kalerkantho

মঙ্গলবার । ৫ ফাল্গুন ১৪২৬ । ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ২৩ জমাদিউস সানি ১৪৪১

ডিএনসিসি ২০ ও ২১ নম্বর ওয়ার্ড

আচরণবিধি লঙ্ঘন হচ্ছে প্রকাশ্যেই

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৭ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মেয়র প্রার্থী ছাড়া নির্বাচনী প্রচারে দলীয় প্রধানের ছবি ব্যবহারের অনুমতি নেই কাউন্সিলর প্রার্থীদের। এ বিষয়ে একাধিকবার নিজেদের শক্ত অবস্থান ব্যক্ত করেছে নির্বাচন কমিশনও। কিন্তু নির্বাচন কমিশনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে নিজের পোস্টারে দলীয় প্রধানের ছবি ব্যবহার করছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিনএনসিসি) ২১ নম্বর ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মাসুম গণি তাপস।

উত্তর বাড্ডা, মধ্য বাড্ডা, মেরুল বাড্ডা ও প্রগতি সরণি সড়কের দুই পাশসহ ২১ নম্বর ওয়ার্ডে প্রায় সাত হাজার পোস্টারে রয়েছে সেই ছবি। এ ছাড়া একজন কাউন্সিলর প্রার্থীর প্রচারণার জন্য একটি মাইক ব্যবহারের অনুমোদন থাকলেও প্রতিদিন চারটি মাইকে প্রচারণা চালাচ্ছেন তিনি। গত সোম, মঙ্গলবার ও গতকাল বৃহস্পতিবার ২১ নম্বর ওয়ার্ডে সরেজমিনে গিয়ে নির্বাচনী প্রচারণায় চারটি মাইক ব্যবহারের সত্যতা পাওয়া গেছে।

সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত ১০ ঘণ্টা করে একেকটি মাইক ব্যবহার করা হচ্ছে বলে কালের কণ্ঠকে নিশ্চিত করেছেন প্রচারণা চালানো দুই রিকশাচালক। এ ছাড়া মাসুম গণির বিরুদ্ধে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এ জি এম শামসুল হকের পোস্টার ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগও রয়েছে।

এদিকে প্রচারণায় সাদাকালো পোস্টারের কথা নির্বাচন কমিশন থেকে বলা হলেও এর ব্যত্যয় দেখা গেছে ডিএনসিসির ২০ নম্বর ওয়ার্ডে। সেখানকার প্রার্থী ও বর্তমান কাউন্সিলর মো. নাসিরের পক্ষে গতকাল মহাখালীর টিবি গেট, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা, ওয়্যারলেস গেটসহ ওই ওয়ার্ডের বেশ কিছু এলাকায় মিছিল হয়। মিছিলের সঙ্গে থাকা দুটি বড় ট্রাক ও পাঁচটি ছোট ট্রাকে মো. নাসিরের রঙিন পোস্টার ব্যবহার করা হয়। এ ছাড়া মিছিলে ব্যবহার করা হয় চারটি মাইক।

অভিযোগের ব্যাপারে মো. নাসির বলেন, ‘এই মিছিলটি আমার ছিল না। আমাকে সমর্থন জানাতে ক্লিনাররা মিছিল বের করেছে। আচরণবিধি লঙ্ঘন হয়, এমন কিছু করিনি।’

অন্যদিকে অভিযোগের ব্যাপারে জানতে ২১ নম্বর ওয়ার্ডের প্রার্থী মাসুম গণির মোবাইলে ফোন করা হলেও তাঁর সাড়া পাওয়া যায়নি।

ডিএনসিসির রিটার্নিং অফিসার আবুল কাসেম বলেন, ‘কেউ আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং হবে। লঙ্ঘনের মাত্রা বেশি হলে প্রার্থিতা বাতিলের এখতিয়ারও নির্বাচন কমিশন রাখে।’

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা