kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ২ ডিসেম্বর ২০২১। ২৬ রবিউস সানি ১৪৪৩

পঞ্চম শ্রেণি : বাংলা

আতাউর রহমান সায়েম, সিনিয়র সহকারী শিক্ষক, আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মতিঝিল, ঢাকা

২৩ অক্টোবর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৫ মিনিটে



পঞ্চম শ্রেণি : বাংলা

অঙ্কন : মাসুম

অ ধ্যা য় ভি ত্তি ক  প্র শ্ন

কবিতা

দুই তীরে

 

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

     নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর লেখো :

১।   কখন, কোথায় কাশফুল ফোটে?

     উত্তর : শরৎকালে নদীতীরের চারপাশে কাশফুল ফোটে।

২।   নদীর বালুচরে কোন কোন প্রাণীর দেখা পাওয়া যায়?

     উত্তর : নদীর বালুচরে চকাচকি, বিদেশি হাঁস, কচ্ছপ ইত্যাদি প্রাণীর দেখা পাওয়া যায়।

৩।   বাঁকা গলির দুই ধারে বেণুবন কেমন করে থাকে?

     উত্তর : বাঁকা গলির দুই ধারে বেণুবন নিবিড়ভাবে পরস্পর জড়াজড়ি করে থাকে।

৪।   সকাল-সন্ধ্যায় নদীর ঘাটে কী ঘটে?

     উত্তর : সকাল-সন্ধ্যায় নদীর ঘাটে গ্রামের বধূরা ভিড় করে। ছেলের দল নদীতে ভেলা ভাসিয়ে ভেসে বেড়ায়।

৫।   কোন কালে কচ্ছপেরা রোদ পোহায়?

     উত্তর : শীতকালে কচ্ছপেরা রোদ পোহায়।

৬।   ঘাটে বধূর মেলা বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

     উত্তর : নদীর ঘাটে গ্রামের বধূরা সারা দিনই নানা কাজে আসে। কেউ পানি নেয়, কেউ কাপড় ধোয়। তারা পরস্পর কথা বলে, আনন্দ করে। দেখে মনে হয় ঘাটে যেন বধূদের মেলা বসেছে।

৭।   দুই তীরে কবিতায় ওই পারের বনটি কেমন?

     উত্তর : দুই তীরে কবিতায় নদীর ওই পারের  বনটি গাছের পাতার ঘন ছায়ায় ঘেরা। বন থেকে ছোট একটি রাস্তা এসে মিশেছে নদীতে। সে রাস্তার দুই ধারে বাঁশবাগান পরস্পর জড়াজড়ি করে অবস্থান করছে।

৮।   সকাল-সন্ধ্যায় ছেলের দল কী করে?

     উত্তর : সকাল-সন্ধ্যায় ছেলের দল নদীতে ভেলা ভাসিয়ে ভেসে বেড়ায়।

৯।   তটের চারপাশে কী ফোটে?

           উত্তর : তটের চারপাশে কাশফুল ফোটে।

১০।  ওই পারের বনটি কিসে ঘেরা? বনের রাস্তাটি কেমন?

           উত্তর : নদীর ওই পারের  বনটি গাছের পাতার ঘন ছায়ায় ঘেরা। বন থেকে ছোট একটি রাস্তা এসে মিশেছে নদীতে। সে রাস্তার দুই ধারে বাঁশবাগান পরস্পর জড়াজড়ি করে অবস্থান করছে।

১১।  নদীর বালুচরে কখন কোন পাখি দেখা যায়?

     উত্তর : নদীর বালুচরে শরৎকালে নীড় বাঁধে চকাচকিরা। আর শীতকালে দেখা মেলে নানা রকম বিদেশি হাঁসের।

     প্রদত্ত অনুচ্ছেদটি পড়ে ১ ও ২ নম্বর ক্রমিকের প্রশ্নগুলোর উত্তর লেখো :

     তরুছায়াবেষ্টিত সবুজ গ্রাম। গ্রামের পাশেই বন। বনে নানা রকম গাছপালা। গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে একটি নদী। নদীর দুই পাশে রাস্তার ধারে বাঁশ বন। গ্রামের মানুষ নদী থেকে পানি নিয়ে আসে। নদীতে চলে বিভিন্ন ধরনের নৌযান। আবার এই নদীতেই খরা মৌসুমে জেগে ওঠে চর। সকাল-সন্ধ্যা চরে এসে ভিড় জমায় নানা রকম পশুপাখি। নদী, বন, গাছপালা সব কিছু মিলিয়ে গ্রামটি খুব সুন্দর।

১।   প্রদত্ত শব্দের অর্থ বুঝে শূন্যস্থান পূরণ করো :

ক)   নদীতে --- পড়েছে।

খ)   রাস্তাটি --- দিয়ে ঢাকা।

গ)   গ্রামের পাশ দিয়ে নদী --- চলেছে।

ঘ)   এখন বর্ষা --- চলছে।

ঙ)   বর্ষায় --- ছাড়া চলাফেরা মুশকিল।

 

     উত্তর :

ক)   নদীতে চর পড়েছে।

খ)   রাস্তাটি তরুছায়া দিয়ে ঢাকা।

গ)   গ্রামের পাশ দিয়ে নদী বয়ে চলেছে।

ঘ)   এখন বর্ষা মৌসুম চলছে।

ঙ)   বর্ষায় নৌযান ছাড়া চলাফেরা মুশকিল।

 

২। নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর লেখো।

          

ক)  বাংলাদেশের নদীর তীরগুলো কেমন? চারটি বাক্যে নদীতীরের বর্ণনা দাও।

     উত্তর : বাংলাদেশের নদীর তীর নানা বৈচিত্র্যে ভরপুর।

     নদীর তীরে ফোটা সাদা কাশফুল এক ভিন্ন আবেশ সৃষ্টি করে। নদীর তীরে নৌকা সারিবদ্ধভাবে বাঁধা থাকে। গ্রামের বধূরা নদীতে পানি নিতে আসে। ছেলেরা ঘাটে ভেলা ভাসায়, আর জেলেদের মাছ ধরতে দেখা যায়।

 

খ)   আমাদের বনগুলো কিসে ভরা? চারটি বাক্যে বন সম্পর্কে লেখো।

     উত্তর : আমাদের বনগুলো নানা রকম গাছপালা, ফুল ও ফলে ভরা।

     নানা প্রজাতির পশুপাখি বনে বাস করে। বন থেকে আমরা কাঠসহ নানা রকম ফলমূল পাই। বন আমাদের প্রকৃতিকে রক্ষা করার পাশাপাশি অর্থনৈতিকভাবে উপকার করে। আমাদের উচিত বন রক্ষায় সচেতন হওয়া।

গ)   নদী দ্বারা জীবিকা নির্বাহ করে এমন দুজন পেশাজীবীর নাম লেখো। নদীর চারটি উপকারী দিক উল্লেখ করো।

     উত্তর :  নদী দ্বারা জীবিকা নির্বাহ করে এমন দুজন পেশাজীবী হলেন—জেলে ও মাঝি।

     নদীর চারটি উপকারী দিক হলো :

     নদীতে প্রচুর মাছ পাওয়া যায়।

     আমরা নদীপথে নৌকা নিয়ে চলাচল করতে পারি।

     নদীর পানি আমরা সেচ কাজসহ নানা কাজে ব্যবহার করি।

     নদীর কারণে আমাদের প্রকৃতি সজীব থাকে।

 

     পাঠ্য বই থেকে কবিতার প্রশ্নোত্তর লিখন

     নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর

     দাও :

     আমি ভালোবাসি আমার

     নদীর বালুচর,

     শরৎকাল যে নির্জনে

     চকাচকির ঘর।

     যেথায় ফুটে কাশ

     তটের চারিপাশ,

 

ক)   শরৎকালে নদীর বালুচরে কী কী ঘটে?

     উত্তর : শরৎকালে নদীর বালুচরে যা যা ঘটে তা নিম্নে তুলে ধরা হলো :

     (১) চকাচকিরা নিরালায় ঘর বাঁধে।

     (২) তটের চারপাশজুড়ে কাশফুল ফোটে।

খ)   প্রদত্ত কবিতাংশের মূলভাব লেখো।

     উত্তর : প্রদত্ত কবিতাংশের মূলভাব—

      শরৎকালের প্রকৃতি অতুলনীয় রূপ ধারণ করে। এ সময় নদীতে

      চর জেগে ওঠে। চরে চকাচকিরা ঘর বাঁধে। চারদিকে কাশফুল ফোটে।

 

গ)   নদীর বালুচরে কী ঘটে?

     উত্তর : নদীর বালুচরে তীরের চারপাশে কাশফুল ফোটে। শরৎকালে চকাচকিরা বাসা বাঁধে। শীতের দিনে বিদেশি হাঁস আসে। কচ্ছপরা বালুচরে রোদ পোহায়। সন্ধ্যাবেলায় জেলেদের দু-একটি ডিঙি নৌকা ভিড়ে।



সাতদিনের সেরা