kalerkantho

শনিবার । ৩১ আশ্বিন ১৪২৮। ১৬ অক্টোবর ২০২১। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

অ ধ্যা য় ভি ত্তি ক প্র শ্ন

নবম-দশম শ্রেণি : বাংলা প্রথম পত্র

আতাউর রহমান সায়েম , সিনিয়র সহকারী শিক্ষক, আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ , মতিঝিল, ঢাকা

২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কবিতা

বঙ্গবাণী

আবদুল হাকিম

জ্ঞা ন মূ ল ক  প্র শ্ন

[পূর্ব প্রকাশের পর]

২৮। ‘হিংসে’ শব্দটির অর্থ কী?

     উত্তর : ‘হিংসে’ শব্দটির অর্থ বিদ্বেষ পোষণ করা।

২৯। আরবি-ফারসি ভাষার প্রতি কবির কী নেই?

     উত্তর : আরবি-ফারসি ভাষার প্রতি কবির রাগ বা দ্বেষ নেই।

৩০। ‘তোষি’ শব্দটির অর্থ কী?

     উত্তর : ‘তোষি’ শব্দটির অর্থ তুষ্ট করি।

৩১। ‘হাবিলাষ’ শব্দটির অর্থ কী?

     উত্তর : ‘হাবিলাষ’ শব্দটির অর্থ অভিলাষ/ প্রবল/ ইচ্ছা।

৩২। আবদুল হাকিমের বিখ্যাত কাব্যের নাম কী?

     উত্তর : আবদুল হাকিমের বিখ্যাত কাব্যের নাম নূরনামা।

 

অ নু ধা ব ন মূ ল ক  প্র শ্ন

১।   ধর্মীয় গোঁড়ামি কিভাবে মাতৃভাষা চর্চায় বাধা হয়ে দাঁড়ায়?

উত্তর : ধর্মীয় গোঁড়ামি বিভিন্নভাবে মাতৃভাষা চর্চায় বাধা হয়ে দাঁড়ায়।

 মধ্যযুগে ‘হিন্দুর অক্ষর’ বলে একশ্রেণির মুসলমান লেখক বাংলা ভাষাকে ঘৃণা করত। বাংলা ভাষার সঙ্গে সংস্কৃত ভাষার একটি গভীর যোগাযোগ আছে। এ জন্য বাংলা ভাষাকে সংস্কৃত ভাষার দুহিতা বলা হয়। এ কারণে একশ্রেণির ধর্মান্ধ মুসলিম লেখক বাংলাকে হিন্দুয়ানি ভাষা বলে অবজ্ঞা করত। তারা মাতৃভাষা বাংলার পরিবর্তে আরবি ও ফারসি ভাষা ব্যবহার করে আত্মতৃপ্তি লাভ করত। কবি আবদুল হাকিম তাঁর ‘বঙ্গবাণী’ কবিতায় ‘হিন্দুর অক্ষর’ কথাটি উল্লেখের মাধ্যমে বাংলা ভাষা সম্পর্কে তৎকালীন মুসলিম লেখকদের অজ্ঞতার প্রতি ইঙ্গিত করেছেন।

 

২।   মাতৃভাষার অবজ্ঞাকারীদের প্রতি কবির পরামর্শ ব্যাখ্যা করো।

 উত্তর : মাতৃভাষার অবজ্ঞাকারীদের প্রতি কবির পরামর্শ হলো—তারা যেন স্বদেশ ছেড়ে অন্য দেশে চলে যায়।

যারা স্বদেশ ও স্বভাষার প্রতি বীতশ্রদ্ধ, তারা স্বদেশ ও মাতৃভাষার প্রতি মমত্বহীন। এসব লোকের প্রতি কবির পরামর্শ হলো—যাদের মনে স্বদেশের ও স্বভাষার প্রতি অনুরাগ নেই, তাদের এ দেশে বসবাসের অধিকার নেই। তারা অন্য দেশে চলে গেলেই পারে।



সাতদিনের সেরা