kalerkantho

বুধবার । ২১ আগস্ট ২০১৯। ৬ ভাদ্র ১৪২৬। ১৯ জিলহজ ১৪৪০

জার্মানি ৭ : ১ ব্রাজিল!!!

সনৎ বাবলা, বেলো হরিজোন্তে থেকে   

৯ জুলাই, ২০১৪ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



জার্মানি ৭ : ১ ব্রাজিল!!!

ব্রাজিলের জালে জার্মানির গোল মিছিলের আরেক গোল। ছবি : এএফপি

ম্যাচ শুরুর আগে মিনেরাও স্টেডিয়াম গাঁদা ফুলের পাপড়িতে হলুদ হয়ে উঠেছিল। আধঘণ্টায় সেটা হয়ে গেছে জন্ডিসে ভোগা সেলেসাওয়ের প্রতীক! পাঁচ-পাঁচটি গোল হজম করে সেমিফাইনাল থেকে বিদায়ের সব আয়োজন যে ততক্ষণে সেরে ফেলেছে ব্রাজিল! জার্মানির কাছে শেষ পর্যন্ত হেরেছে তারা ১-৭ গোলে! ভুল পড়েননি, ১-৭! ১৯২০ সালে উরুগুয়ের কাছে ০-৬ গোলে হার ছাড়া এত বড় ব্যবধানে ব্রাজিল হারেনি কখনো। স্বাগতিকদের হারিয়ে মারাকানার ফাইনালে তাই উঠে গেল জার্মানিই।
অথচ ম্যাচটা ব্রাজিল শুরু করেছিল নেইমারের জার্সি হাতে নিয়ে, যেন সতীর্থের বিয়োগান্তক পরিণতির জবাব দিতে নেমেছিল তারা। কিন্তু খেলা দেখে মনে হয়েছে নেইমারের চেয়ে বেশি জরুরি ছিলেন থিয়াগো সিলভা। এই সেন্ট্রাল ডিফেন্ডারের সাসপেনশনে ব্রাজিলের ডিফেন্স পুরোপুরি এলোমেলো। জার্মানিকে কিছুই করতে হয় না, শুধু পেনাল্টি বক্সে বল নিয়ে হানা দিলেই হয়, তাতেই গোলের মিছিল।
১১তম মিনিটে থোমাস ম্যুলারে শুরু। এরপর ২৩ থেকে ২৯-  এই ছয় মিনিটে আরো চার গোল! এর মধ্যে মিরোস্লাভ ক্লোজের গোলটি ইতিহাস গড়া, যাতে ব্রাজিলিয়ান রোনালদোকে টপকে বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ডটি নিজের করে নিলেন জার্মান ফরোয়ার্ড।
 
ক্লোজের গোলের তিন মিনিটের মধ্যে টোনি ক্রোসের দুই গোল, এরপর স্যামি খেদিরার লক্ষ্যভেদ- ২৯ মিনিটের মধ্যে পাঁচ গোলে এগিয়ে জার্মানি। ম্যাচ কখন শেষ হবে, সেটি নিয়ে ভাবনা শুরু হয়ে যায় ব্রাজিলের।
সেই শেষ হওয়ার আগে আরো লজ্জা পেতে হয়েছে স্বাগতিকদের। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে গোলের কয়েকটি প্রচেষ্টা ছিল, কিন্তু মানুয়েল নয়ারের দৃঢ়তায় গোল হয়নি। উল্টো বদলি হিসেবে নামা আন্দ্রে শুর্লের জোড়া গোলে স্কোরলাইন হয়ে যায় ৭-০। একেবারে শেষ সময়ে অস্কারের গোলে ব্যবধান কিছুটা কমে কেবল। লজ্জা কিছুমাত্র কমেনি।
মারাকানাজোর চেয়ে বড় লজ্জা নিয়েই শেষ হলো ঘরের মাঠে ব্রাজিলের শিরোপা-স্বপ্ন!

মন্তব্য