kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ ফাল্গুন ১৪২৬ । ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ২ রজব জমাদিউস সানি ১৪৪১

গণসংযোগে আতিক

মনিটরিংয়ের জন্য কমান্ড সেন্টার স্থাপনের প্রতিশ্রুতি

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২০ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



টানা দশম দিনের মতো গণসংযোগে ব্যস্ত সময় পার করেছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী আতিকুল ইসলাম। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় ডিএনসিসির নির্বাচনী এলাকার কল্যাণপুর, মাজারগেট, টেকনিক্যাল ও মিরপুর বাঙলা কলেজ এলাকায় নৌকা প্রতীকে ভোট চেয়েছেন তিনি।

মেয়র নির্বাচিত হলে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সব কয়টি সেবা ডিজিটাল করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন আতিক। এ ছাড়া কেন্দ্রীয় কমান্ড সেন্টারের মাধ্যমে সব কিছু মনিটর করার আশ্বাসও দিয়েছেন তিনি।

কল্যাণপুরে গণসংযোগ শেষে জনসভায় আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘গত ৯ মাসের প্রচেষ্টায় ডিজিটাল সিটি গড়ার কাজ অনেক দূর এগিয়েছি। আমরা একটি কমান্ড সেন্টার করব। এরই মধ্যে তার কাজ শুরু হয়ে গেছে। নির্বাচিত হলে এক বছরের মধ্যে পুরো ডিএনসিসি এলাকা কেন্দ্রীয় কমান্ড সেন্টারের মাধ্যমে পরিচালিত হবে।’

আতিকুল ইসলামের গণসংযোগে গত শুক্রবার অংশ নিয়েছেন চলচ্চিত্র অভিনেতা ফেরদৌস আহমেদ। গতকালও আতিকের গণসংযোগ ও জনসভায় দেখা গেছে তাঁকে। এ ছাড়া ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক এস এ মান্নান কচি, যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মঈনুল হোসেন খান নিখিল ও স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আতিকের পক্ষে গণসংযোগে নেমেছেন বেশ কয়েকটি কলেজের নারী শিক্ষার্থীরা। মিরপুরের মাজার রোড ও বাঙলা কলেজের আশপাশ এলাকায় ভোট চাইতে দেখা গেছে তাঁদের। অনেকে ঢাকার ভোটার না হলেও ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত।

মাজার রোডে গণসংযোগকালে ইডেন মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী মাহফুজা সাইয়্যিদা জারিন কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আজ (রবিবার) সকাল থেকে মিরপুর এলাকায় নৌকায় ভোট চাইতে এসেছি। ইডেন কলেজ ছাড়াও তিতুমীর কলেজ এবং বাঙলা কলেজের ছাত্রীরা গণসংযোগে এসেছেন। এখানে যাঁরা এসেছেন, তাঁদের বেশির ভাগই ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত।’ 

ডিজিটাল সিটি করপোরেশন গড়ার ব্যাপারে মিরপুরের মাজার রোড এলাকায় জনসভায় আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা ডিএনসিসিকে একটি ডিজিটাল সিটি করপোরেশন করতে চাই। নেটওয়ার্কিং সিস্টেমের মাধ্যমে চলবে সিটি করপোরেশন। একটি কমান্ড সেন্টার থাকবে। শহরের কোথাও বর্জ্য পড়ে থাকলে, স্ট্রিট লাইট বন্ধ থাকলে, কোথাও কোনো সহিংসতা দেখলে কমান্ড সেন্টারের মাধ্যমে আমাদের কাছে তথ্য চলে আসবে।’ এ সময় তিনি সিটি করপোরেশনের হোল্ডিং ট্যাক্স দেওয়ার ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ অটোমেশন ও আরো ৪২ হাজার এলইডি বাতি লাগানোর পরিকল্পনার কথা জানান।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা