kalerkantho

শনিবার । ৩১ আশ্বিন ১৪২৮। ১৬ অক্টোবর ২০২১। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

রাউটার

ইন্দ্রজিৎ মণ্ডল   

২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রাউটার

[অষ্টম শ্রেণির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বইয়ের দ্বিতীয় অধ্যায়ে রাউটারের উল্লেখ আছে] 

এক নেটওয়ার্ক থেকে আরেক নেটওয়ার্কে ডাটা পাঠানোর পদ্ধতিকে বলে রাউটিং। যে ডিভাইস রাউটিংয়ের কাজ করে তাকে বলে রাউটার। রাউটার (Router) শব্দটি এসেছে Route শব্দ থেকে। হার্ডওয়্যার ও সফটয়্যারের সমন্বয়ে তৈরি রাউটার বর্তমান প্রজন্মের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্র। এটি নেটওয়ার্ক তৈরির কাজে ব্যবহার করা হয়।

ইন্টারনেট অসংখ্য নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে তৈরি। একই প্রটোকলের অধীনে কার্যরত দুটি নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করার জন্য রাউটার ব্যবহৃত হয়। আমরা অফিসে বা ঘরে রাউটার ব্যবহার করি প্রধানত IPS (Internet Service Provider) থেকে গ্রহণ করা ইন্টারনেট কানেকশন বিভিন্ন কম্পিউটার ডিভাইসের মাধ্যমে শেয়ার করার জন্য। এখানে মডেম বা অন্য কোনো মাধ্যম দ্বারা রাউটারে ইন্টারনেট সংযুক্ত করা হয়। সেই ইন্টারনেটের ডাটা যাতে আলাদা আলাদা কম্পিউটার, ল্যাপটপ, মোবাইলে একসঙ্গে ব্যবহার করা যায় সে কাজটি করে রাউটার।

কাজের প্রয়োজন অনুযায়ী বর্তমানে বাজারে বিভিন্ন প্রকারের রাউটার পাওয়া যায়। সেই সব রাউটারের মধ্যে Broadband routers (Wired routers), Wireless routers (WiFi routers) ও Core routers উল্লেখযোগ্য। দুই বা দুইয়ের অধিক কম্পিউটার ইন্টারনেটের সঙ্গে একত্রে যুক্ত করার জন্য Broadband Router ব্যবহার করা হয়। এ ধরনের রাউটার থেকে ডাটা অ্যাকসেস করার জন্য তারের প্রয়োজন হয়।

বর্তমানে যেসব রাউটার বাড়িতে, স্কুল-কলেজে ব্যবহার করা হয় সেগুলো সব Wireless Router-এর মধ্যে পড়ে। এই ধরনের রাউটার থেকে ডাটা অ্যাকসেস করার জন্য তারের প্রয়োজন হয় না। তাই এর জনপ্রিয়তা অন্যান্য রাউটার থেকে বেশি। আবার অনেক রাউটারকে একসঙ্গে জোড়ার জন্য Core Routers ব্যবহার করা হয়। কোনো বড় প্রতিষ্ঠান বা কম্পানিতে বিভিন্ন জায়গায় অনেক রাউটার ব্যবহার করা হয়। এই সব রাউটার একত্রে কানেকশন তৈরি করার জন্য Core Routers এর ব্যবহার করা হয়।

বিশ্বের প্রথম ইন্টারনেট ওয়ার্কিং রাউটার আবিষ্কৃত হয়েছিল ১৯৭৪ সালে। জিনি স্ট্রাজিসার নতুন টিসিপি/আইপি প্রটোকলের জন্য এই রাউটারের সফটওয়্যার তৈরিতে সাহায্য করেন। তখন এই রাউটারকে বলা হতো গেটওয়ে।

 



সাতদিনের সেরা