kalerkantho

শনিবার । ৯ ফাল্গুন ১৪২৬ । ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ২৭ জমাদিউস সানি ১৪৪১

পশ্চিমারা নজর রাখছে

সিটি নির্বাচন অবাধ সুষ্ঠু করার পরীক্ষা

মেহেদী হাসান   

২৮ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আসন্ন ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠানের পরীক্ষা হিসেবে দেখছে বাংলাদেশে পশ্চিমা মিশনগুলো। ভোট সামনে রেখে পশ্চিমা দেশগুলোর রাষ্ট্রদূত/ হাইকমিশনার ও কূটনীতিকরা নির্বাচন কমিশনারসহ প্রার্থীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের ব্যাপারে তাঁদের প্রত্যাশা জানাচ্ছেন। বিভিন্ন দূতাবাস ও উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার ৩০টি দল নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবে।

ঢাকায় নরওয়ের রাষ্ট্রদূত সিডসেল ব্লেকেন গত রবিবার এক টুইট বার্তায় জানান, তিনিসহ ঢাকায় অন্যান্য নরডিক রাষ্ট্রদূত যেমন— সুইডেনের রাষ্ট্রদূত শারলোটা শ্লাইটার, ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত উইনি অ্যাস্ট্রাপ প্যাটারসন ও সুইস রাষ্ট্রদূত রেনে হোলেনস্টেইন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদার সঙ্গে দেখা করেছেন। টুইট বার্তায় তিনি লিখেছেন, ‘আসন্ন ঢাকা সিটি নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রত্যাশা।’

ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার গত ২০ জানুয়ারি প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে সাক্ষাতের পর বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যাশা আসন্ন ঢাকা সিটি নির্বাচন শান্তিপূর্ণ, উৎসবমুখর ও বিশ্বাসযোগ্য হবে। এর আগে চলতি মাসের প্রথমার্ধে চট্টগ্রামে উপনির্বাচনের প্রাক্কালে ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস তার ফেসবুক পেজে লিখেছে, ‘ভোট দেওয়ার অধিকার গণতন্ত্রের অন্যতম ভিত্তি।’ ঢাকায় ব্রিটিশ হাইকমিশনার রবার্ট চ্যাটারটন ডিকসনও বলেছেন, যুক্তরাজ্য সুষ্ঠু নির্বাচন দেখতে চায়; যাতে জনগণ ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে পারে।

কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানায়, স্থানীয় নির্বাচনের প্রতি তাদের তেমন আগ্রহ না থাকলেও রাজধানী ঢাকায় নির্বাচনের দিকে তাদের দৃষ্টি রয়েছে। বিশেষ করে, ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচন নিয়ে নানা ধরনের সমালোচনার পটভূমিতে এবারের নির্বাচনকে ভাবমূর্তি প্রতিষ্ঠার একটি বড় সুযোগ হিসেবে দেখছে তারা।

এদিকে ঢাকা সিটির নির্বাচনের পরিস্থিতি বিষয়ে বিএনপি গত রবিবার বিদেশি কূটনীতিকদের ব্রিফ করেছে। ওই ব্রিফিংয়ে অংশ নেওয়া নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কূটনীতিক কালের কণ্ঠকে বলেন, বিএনপি তার অবস্থান তুলে ধরেছে। অন্য দলগুলোর সঙ্গেও কূটনীতিকদের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে দেখা-সাক্ষাৎ ও আলোচনা হচ্ছে। বিদেশি কূটনীতিকরা তাঁদের কাজের অংশ হিসেবে সার্বিক পরিস্থিতির দিকে দৃষ্টি রাখছেন। ওই কূটনীতিক বলেন, শান্তিপূর্ণ, অবাধ, সুষ্ঠু, বিশ্বাসযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হলে তা বাংলাদেশ সম্পর্কে বাইরে একটি ইতিবাচক বার্তা দেবে। নির্বাচন যেহেতু রাজধানী ঢাকায় হচ্ছে সে জন্য ঢাকাস্থ বিদেশি মিশনগুলোর পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের সুযোগ বেশি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা