ্রাপ্তরা নির্বাচন করতে পারেন না। আপিল মঞ্জুর করা যায় না। এ কারণে খালেদা জিয়ার আপিল নামঞ্জুর করা হলো।’ এরপর কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদাত হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘আপিল নামঞ্জুর করা হলো।’ কমিশনার কবিতা খানমও এই দুই কমিশনারের পক্ষে মত দিয়ে বলেন, ‘খালেদা জিয়া দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হয়ে কারাগারে আছেন। সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদ অনুসারে নৈতিক স্খলনজনিত কারণে দণ্ডিত। তাঁর দণ্ড স্থগিত হয়নি। মনোনয়নপত্র বাতিল করে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসাররা যে আদেশ দিয়েছেন, তার স্পিরিট বিবেচনা করে আপিল নামঞ্জুর করছি।’ সব শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদা বলেন, ‘আমি আমার কমিশনার রফিকুল ইসলাম, কবিতা খানম ও শাহাদাত হোসেন এই তিনজনের পক্ষে রায় দিলাম। এই আপিল আবেদন মঞ্জুর হয়নি।’ সিইসিসহ চার কমিশনার আপিল নাকচ করার পক্ষে রায় দিলে সরকারপক্ষের আইনজীবীরা উল্লাস প্রকাশ করেন।

এর পরপরই ইসি সচিব বলেন, খালেদা জিয়ার আপিল গৃহীত হয়নি। ৪-১ ভোটে এই আপিল নামঞ্জুর হলো। ফলে বিএনপি চেয়ারপারসন ভোটে অংশ নিতে পারছেন না।

শুনানিতে খালেদা জিয়ার পক্ষে যুক্তি : শুনানিতে খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা বলেন, আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খালেদা জিয়া তিনটি আসন থেকে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। রিটার্নিং অফিসার ১২/১ (ঘ) অনুসারে মনোনয়নপত্র বাতিল করেছেন। এই ধারা নির্বাচনী অপরাধের সঙ্গে সম্পর্কিত। রিটার্নিং অফিসার তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিলের আদেশে যা বলেছেন তা হলো, নির্বাচনসংক্রান্ত বিষয়ে যদি কেউ অপরাধ করেন, যেমন—মনোনয়নপত্র দাখিলের পর কেউ প্রচারণা শুরু করল বা কাউকে মারধর করল বা ভোটকেন্দ্রে কোনো বাধা সৃষ্টি করল। অর্থাৎ নির্বাচনের আচরণবিধি লঙ্ঘন করল। তাঁরা আরো বলেন, মনোনয়নপত্র বাতিল আদেশে খালেদা জিয়ার সাজার কোনো প্রসঙ্গে বলা হয়নি। এখানে বলা হয়েছে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়। খালেদা জিয়া বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। সেখান থেকে তিনি কিভাবে নির্বাচনী আইন লঙ্ঘন করবেন? যে আদেশ রিটার্নিং অফিসাররা দিয়েছেন, আইনের দৃষ্টিতে তা বৈধ নয়। আমরা মনে করি, নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষভাবে বিচার-বিশ্লেষণ করে যথাযথ আদেশ দেবে। রিটার্নিং অফিসাররা যে আদেশ দিয়েছেন, কমিশন তা বাতিল করবে। আমরা আশা করি, আগামী নির্বাচনে খালেদা জিয়া অংশ নেবেন।

খালেদার আইনজীবীদের মতে, রিটার্নিং অফিসার যে আদেশ দিয়েছেন এখন সে বিষয়েই কমিশন সিদ্ধান্ত দিতে পারে। এর বাইরে যাওয়ার আইনগত কোনো সুযোগ নেই।

রায় ঘোষণা শেষে ব্যারিস্টার খন্দকার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, ‘নির্বাচনসংক্রান্ত অপরাধের বিষয়ে রিটার্নিং অফিসারের অভিযোগ ছিল। কিন্তু খালেদা জিয়া নির্বাচনসংক্রান্ত অপরাধ করেননি। শুনানি শেষে নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার তিনটি আপিল মঞ্জুর করেছেন। খালেদা জিয়ার নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আর কোনো আইনগত বাধা নেই। গত তিন দিন আমরা দেখেছি, আপিল শুনানি শেষে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে কখনো সিইসি, কখনো অন্যান্য কমিশনার রায় ঘোষণা করেছেন। তাঁরা কমিশনের সবার পক্ষ থেকেই রায় ঘোষণা করেছেন। সবাই ধারণা করেছিল মাহবুব তালুকদারের রায় সবার রায়। একবার রায় ঘোষণা হয়ে যাওয়ার পর, দ্বিতীয়বার রায় ঘোষণার কোনো সুযোগ নেই। গত তিন দিনে আপনারা দেখেছেন, দ্বিতীয় রায় হয়েছে? নির্বাচন কমিশনে খালেদা জিয়ার মনোনয়ন নিয়ে ছিনিমিনি খেলা হচ্ছে। মাহবুব তালুকদার যে জাজমেন্ট দিয়েছেন, তা লিগ্যাল জাজমেন্ট, ফেয়ার জাজমেন্ট। আমরা আইনগত এক্সামিন করে উচ্চ আদালতে যাওয়া যায় কি না, এ বিষয়ে কনভিন্স হলে সিদ্ধান্ত নেব। আমরা বিশ্বাস করি, উচ্চ আদালত তাঁর মনোনয়নপত্র বৈধ করবেন।’

খালেদা জিয়ার পক্ষে ফেনী-১, বগুড়া-৬ ও বগুড়া-৭ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়। দুটি মামলায় তিনি দণ্ডিত হওয়ায় সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসাররা তাঁর তিনটি মনোনয়নপত্রই বাতিল করেন। এরপর গত ৫ ডিসেম্বর খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা তাঁর পক্ষে রিটার্নিং অফিসারদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ইসিতে আপিল আবেদন করেন।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া দুর্নীতি দমন কমিশনের করা দুর্নীতির দুই মামলায় একটিতে ১০ বছর ও অন্যটিতে সাত বছরের দণ্ড নিয়ে কারাগারে রয়েছেন।

এদিকে গতকাল আপিল শুনানি শেষে ঢাকা-৮ আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী ও দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের মনোনয়ন বৈধ বলে ঘোষণা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। একই সঙ্গে ঢাকা-৯ আসনে মির্জা আব্বাসের স্ত্রী আফরোজা আব্বাসের প্রার্থিতাও বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। ক্ষমতাসীন জোটের শরিক বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেননের করা আপিল শুনানি শেষে মির্জা আব্বাসের মনোনয়ন বহালের আদেশ দেয় কমিশন। এর পরপরই আফরোজা আব্বাসের প্রার্থিতা বৈধ বলে ঘোষণা করা হয়।

গত ২ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে মির্জা আব্বাসের প্রার্থিতা বহাল রাখেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসার। কিন্তু ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন রিটার্নিং অফিসারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন। অন্যদিকে ঋণসংক্রান্ত কাগজপত্র জমা না দেওয়ায় আফরোজা আব্বাসের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেন ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার ও রিটার্নিং অফিসার কে এম আলী আজম।

এ ছাড়া গতকাল বিএনপি প্রার্থীদের মধ্যে চট্টগ্রাম-৮ আসনে এম মোরশেদ খান, রাজশাহী-৫ আসনে নাদিম মোস্তফা, ঢাকা-১৯ আসনে মো. কফিল উদ্দিন ও বান্দরবান আসনে মাম্যাচিংও প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। তবে শুনানি শেষে ঢাকা-২ আসনের প্রার্থী বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমানউল্লাহ আমানের আপিল নামঞ্জুর করে নির্বাচন কমিশন। ফলে তিনি একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না। দুর্নীতির মামলায় সাজা পাওয়ায় তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিল করেন রিটার্নিং অফিসার।

নাজমুল হুদার আপিল মঞ্জুর : মনোনয়নপত্র বাতিলের বিরুদ্ধে আপিল করে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন ঢাকা-১৭ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা। নির্বাচন কমিশন তাঁর আপিল গ্রহণ করেছে। তিনি কোন দলের প্রার্থী তা উল্লেখ না করায় তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিল করেছিলেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসার।

নাজমুল হুদা সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি স্বতন্ত্র প্রার্থী। এ জন্য আমি কোনো দলের কথা উল্লেখ করিনি। নির্বাচন কমিশন আপিলে আমার মনোনয়নের বৈধতা দেওয়ায় তাদের সাধুবাদ জানাই।’

প্রসঙ্গত, একাদশ সংসদ নির্বাচনে দেশের ৩০০ আসনে মোট তিন হাজার ৬৫ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। রিটার্নিং অফিসাররা যাচাই-বাছাই করে তার মধ্যে ৭৮৬টি মনোনয়নপত্র অবৈধ বলে ঘোষণা করেন। গত সোমবার থেকে নির্বাচন কমিশনে রিটার্নিং অফিসারদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল আবেদন গ্রহণ শুরু হয়। আবেদন করেন ৫৪৩ জন। এসব আপিল আবেদনের শুনানি শুরু হয় গত বৃহস্পতিবার থেকে। প্রথম দিন ১৬০টি আবেদনের ওপর শুনানি করে ৮০ জনের প্রার্থিতাকে বৈধ ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। দ্বিতীয় দিন শুক্রবার ১৫০টি আবেদনের ওপর শুনানি হয়। এর মধ্যে ৭৮ জন তাঁদের প্রার্থিতা ফিরে পান। পাশাপাশি এ দিন সাতজনের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত স্থগিত রাখা হয়। গতকাল ২৩৩ জনের শুনানি হওয়ার কথা।

আরো যারা প্রার্থীতা ফিরে পেলেন: জামালপুর-৩ আসনে নঈম জাহাঙ্গীর, নেত্রকোনা-১ আব্দুল কাইয়ুম খান, ময়মনসিংহ-৬ চৌধুরী মুহাম্মদ ইসহাক, চাঁদপুর-৪ জেড খান মো. রিয়াজউদ্দিন, ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া-২ মো. মহিউদ্দিন মোল্লা, চট্টগ্রাম-৫ মো. নাসির উদ্দিন, ব্রক্ষ্মণবাড়িয়া-৩ সৈয়দ মাহমুদুল হক, রাজশাহী-৫ মো. আবু বকর সিদ্দিক, রাজশাহী-১ মো. মুজিবুর রহমান, যশোর-১ মো. ইবাদুল খালাসী, কুষ্টিয়া-৪ তছির উদ্দিন, যশোর-১ মো. সাজেদুর রহমান, যশোর-৪ লিটন মোল্লাহ, যশোর-৫ রবিউল ইসলাম, চুয়াডাঙ্গা-১ মোছা. মেরিনা আক্তার, টাঙ্গাইল-১ ফকীর মাহবুব আনাম স্বপন, কুমিলস্না-৪ মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী, কুমিল্লা-৩ মো. আকবর আমিন বাবুল, ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া-৫ কাজী নাজমুল হোসেন, যশোর-৪ মো. আলী জিন্নাহ, যশোর-৫ মো. নিজামউদ্দিন অমিত, যশোর-৩ সৈয়দ বিপ্লব আজাদ, যশোর-২ এম আছাদুজ্জামান, যশোর-২ মো. ফিরোজ শাহ, হবিগঞ্জ-৪ মো. আনছারুল হক, সিলেট-১ মো. আনোয়ার উদ্দিন বোরহান, রাজশাহী-৬ আবু সাঈদ চাঁদ, নীলফামারী-৩ মো. আব্দুল ওয়াহেদ, নীলফামারী-১ আহমেদ বাকের বিল্লাহ, রংপুর-৪ মো. বেলাল হোসেন, রাজশাহী-৩ মো. মেরাজ উদ্দিন মোল্লা।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা