kalerkantho

নির্বাচনী জনসভায় আতিক

জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করে প্রচার নয়

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৪ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করে প্রচার নয়

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী আতিকুল ইসলাম গতকাল রাজাবাজার এলাকায় গণসংযোগ করেন। ছবি : কালের কণ্ঠ

জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করে নির্বাচনী প্রচার না করার জন্য নেতাকর্মী ও সমর্থকের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) নির্বাচনে মেয়র পদপ্রার্থী আতিকুল ইসলাম। গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পূর্ব পাশের গলিতে নির্বাচনী প্রচার শুরু করার সময় সংক্ষিপ্ত জনসভায় ওই অনুরোধ জানান তিনি।

আওয়ামী লীগ মনোনীত এই প্রার্থী বলেন, ‘প্রতিটি মানুষের গুরুত্ব অনুধাবন করে প্রচার বা ভোট চাইতে হবে। নির্বাচনী প্রচার করতে গিয়ে যেন কোনো ধরনের জনদুর্ভোগ সৃষ্টি না হয়। রাস্তা বন্ধ রেখে কোনো ধরনের প্রচার না করার জন্য সবাইকে অনুরোধ জানাই আমি।’ তিনি আরো বলেন, ‘কোনো গাড়ি আটকে বা রাস্তা ব্লক করে নির্বাচনী প্রচার বা গণসংযোগ করলে অ্যাম্বুল্যান্সও আটকা পড়তে পারে। এ ছাড়া পরীক্ষা মিস হয়ে যেতে পারে শিক্ষার্থীদের।’

নির্বাচনী প্রচারের সংস্কৃতি পরিবর্তনের প্রয়োজন রয়েছে বলে মন্তব্য করেন আতিকুল। তিনি বলেন, ‘আমার কাছে অনেক অভিযোগ আসছে জনদুর্ভোগের। এ জন্য আমি আমার কর্মী-সমর্থকদের বলব দুর্ভোগ সৃষ্টি করে যেকোনো ধরনের প্রচার থেকে বিরত থাকতে। গণসংযোগের ক্ষেত্রে মানসিকতার পরিবর্তন দরকার। সুন্দর ঢাকা গড়তে শুরুতেই ইতিবাচক মানসিকতা আনতে হবে আমাদের।’

ওই সময় সনাতন পদ্ধতির প্রচার ও গণসংযোগ না করে ডিজিটাল প্রচারের ব্যবস্থা করার জন্য নির্বাচন কমিশনকে অনুরোধ করেন আতিকুল। পোস্টার লাগিয়ে পরিবেশের বিপর্যয় ঘটানোর চেয়ে ডিজিটাল প্রচার পদ্ধতি বের করার দিকে দৃষ্টি দেওয়া উচিত বলেও মনে করেন তিনি। এ ছাড়া সিটি করপোরেশনের নির্দিষ্টসংখ্যক দেয়ালে পোস্টাল লাগানোর নিয়ম চালু করার আগ্রহের কথা জানান তিনি। গতকাল সবকয়টি জনসভায় নতুন ১৮টি ওয়ার্ডের জনদুর্ভোগ দূর করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন আতিক। তবে অবহেলিত ওই সব ওয়ার্ডের জন্য চার হাজার ২০০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে বলে ভোটারদের অবগত করেন তিনি।

আতিক সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল এলাকায় যাওয়ার আগে গতকাল কলেজের শিক্ষার্থী ও স্বেচ্ছাসেবকরা অবস্থান করছিলেন। এ বিষয়ে সাংবাদিকরা তাঁকে অবগত করলে তিনি বলেন, ‘অবশ্যই আমি এটা সাপোর্ট করি না। আমি কোনো সময় বলি নাই আমার জন্য কেউ অপেক্ষা করুক। আমি সময় দিয়েছি ১১টা থেকে সাড়ে ১১টার মধ্যে। অবশ্যই রোগী বাদ দিয়ে আমার ভাষণ শুনবে, আমাদের জনসভায় আসবে এটি কোনো সময় কাম্য নয়।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা