kalerkantho

শুক্রবার । ১৫ শ্রাবণ ১৪২৮। ৩০ জুলাই ২০২১। ১৯ জিলহজ ১৪৪২

পঞ্চম অধ্যায় : বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়

সোনিয়া আক্তার, সহকারী শিক্ষক, ধামদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মুন্সীগঞ্জ সদর, মুন্সীগঞ্জ

২৩ জুন, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পঞ্চম অধ্যায় : বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়

চতুর্থ অধ্যায়

আমাদের অর্থনীতি :

কৃষি ও শিল্প

সঃক্ষিপ্ত  প্রশ্ন

[পূর্ব প্রকাশের পর]

২১। বাংলাদেশের বেশির ভাগ বস্ত্রকল কোথায় অবস্থিত?

     উত্তর : বাংলাদেশের বেশির ভাগ বস্ত্রকল ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুর জেলায় অবস্থিত।

২২। বাংলাদেশে তাঁতশিল্পের মাধ্যমে কী তৈরি করা হচ্ছে?

     উত্তর : বাংলাদেশে তাঁতশিল্পের মাধ্যমে উন্নতমানের সুতি, সিল্ক ও জামদানি শাড়ি তৈরি করা হচ্ছে।

২৩। বাংলাদেশের তৈরি কোন কাপড়টি জগদ্বিখ্যাত ছিল?

     উত্তর : একসময়ে বাংলাদেশের তৈরি মসলিন কাপড়টি জগদ্বিখ্যাত ছিল।

২৪। বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের কত ভাগ তৈরি পোশাক শিল্প থেকে আসে?

     উত্তর : বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের বেশির ভাগ তৈরি পোশাক শিল্প থেকে আসে।

২৫। পাটকলগুলো নদীতীরবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত হওয়ার কারণ কী?

     উত্তর : পরিবহন সুবিধার জন্য পাটকলগুলো নদীতীরবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত।

২৬। বাংলাদেশের কয়েকটি বৃহৎ শিল্পের নাম লেখো।

     উত্তর : বাংলাদেশের কয়েকটি বৃহৎ শিল্পের নাম হলো—সার, সিমেন্ট, ওষুধ, কাগজ, চিনি ইত্যাদি।

২৭। বাংলাদেশের কোন কোন জেলায় সার কারখানা রয়েছে?

     উত্তর : বাংলাদেশের ফেঞ্চুগঞ্জ, আশুগঞ্জ, চট্টগ্রাম, ঘোড়াশাল, তারাকান্দি প্রভৃতি জেলায় সার কারখানা রয়েছে।

২৮। কাগজ কী দিয়ে তৈরি করা হয়?

     উত্তর : গাছের গুঁড়ি দিয়ে কাগজ তৈরি করা হয়।

২৯। বাংলাদেশের কোথায় ও কয়টি সরকারি কাগজ কল রয়েছে?

     উত্তর : বাংলাদেশে তিনটি সরকারি কাগজ কল রয়েছে চন্দঘোনা, খুলনা ও পাকশীতে।

৩০। কুটির শিল্প কাকে বলে?

     উত্তর : যখন কোনো পণ্য ক্ষুদ্র পরিসরে বাড়ি-ঘরে অল্প পরিমাণে তৈরি করা হয় তখন তাকে কুটির শিল্প বলে।

৩১। বাংলাদেশের কোন কোন জেলা কাঁসাশিল্পের জন্য বিখ্যাত?

     উত্তর : বাংলাদেশের জামালপুর জেলার ইসলামপুর, টাঙ্গাইল জেলার কাগমারী এবং ঢাকা জেলার ধামরাই কাঁসাশিল্পের জন্য বিখ্যাত।