kalerkantho

মঙ্গলবার । ৪ কার্তিক ১৪২৭। ২০ অক্টোবর ২০২০। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

জ্ঞা ন মূ ল ক প্র শ্ন

অষ্টম শ্রেণি : বিজ্ঞান

মো. মিকাইল ইসলাম নিয়ন, সহকারী শিক্ষক, ঝিনুক মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, চুয়াডাঙ্গা সদর চুয়াডাঙ্গা

১৯ অক্টোবর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



 

দ্বিতীয় অধ্যায়

জীবের বৃদ্ধি ও বংশগতি

 

১।   জীবদেহে কয় ধরনের কোষ বিভাজন দেখা যায়?

     উত্তর : জীবদেহে তিন ধরনের কোষ বিভাজন দেখা যায়।

 

২।   কোন ধরনের কোষ বিভাজনে জননকোষ উৎপন্ন হয়?

     উত্তর : মিয়োসিস কোষ বিভাজনে জননকোষ উৎপন্ন হয়।

 

৩।   মানুষের প্রতিটি দেহকোষে কয়টি ক্রোমোজোম রয়েছে?

     উত্তর : মানুষের প্রতিটি দেহকোষে মোট ২৩ জোড়া অর্থাৎ ৪৬টি ক্রোমোজোম রয়েছে।

 

৪।   বংশগতি কাকে বলে?

     উত্তর : যে প্রক্রিয়ায় মাতা-পিতার বৈশিষ্ট্য সন্তান-সন্ততিতে সঞ্চালিত হয়, তাকে বংশগতি বলে।

 

৫।   ক্যারিওকাইনেসিস কী?

     উত্তর : মাইটোসিস কোষ বিভাজনের প্রথম পর্যায়ে নিউক্লিয়াসের বিভাজন ঘটে এবং নিউক্লিয়াসের এ বিভাজনকে ক্যারিও-কাইনেসিস বলে।

৬।   ক্রোমোজোম কাকে বলে?

     উত্তর : নিউক্লিয়াসে অবস্থিত নির্দিষ্টসংখ্যক সুতার মতো যে অংশগুলো বংশগত বৈশিষ্ট্য বহন করে তাদের ক্রোমোজোম বলে।

 

৭।   মিয়োসিস কী?

     উত্তর : যে প্রক্রিয়ায় মাতৃকোষের নিউক্লিয়াস পরপর দুইবার বিভাজিত হয় এবং ক্রোমোজোমের বিভাজন একবার ঘটে। ফলে সৃষ্ট অপত্য কোষে ক্রোমোজোমের সংখ্যা অর্ধেক হ্রাস পায়। তাকে মিয়োসিস বলে।

 

৮।   অ্যামাইটোসিস কোষ বিভাজন কাকে বলে?

     উত্তর : যে কোষ বিভাজনে মাতৃকোষের নিউক্লিয়াস ও সাইটোপ্লাজম সরাসরি বিভক্ত হয়ে দুটি অপত্য কোষ সৃষ্টি করে তাকে অ্যামাইটোসিস কোষ বিভাজন বলে।

 

৯।   জিন কাকে বলে?

     উত্তর : জীবের বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণকারী DNA-এর অংশকে জিন নামে অভিহিত করা হয়।

 

১০। বংশগতির জনক কে?

     উত্তর : বংশগতির জনক গ্রেগর জোহান মেন্ডেল।

 

১১। মিয়োসিসকে হ্রাসমূলক বিভাজন বলা হয় কেন?

     উত্তর : মিয়োসিস কোষ বিভাজনে মাতৃকোষের  নিউক্লিয়াসটি পরপর দুইবার বিভাজিত হলেও ক্রোমোজোম বিভাজিত হয় মাত্র একবার। ফলে অপত্য কোষে ক্রোমোজোমের সংখ্যা অর্ধেক হয়ে যায়। তাই এ ধরনের বিভাজনকে হ্রাসমূলক বিভাজন বলে।

 

১২।  ইন্টারফেজ অবস্থা বলতে কী বোঝায়?

     উত্তর : কোষ বিভাজনের ক্যারিওকাইনেসিস ও সাইটোকাইনেসিস শুরু হওয়ার আগে কোষটির নিউক্লিয়াসকে কিছু প্রস্তুতিমূলক কাজ করতে হয়। কোষটির এ অবস্থাকে ইন্টারফেজ বলে।

 

১৩।  ক্রোমোজোমকে বংশগতির ভৌত ভিত্তি বলা হয় কেন?

     উত্তর : জীবদেহের বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণকারী DNA-এর অংশকে জিন নামে অভিহিত করা হয়। ক্রোমোজোম জিনকে এক বংশ থেকে পরবর্তী বংশে বহন করার জন্য বাহক হিসেবে কাজ করে বংশগতির ধারা অক্ষুণ্ন রাখে। মিয়োসিস কোষ বিভাজনের মাধ্যমে বংশগতির ধারা অব্যাহত থাকে। এ কারণে ক্রোমোজোমকে বংশগতির ভৌত ভিত্তি বলা হয়।

 

১৪। বহুকোষী জীবের দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি পায় কেন?

     উত্তর : বহুকোষী জীবদের দেহকোষের সংখ্যা বৃদ্ধি হয়ে জীবদেহের সামগ্রিক বৃদ্ধি ঘটে। মাইটোসিস কোষ বিভাজনের দ্বারা বহুকোষী জীবের দেহকোষের সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। আর দেহকোষের সংখ্যা বৃদ্ধি পায় বলেই জীবের দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি পায়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা