kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ ফাল্গুন ১৪২৬ । ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ২ রজব জমাদিউস সানি ১৪৪১

পুরান ঢাকায় ইশরাক

বাবা নেই আপনারাই আমার অভিভাবক

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২০ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



‘আজকে আমার বাবা নেই। আপনারাই আমার অভিভাবক। আপনারা আমাকে দেখে রাখবেন, আপনারা আমার বাবা-মা। আপনাদের দোয়ায় আমি ইশরাক হোসেন কোনো কিছুকে ভয় করব না। নির্বাচনের শেষ পর্যন্ত আপনারা মাঠে থাকবেন। আমি আছি এবং থাকব।’

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত মেয়রপ্রার্থী ইশরাক হোসেন গতকাল রবিবার পুরান ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগকালে ভোটারদের উদ্দেশে এসব কথা বলেন। এর আগে সকাল ১০টায় বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত জিয়াউর রহমানের জন্মদিনে তাঁর কবরে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দসহ তিনি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। শেরেবাংলানগর থেকে পরে আজিমপুর বাসস্ট্যান্ডে এসে গণসংযোগ শুরু করেন তিনি। সেখান থেকে ছাপরা মসজিদ, আজিমপুর কবরস্থান, জগন্নাথ সাহা রোড ও লালবাগের বিভিন্ন এলাকায় ভোট চান।

ধানের শীষের এই প্রার্থী বলেন, ‘দেশের মানুষ পরিবর্তন চায়। ধানের শীষে ভোট দেওয়ার জন্য তিনি অপেক্ষায় আছেন।’ নির্বাচন ঘিরে ষড়যন্ত্র চলছে উল্লেখ করে ভোটারদের উদ্দেশে ইশরাক বলেন, ‘নির্বাচনকে কেউ যাতে প্রভাবিত করতে না পারে সে ব্যাপারে আপনাদের সজাগ থাকতে হবে। কারণ আসন্ন নির্বাচন হচ্ছে ঢাকাকে ধ্বংসের কবল থেকে রক্ষা, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার মুক্তির একটি সুযোগ। আপনারা ভোটকেন্দ্রে যাবেন এবং ভোট দেবেন।’

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন নবী খান সোহেল, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাজী আবুল বাশার, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিউল বারী বাবুসহ বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী এবং স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা গণসংযোগে অংশ নেন।

পোস্টার ছেঁড়ার অভিযোগ : এদিকে ডিএসসিসিতে বিএনপি মনোনীত মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীদের পোস্টার লাগাতে বাধা দেওয়া ও ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ আসছে প্রতিদিন। গতকালও বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রার্থীদের পক্ষ থেকে এমন অভিযোগ করা হয়।

বিএনপির দাবি, নির্বাচন কমিশন ও থানা-পুলিশকে অবহিত করা হলেও কোনো প্রতিকার মিলছে না। গতকাল সকালে শান্তিনগর মোড় ও হাবিবুল্লাহ বাহার কলেজের সামনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী ইশরাক হোসেন ও কাউন্সিলর আশরাফুল ইসলামের ছেঁড়া পোস্টারের স্তূপ পড়ে থাকতে দেখা যায়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা