kalerkantho

মঙ্গলবার । ৫ ফাল্গুন ১৪২৬ । ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ২৩ জমাদিউস সানি ১৪৪১

আতিকের দাবি

গুলশানে তাবিথের পোস্টার বেশি

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৫ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



রাজধানীর গুলশান এলাকায় নৌকা মার্কার পোস্টারের চেয়ে বিএনপির প্রার্থী তাবিথ আউয়ালের পোস্টার বেশি রয়েছে বলে দাবি করেছেন আতিকুল ইসলাম। প্রচারে তাবিথ আউয়ালকে কোনো ধরনের বাধা দেওয়া হচ্ছে না বলেও দাবি করেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আতিকুল। গতকাল শুক্রবার গুলশানে ইয়ুথ ক্লাব মাঠে প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচে অংশ নেওয়ার পর এসব দাবি করেন তিনি।

আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘গুলশানে তাবিথের পোস্টার দেখেই প্রমাণ হয় যে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড (সবার জন্য সমান সুযোগ) আছে। কারণ এখানে নৌকার চেয়ে ধানের শীষের পোস্টার অনেক বেশি। এ ব্যাপারে একজন সংসদ সদস্য আমাকে ফোন করেও জানিয়েছেন। আমি প্রতিপক্ষকে অনুরোধ করব, আসুন আমরা অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন করি।’

ভোটাররা নির্বিঘ্নে যেন ভোটকেন্দ্রে যেতে পারে সেই পরিবেশ সৃষ্টির জন্য নির্বাচন কমিশনের প্রতি অনুরোধ জানান আতিক। তাঁর দিক থেকে সব ধরনের সহযোগিতা করারও আশ্বাস দেন তিনি।

চার তো মেরেছি, ছক্কাও মারা যাবে : প্রীতি ক্রিকেট খেলায় অংশ নেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী আতিকুল ইসলাম। ওই সময় জার্সি, হেলমেট, প্যাড, গ্লাভস ও ব্যাট হাতে তিনি মাঠে নামেন। একটানা ১১টি বল খেলেন তিনি। পর পর দুই বলে দুটি চারও মেরেছেন ‘ক্রিকেটার’ আতিক। শেষ বলে বোল্ড হয়ে যান তিনি।

খেলা শেষে আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমি জয়ী হলে দায়িত্ব নিয়ে খেলার মাঠ সব উদ্ধার করব। কারণ আমাদের তরুণ প্রজন্মকে মাঠমুখী করতে হবে। এর কোনো বিকল্প নেই।’ খেলার ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘অনেক দিন পর গার্ড, প্যাড সব কিছু পরে ক্রিকেট খেললাম। খেলে মনে হলো যে খেললে খেলা যাবে। চার তো মেরেছি, ছক্কাও মারা যাবে।’

প্রচারে সহধর্মিণী ও শিল্পীরা : এদিকে নৌকার পক্ষে ভোট চাইতে মাঠে নেমেছেন আতিকুল ইসলামের সহধর্মিণী ডা. শায়লা সাগুফতা। ওই সময় উপস্থিত ছিলেন জনপ্রিয় কয়েকজন চলচ্চিত্র তারকা। গতকাল বিকেলে গুলশান-২ নম্বর সার্কেলে ডিসিসি মার্কেট থেকে প্রচার শুরু করেন শায়লা। তাঁর সঙ্গে গিয়ে আতিকুল ইসলামের জন্য ভোট চান চলচ্চিত্রশিল্পী তারানা হালিম, বাঁধন, রিয়াজ, সাজু খাদেমসহ অনেকে। প্রচারে শায়লা সাগুফতা বলেন, ‘আমরা আশা করি জনগণ নৌকার পক্ষে ভোট দেবেন। আমরা ভালো কাজ করেছি। ৯ মাস আতিকুল ইসলাম নিরলস কাজ করে গেছেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা