kalerkantho

বুধবার । ১৩ নভেম্বর ২০১৯। ২৮ কার্তিক ১৪২৬। ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

কারাগার থেকে ঘরে ফিরলেন মোজাম্মেল

ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীকে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



কারাগার থেকে ঘরে ফিরলেন মোজাম্মেল

শেষ পর্যন্ত কারাগার থেকে বের হয়ে ঘরে ফিরেছেন বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী। গতকাল বৃহস্পতিবার বিস্ফোরক মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানোর বিষয়ে পুলিশের আবেদন নাকচ হওয়ায় তিনি রাতের দিকে ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ছাড়া পান। চাঁদাবাজির মামলায় আগেই জামিন পাওয়ায় তাঁর মুক্তিতে আর বাধা ছিল না। রাত পৌনে ৯টার দিকে কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে বের হয়ে ফটকের সামনে অপেক্ষারত স্ত্রী রিজু আক্তার চৌধুরী ও দুই ভাইয়ের সঙ্গে তিনি নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের সানারপাড় এলাকার বাসায় রওনা হন।

মোজাম্মেলের মুক্তির লড়াইয়ে নিয়োজিত আইনজীবীদের একজন জাহেদুর রহমান কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘মোজাম্মেল হক মুক্তির পর প্রতিক্রিয়ায় বলেছেন, আমাকে পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের কেউ ফাঁসানোর জন্য মামলা করেছিল। তবে শেষ পর্যন্ত আমার মুক্তি হয়েছে। আমি প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই।’

গতকাল এর আগে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাজহারুল হক বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের একটি মামলায় মোজাম্মেল হককে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন নাকচ করে দেন। গত ১০ সেপ্টেম্বর কাফরুল থানার পুলিশ মোজাম্মেলকে ওই থানায় দায়ের করা বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদনটি করেছিল। আদালত গতকাল শুনানির জন্য দিন ধার্য করে তাঁকে হাজির করার নির্দেশ দেন। পুলিশ তাঁকে আদালতে হাজির করলে শুনানি শুরু হয়। পুলিশের দাখিল করা কাগজপত্রে মোজাম্মেলকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর কোনো কারণ খুঁজে পাননি আদালত। এ কারণে আবেদন নামঞ্জুর করা হয়।

সড়ক-মহাসড়কে পরিবহন দুর্ঘটনা রোধে কাজ করে আসা যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরীকে নারায়ণগঞ্জের বাসা থেকে গত ৫ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তাঁকে মিরপুর মডেল থানায় সোপর্দ করা হয়। শাহআলী থানার গুদারাঘাটের বাসিন্দা ও মিরপুর রোড শ্রমিক কমিটির সড়ক সম্পাদক মো. দুলালের দায়ের করা চাঁদাবাজির মামলায় মোজাম্মেলকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। ৬ সেপ্টেম্বর তাঁকে এক দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। রিমান্ড শেষে ৮ সেপ্টেম্বর তাঁকে আদালতে হাজির করে আবারও পাঁচ দিনের রিমান্ড চাওয়া হয়। আদালত রিমান্ড নামঞ্জুর করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। ওই চাঁদাবাজির মামলায় গত ১১ সেপ্টেম্বর জামিন পান মোজাম্মেল।

আইনজীবী জাহেদুর রহমান বলেন, পুলিশ বিস্ফোরক মামলায় মোজাম্মেলের ১০ দিনের রিমান্ড চেয়েছিল। গত ৯ সেপ্টেম্বর এ বিষয়ে আদালতে শুনানির পর গতকাল তদন্ত কর্মকর্তার উপস্থিতিতে শুনানি হয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা