kalerkantho

রবিবার । ১১ আশ্বিন ১৪২৮। ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১৮ সফর ১৪৪৩

ষষ্ঠ শ্রেণি : বাংলা প্রথম পত্র

আতাউর রহমান সায়েম, সিনিয়র সহকারী শিক্ষক, আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মতিঝিল, ঢাকা

১ আগস্ট, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৫ মিনিটে



ষষ্ঠ শ্রেণি : বাংলা প্রথম পত্র

কবিতা

জন্মভূমি

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

জ্ঞা ন মূ ল ক  প্র শ্ন

১।   রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কত খ্রিষ্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন?

     উত্তর : ১৮৬১ খ্রিষ্টাব্দে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জন্মগ্রহণ করেন।

২।   বিশ্বভারতী প্রতিষ্ঠা করেন কে?

     উত্তর : রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিশ্বভারতী প্রতিষ্ঠা করেন।

৩।   তিনি কত খ্রিস্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন?

     উত্তর : ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

৪।   রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কোথায় মৃত্যুবরণ করেন?

     উত্তর : রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কলকাতায় মৃত্যুবরণ করেন।

৫।   তাঁর পিতার নাম কী?

     উত্তর : তাঁর পিতার নাম মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর।

৬।   ‘জন্মভূমি’ কবিতাটির কবি কে?

     উত্তর : ‘জন্মভূমি’ কবিতাটির কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

৭।   কোনটি কবিকে আকুল করে?

     উত্তর : ফুলের গন্ধ কবিকে আকুল করে।

৮।   কবির কাছে মাতৃভূমি কিসের মতো?

     উত্তর : কবির কাছে মাতৃভূমি মায়ের মতো।

৯।   কার জনম সার্থক?

     উত্তর : কবির জনম সার্থক।

১০।  কবি দেশকে কী বলে সম্বোধন করেছেন?

     উত্তর : কবি দেশকে মা বলে সম্বোধন করেছেন।

১১।  দেশের ছায়ায় কার অঙ্গ জুড়ায়?

     উত্তর : দেশের ছায়ায় কবির অঙ্গ জুড়ায়।

১২। বনের ফুলের ঘ্রাণ কী রকমের?

     উত্তর : বনের ফুলের ঘ্রাণ আকুল করা।

১৩।  চাঁদ কোথায় ওঠে?

     উত্তর : চাঁদ গগনে (আকাশে) ওঠে।

১৪।  আঁখি মেলে কবি প্রথম কী দেখেছেন?

     উত্তর : আঁখি মেলে কবি প্রথম দেশের আলো দেখেছেন।

১৫।  কবির চোখ কী দেখে জুড়াল?

     উত্তর : কবির চোখ দেশের আলো দেখে জুড়াল।

১৬।  ‘জন্মভূমি’ কবিতা কোন দেশকে উদ্দেশ করে লেখা?

     উত্তর : ‘জন্মভূমি’ কবিতা বাংলাদেশকে উদ্দেশ করে লেখা।

১৭।  দেশের আলোতে নয়ন রেখে কবি কী করবেন?

     উত্তর : দেশের আলোতে নয়ন রেখে কবি নয়ন মুদবেন।

১৮।  ‘মুদব নয়ন’ দ্বারা কবি কী ইঙ্গিত করেছেন?

     উত্তর : ‘মুদব নয়ন’ দ্বারা কবি মৃত্যুকে ইঙ্গিত করেছেন।

১৯। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কত খ্রিস্টাব্দে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন?

     উত্তর : রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

 

অ নু ধা ব ন মূ ল ক  প্র শ্ন

১।   ‘জন্মভূমি’ কবিতায় কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা কর।

     উত্তর : ‘জন্মভূমি’ কবিতায় জন্মভূমির প্রতি কবির মমত্ব ও দেশপ্রেমের গভীর আবেগ ফুটে উঠেছে।

     কবি তার জন্মভূমিকে মায়ের মতো ভালোবাসেন। এ দেশের প্রাকৃতিক শোভা কবিকে মুগ্ধ করে। এ দেশের প্রকৃতির উজ্জ্বল আলো আর মিষ্টি বাতাসে কবির দেহ ও মন জুড়িয়ে যায়। এ দেশের সুন্দর প্রকৃতি কবির মনে যে শিহরণ জাগায় তাতে কবি আনন্দিত। কবির জন্মভূমি অজস্র ধনরত্নের আকর কি না তাতে তার কিছু আসে যায় না। কারণ তিনি তার মাতৃভূমির স্নেহছায়ায় যে সুখ পেয়েছেন তা তার অঙ্গ জুড়িয়েছে। কবিতাটির প্রতিটি ছত্রে কবির দেশপ্রেমের গভীর আবেগ ফুটে উঠেছে।

২।   ‘সার্থক জনম আমার জন্মেছি এই দেশে’—পঙিক্তটি বুঝিয়ে দাও।

     উত্তর : ‘সার্থক জনম আমার জন্মেছি এই দেশে’—পঙিক্তটি দ্বারা কবি নিজের জন্মকে সার্থক হিসেবে ঘোষণা দিয়েছেন।

     কবি তাঁর জন্মভূমিকে অনেক বেশি ভালোবাসেন। হৃদয়ের মাঝে তিনি জন্মভূমির প্রতি গভীর টান অনুভব করেন। এ জন্যই জন্মভূমিতে কবি পেয়েছেন জীবনের স্বাদ। এ জন্যই কবি নিজের জন্মকে সার্থক হিসেবে ঘোষণা দিয়েছেন।

৩।   ‘কোন বনেতে জানি নে ফুল/ গন্ধে এমন করে আকুল।’— পঙিক্তদ্বয় ব্যাখ্যা করো।

     উত্তর : ‘কোন বনেতে জানি নে ফুল/গন্ধে এমন করে আকুল’ পঙিক্তদ্বয় দ্বারা কবি তার দেশের ফুলের প্রাচুর্যকে প্রকাশ করেছেন।

     কবির দেশে অনেক প্রকারের ফুল আছে। সব বনেই নানা রঙের নানা গন্ধের ফুল ফোটে। কোন বনে কোন ফুল ফোটে, কবি সেটা ঠিক মনে করতে পারেন না; কিন্তু ফুলের ঘ্রাণে কবি আকুল হয়ে যান।

৪।   ‘কোন গগনে ওঠে রে চাঁদ এমন হাসি হেসে’—পঙিক্তটি দ্বারা কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন?

     উত্তর : ‘কোন গগনে ওঠে রে চাঁদ এমন হাসি হেসে’—এ পঙিক্তটিতে কবি জন্মভূমির প্রতি সৌন্দর্যের অভিভূত হয়ে এ কথা ব্যক্ত করেছেন। এভাবে আর কোথাও উদয় হয় না।

     দেশের প্রতি কবির মনে অনেক বেশি আবেগ, ভালোবাসা আর শ্রদ্ধা রয়েছে। যার কারণে দেশের প্রকৃতির প্রতিটি বস্তুই কবিকে বিমোহিত করে। কবি দেশের আকাশে চাঁদ দেখে ভেবেছেন, এত সুন্দরভাবে চাঁদ পৃথিবীর আর কোনো দেশেই উদয় হয় না।

৫।   কবি দেশের আলোতে নয়ন রেখে মৃত্যুবরণের ইচ্ছা ব্যক্ত করেছেন কেন?

     উত্তর : দেশের প্রতি অগাধ ভালোবাসা থাকার কারণে কবি দেশের আলোতে চোখ রেখে মৃত্যুবরণ করার ইচ্ছা ব্যক্ত করেছেন।

     জন্মের পর চোখ মেলে প্রথমে কবি দেশের আলো দেখেছেন, যা কবির চোখ জুড়িয়ে দিয়েছে। দেশকে কবি ভালোবেসেছেন সমস্ত সত্তা দিয়ে এবং দেশের প্রতি অসীম ভালোবাসা থাকার কারণে দেশের আলোতে চোখ রেখে মৃত্যুবরণ করার ইচ্ছা করেছেন।



সাতদিনের সেরা