kalerkantho

বুধবার । ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ৮ ডিসেম্বর ২০২১। ৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৩

আপওয়ার্ক

[অষ্টম শ্রেণির আইসিটি বইয়ের প্রথম অধ্যায়ে আপওয়ার্কের কথা উল্লেখ আছে]

২৫ অক্টোবর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আপওয়ার্ক

বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইট আপওয়ার্ক (upwork.com)। ২০০৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় ওডিসিস সাটালোস ও স্ট্র্যাটিস কারাম্যানলাকিসের দাঁড় করানো প্রতিষ্ঠানটি শুরুর দিকে ওডেস্ক নামে পরিচিত ছিল। ২০১৫ সালে প্রথম সারির ফ্রিল্যান্সিং সাইট ইল্যান্সের সঙ্গে ওডেক্স একীভূত হওয়ার পর নাম হয় ‘আপওয়ার্ক’।

 

এটি মূলত ফ্রিল্যান্সার বা মুক্তপেশাজীবী ও কাজদাতাদের মাঝখানে মধ্যস্থতাকারী তৃতীয় পক্ষ হয়ে কাজ করে। একই সঙ্গে উভয় পক্ষের আর্থিক লেনদেন ও কাজ বুঝে পাওয়ার নিশ্চয়তার ব্যাপারটিও দেখভাল করে। দুনিয়াব্যাপী কয়েক শ কোটি ফ্রিল্যান্সার ও কাজদাতার আয় বা কাজের সূত্র হয়ে উঠেছে আপওয়ার্ক। এখানে কয়েক শ ক্যাটাগরির কাজ আছে। যেমন—ওয়েব ডেভেলপ, ডিজিটাল মার্কেটিং, ক্রিয়েটিভ ডিজাইন, কনটেন্ট রাইটিং ও ট্রান্সলেশন, মার্কেটিং, কাস্টমার সাপোর্ট, ট্রাবলশুটিং ইত্যাদি।

কাজদাতারা তাঁদের কাজের ধরন, শর্ত, সময়সীমা ও বাজেট উল্লেখ করে প্রথমে পোস্ট দেন। পরে ফ্রিল্যান্সাররা সেখানে কাজ পাওয়ার জন্য আবেদন করেন। মূলত যাঁরা আগে কাজ করে ভালো রেটিং পেয়েছেন, পরবর্তী সময়ে তাঁদের কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। তবে কাজদাতাকে নিজের যোগ্যতার ব্যাপারে আশ্বস্ত করতে পারলে নতুনরাও অনেক সময় কাজ পেয়ে যান। দক্ষ ফ্রিল্যান্সাররা লেগে থাকলে মাসে লক্ষাধিক টাকা আয় করা কঠিন কিছু না! বাংলাদেশের কয়েক লাখ তরুণ এই সাইটের মাধ্যমে কাজ করে প্রতি মাসে বড় অঙ্কের রেমিট্যান্স দেশে আনছেন।

 

ফ্রিল্যান্সারদের পাশাপাশি কাজদাতা ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানেরও রেটিং করে ওডেস্ক। ফলে কাজের আগেই তাঁদের প্রফাইল দেখে সিদ্ধান্ত নিতে বা মূল্যায়ন করতে পারবেন ফ্রিল্যান্সাররা। কাজদাতা আগে কতগুলো কাজ করিয়েছেন, কী পরিমাণ পেমেন্ট করেছেন—এসব তথ্য দেখে তাঁদের বিশ্বস্ততার ব্যাপারে একরকম ধারণা পাওয়া যায়। আবার কোনো ফিল্যান্সার যদি নেতিবাচক কিছু করেন, সেটিও ওডেস্কের রেকর্ডে থেকে যাবে। ফলে তাঁর পক্ষে নতুন করে কাজ পাওয়াটা দুঃসাধ্য হবে।

২০২০ সালে প্রতিষ্ঠানটি ৩৭৩.৬ মিলিয়ন ডলার আয় করেছে।

হাবিব তারেক



সাতদিনের সেরা