kalerkantho

রবিবার । ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ২৯ নভেম্বর ২০২০। ১৩ রবিউস সানি ১৪৪২

একাদশ-দ্বাদশ ► তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

এস এম হাবিব উল্লাহ, প্রভাষক, রাউজান সরকারি কলেজ, চট্টগ্রাম

২৮ অক্টোবর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৪ মিনিটে



একাদশ-দ্বাদশ ► তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

জ্ঞা ন মূ ল ক  প্র শ্ন

তৃতীয় অধ্যায়

সংখ্যা পদ্ধতি ও ডিজিটাল ডিভাইস

[পূর্ব প্রকাশের পর]

২৭। যৌগিক লজিক গেইট কী?

            উত্তর : দুই বা ততোধিক মৌলিক গেইটের সাহায্যে যে গেইট তৈরি করা হয় তাকে যৌগিক গেইট বলে।

যেমন—

            AND Gate +NOT Gate = NAND Gate

            OR Gate + NOT Gate = NOR Gate

            OR Gate+ AND Gate +NOT Gate=X-OR Gate

            OR Gate+ AND Gate +NOT Gate=X-NOR Gate।

 

২৮।     সর্বজনীন লজিক গেইট কাকে বলে?

            উত্তর : যে গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR I NOT) অন্যান্য সব গেইট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সর্বজনীন গেইট বলে। NAND ও NOR গেইটকে সর্বজনীন গেইট বলা হয়। কারণ NAND গেইট ও NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বাস্তবায়ন করা যায়।

 

২৯।     এনকোডার কী?

            উত্তর : এনকোডার এক ধরনের ডিজিটাল বর্তনী, যার কাজ হলো মানুষের ভাষাকে কম্পিউটারের বোধগম্য যান্ত্রিক ভাষায় রূপান্তর করা। এ বর্তনীর সর্বাধিক 2nটি ইনপুট থেকে n সংখ্যক আউটপুট লাইন পাওয়া যায়। যেকোনো মুহূর্তে একটি মাত্র ইনপুট ১ এবং বাকি সব ইনপুট ০ থাকে। এনকোডার সাধারণত ইনপুট ডিভাইসের সঙ্গে যুক্ত থাকে  যেমন কি-বোর্ডের সঙ্গে।

 

৩০।     ডিকোডার কী?

            উত্তর : ডিকোডার হলো এমন একটি সমবায় সার্কিট যার কাজ কম্পিউটারের বোধগম্য যান্ত্রিক ভাষাকে মানুষের ভাষায় রূপান্তর করা। যার সাহায্যে হ সংখ্যক ইনপুট থেকে সর্বাধিক ২হ সংখ্যক আউটপুট লাইন পাওয়া যায়। যেকোনো একটি আউটপুট লাইনের মান ১ হলে বাকি সব আউটপুট লাইনের মান ০ হবে। কখন কোন আউটপুট লাইনের মান ১ হবে তা নির্ভর করে ইনপুটগুলোর মানের ওপর।

 

৩১।      অ্যাডার কী?

            উত্তর : যে সমবায় সার্কিট দ্বারা যোগ করা যায় তাকে অ্যাডার বলে। কম্পিউটারের সব গাণিতিক কাজ যোগের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়; তাই ডিজিটাল ইলেকট্রনিকসে অ্যাডারের গুরুত্ব অপরিসীম।

 

৩২।     হাফ-অ্যাডার কী?

            উত্তর : যে বর্তনী দুটি বিট যোগ করে একটি যোগফল ও ক্যারি বের করতে পারে, তাকে হাফ-অ্যাডার বলে।

 

৩৩। ফুল-অ্যাডার কী?

            উত্তর : যে বর্তনীর মাধ্যমে তিনটি বাইনারি বিট (দুটি ইনপুট বিট ও একটি পূর্বের ক্যারি বিট) যোগ করে একটি যোগফল এবং বর্তমান ক্যারি বিট পাওয়া যায়, তাকে ফুল-অ্যাডার বা পূর্ণ যোগের বর্তনী বলে। ক্যারিসহ অপর দুটি বিট যোগ করার জন্য ফুল- অ্যাডার ব্যবহৃত হয়। আবার দুটি হাফ-অ্যাডার দ্বারাও একটি ফুল-অ্যাডারের কাজ করা যায়।

৩৪।     ফ্লিপ-ফ্লপ কী?

            উত্তর : ফ্লিপ-ফ্লপ হলো লজিক গেইট দিয়ে তৈরি এক ধরনের ডিজিটাল বর্তনী, যা এক বিট তথ্য ধারণ করতে পারে। প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপে এক বা একাধিক ইনপুটের জন্য দুটি আউটপুট পাওয়া যায়।

 

৩৫। রেজিস্টার কী?

            উত্তর : রেজিস্টার হলো একগুচ্ছ ফ্লিপ-ফ্লপ এবং গেইটের সমন্বয়ে গঠিত সার্কিট, যা অস্থায়ী মেমরি হিসেবে কাজ করে। এর প্রত্যেকটি ফ্লিপ-ফ্লপ একটি করে বাইনারি বিট সংরক্ষণ করতে পারে। n বিটের একটি বাইনারি তথ্য ধারণের জন্য n সংখ্যক ফ্লিপ-ফ্লপবিশিষ্ট একটি রেজিস্টার প্রয়োজন।

 

৩৬।     কাউন্টার কী?

            উত্তর : কাউন্টার হলো এমন একটি সিকুয়েনশিয়াল সার্কিট, যা ফ্লিপ-ফ্লপ ও লজিক গেইট দিয়ে গঠিত এবং তাতে দেওয়া ইনপুট পালসের সংখ্যা গুনতে পারে।

 

৩৭। মোড নাম্বার বা মডিউলাস কী?

            উত্তর : কাউন্টারের মোড নাম্বার বা মডিউলাস হলো কাউন্টারটি সর্বোচ্চ যত সংখ্যা গুনতে পারে। একটি n-বিট কাউন্টার ধারাবাহিকভাবে ০ থেকে 2n -1 সংখ্যক সংখ্যা গণনা করতে পারবে। অর্থাৎ n বিট কাউন্টারের মডিউলাস সংখ্যা 2n।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা