kalerkantho

রবিবার । ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ২৯ নভেম্বর ২০২০। ১৩ রবিউস সানি ১৪৪২

একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি ► পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র

বিশ্বজিৎ দাস, সহকারী অধ্যাপক, দিনাজপুর সরকারি কলেজ দিনাজপুর

১ নভেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৫ মিনিটে



একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি ► পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র

জ্ঞা ন মূ ল ক  প্র শ্ন

[পূর্ব প্রকাশের পর]

৩৬। বিনতি কাকে বলে?

            উত্তর : কোনো স্থানে ভূ-চৌম্বকক্ষেত্র অনুভূমিকের সঙ্গে যে কোণ উৎপন্ন করে অর্থাৎ চৌম্বক মধ্যতলে মুক্তভাবে স্থাপিত চুম্বক শলাকা অনুভূমিক তল থেকে যে কোণে নত অবস্থায় থাকে তাকে ওই স্থানের বিনতি বলে।

 

৩৭।     তাড়িত চৌম্বকীয় আবেশ কাকে বলে?

            উত্তর : পরিবর্তনশীল চৌম্বক ফ্লাক্স তথা ক্ষেত্র দ্বারা কুণ্ডলীতে তড়িচ্চালক বল তথা তড়িৎ প্রবাহের উৎপত্তির ঘটনাকে তাড়িত চৌম্বকীয় আবেশ বলা হয়।

 

৩৮।     স্বকীয় আবেশ কাকে বলে?

            উত্তর : কোনো বর্তনীতে তড়িৎ প্রবাহের পরিবর্তনের ফলে অথবা কোনো চৌম্বকক্ষেত্রে বর্তনীর গতির ফলে বর্তনীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট চৌম্বক ফ্লাক্সের পরিবর্তন ঘটে। এই পরিবর্তনের জন্য যে তড়িৎ চৌম্বকীয় আবেশ ঘটে তাকে স্বকীয় আবেশ বলে।

 

৩৯।     স্বকীয় আবেশ গুণাঙ্ক কাকে বলে?

            উত্তর : কোনো কুণ্ডলীতে তড়িৎ প্রবাহমাত্রা একক হারে পরিবর্তন হলে যে আবিষ্ট তড়িচ্চালক শক্তির উদ্ভব হয় তাকে স্বকীয় আবেশ গুণাঙ্ক বলে।

 

৪০।     পারস্পরিক আবেশ গুণাঙ্ক কাকে বলে?

            উত্তর : কোনো মুখ্য কুণ্ডলীতে তড়িৎ প্রবাহমাত্রা একক হারে পরিবর্তিত হলে গৌণ কুণ্ডলীতে যে আবিষ্ট তড়িচ্চালক শক্তির উদ্ভব হয় তাকে পারস্পরিক আবেশ গুণাঙ্ক বলে।

 

৪১। হেনরি কী?

            উত্তর : কোনো কুণ্ডলীতে তড়িৎ প্রবাহ প্রতি সেকেন্ডে এক অ্যাম্পিয়ার হারে পরিবর্তিত হলে যদি ওই কুণ্ডলীতে এক ভোল্ট তড়িচ্চালক শক্তি আবিষ্ট হয় তাহলে ওই কুণ্ডলীতে স্বকীয় আবেশ গুণাঙ্ককে এক হেনরি বলে।

 

৪২।     দিক পরিবর্তী প্রবাহ কাকে বলে?

            উত্তর : কোনো বর্তনীতে তড়িৎ প্রবাহ যদি একটি নির্দিষ্ট সময় পর পর দিক পরিবর্তন করে এবং নির্দিষ্ট সময় পর পর সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন মান প্রাপ্ত হয়, তবে সেই তড়িৎ প্রবাহকে দিক পরিবর্তী তড়িৎ প্রবাহ বলে।

 

৪৩।     ফার্মাটের নীতিটি লেখ।

            উত্তর : প্রতিফলিত বা প্রতিসৃত হয়ে আলোক রশ্মি যখন এক বিন্দু থেকে অপর এক বিন্দুতে যায় তখন এটা সর্বদা ক্ষুদ্রতম অথবা দীর্ঘতম অথবা অপরিবর্তনশীল (স্থির) পথ অনুসরণ করে। আলোকরশ্মি প্রতিফলিত বা প্রতিসৃত হয়ে এক বিন্দু থেকে অপর কোনো বিন্দুতে পৌঁছাতে ক্ষুদ্রতম বা বৃহত্তম বা অপরিবর্তনশীল পথ অনুসরণ করলে ওই পথ অতিক্রমের জন্য যে সময় লাগে তা সর্বাপেক্ষা কম অথবা বৃহত্তম অথবা পরিবর্তনশীল (স্থির) হবে।

 

৪৪।     লেন্সের ক্ষমতা বলতে কী বোঝায়?

            উত্তর : লেন্সের ফোকাস দূরত্বকে মিটার এককে প্রকাশ করে তার বিপরীত সংখ্যা নিলে ডায়প্টার এককে লেন্সের ক্ষমতা পওয়া যায়।

 

৪৫।     প্রতিসরাঙ্ক কাকে বলে?

            উত্তর : এক জোড়া নির্দিষ্ট মাধ্যম ও নির্দিষ্ট রঙের আলোর জন্য আপতন কোণের সাইন ও প্রতিসরণ কোণের সাইনের অনুপাত একটি ধ্রুব সংখ্যা। এই ধ্রুবককে প্রথম মাধ্যমের সাপেক্ষে দ্বিতীয় মাধ্যমের প্রতিসরাঙ্ক বলে।

 

৪৬।     প্রিজম কী?

            উত্তর : তিনটি আয়তাকার ও দুটি ত্রিভুজাকার তল দ্বারা সীমাবদ্ধ স্বচ্ছ প্রতিসারক মাধ্যমকে প্রিজম বলে।

 

৪৭।     ন্যূনতম বিচ্যুত কোণ বলতে কী বোঝায়?

            উত্তর : প্রিজমে আপতন কোণ ধীরে ধীরে বাড়তে থাকলে বিচ্যুতি কোণের মান কমতে থাকে। বিচ্যুতি কোণের মান কমতে কমতে সর্বনিম্ন মানে পৌঁছার পর এটি আর না কমে আপতন কোণের বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে। বিচ্যুতি কোণের এ সর্বনিম্ন মানকে ন্যূনতম বিচ্যুতি কোণ বলে।

 

৪৮।     আলোর বিচ্ছুরণ বলতে কী বোঝায়?

            উত্তর : কোনো যৌগিক আলোকরশ্মির বিভিন্ন বর্ণে বিভক্ত হওয়াকে আলোর বিচ্ছুরণ বলে।

 

৪৯।     পয়েন্টিং ভেক্টর কী?

            উত্তর : কোনো তাড়িত চৌম্বক তরঙ্গের গতিপথে লম্বভাবে স্থাপিত একক ক্ষেত্রফলের মধ্য দিয়ে যে হারে শক্তি সঞ্চালিত করে তাকে পয়েন্টিং ভেক্টর বলে।

৫০।     হাইগেনের নীতিটি লেখ।

            উত্তর : কোনো তরঙ্গমুখের ওপর অবস্থিত প্রতিটি বিন্দু এক একটি অণু তরঙ্গের উৎস হিসেবে কাজ করে। এই সব অণুতরঙ্গ মূল তরঙ্গের সমান বেগে সামনের দিকে অগ্রসর হয়। যেকোনো মুহূর্তে এই অণু তরঙ্গগুলোকে স্পর্শ করে যে সাধারণ তল বা স্পর্শক অঙ্কন করা যায়, সেই তল বা স্পর্শকই ওই সময়ে তরঙ্গমুখের নতুন অবস্থান নির্দেশ করে।

 

৫১।      সুসংগত উৎস কী?

            উত্তর : দুটি উৎস থেকে নির্গত আলোক তরঙ্গের দশা পার্থক্য সময়ের সঙ্গে অপরিবর্তিত থাকলে উৎসদ্বয়কে সুসংগত উৎস বলে।

 

৫২।     আলোর অপবর্তন কাকে বলে?

            উত্তর : তীক্ষ ধারবিশিষ্ট কোনো প্রতিবন্ধকের ধার বা কিনারা ঘেঁষে আলোর বেঁকে যাওয়ার ঘটনাকে আলোর অপবর্তন বলে।

 

৫৩।     আলোর ব্যতিচার বলতে কী বোঝায়?

            উত্তর : সুসংগত উৎস থেকে নিঃসৃত সমান কম্পাঙ্কের এবং সমান বা প্রায় সমান বিস্তারের দুটি আলোক তরঙ্গের উপরিপাতনের ফলে আলোর তীব্রতার পর্যায়ক্রমিক হ্রাস-বৃদ্ধিকে আলোর ব্যতিচার বলে।

 

৫৪।     অপবর্তন গ্রেটিং কী?

            উত্তর : খুব কাছাকাছি স্থাপিত বহুসংখ্যক সমান্তরাল ও সমপ্রস্থের সূক্ষ্ম চির সম্পন্ন পাতকে অপবর্তন গ্রেটিং বলে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা