kalerkantho

বুধবার । ৫ কার্তিক ১৪২৭। ২১ অক্টোবর ২০২০। ৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

সৃ জ ন শী ল

সপ্তম শ্রেণি বিজ্ঞান

২০ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



দ্বাদশ অধ্যায়

সৌরজগৎ ও আমাদের পৃথিবী

 

অ নু ধা ব ন মূ ল ক  প্র শ্ন

[গতকালের পর]

৩। শুকতারা ও সন্ধ্যাতারা বলতে কী বোঝায়? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর : পৃথিবী থেকে ভোরবেলায় শুকতারা ও সন্ধ্যায় পশ্চিম আকাশে যে তারাটি দেখা যায়, সেটিই সন্ধ্যাতারা নামে পরিচিত। এটি কোনো নক্ষত্র না, এটি আসলে শুক্র গ্রহ। ভোরবেলা ও সন্ধ্যায় সূর্যের আলো শুক্র গ্রহের ওপর পড়ে বলে এটাকে তারার মতো মনে হয়।

৪। আগের মানুষ কেন মনে করত সূর্য পৃথিবীকে কেন্দ্র করে ঘোরে?

উত্তর : প্রাচীনকালে মহাকাশ গবেষণার কোনো যন্ত্র ছিল না। খালি চোখে যেমনটা বোঝা যেত, তা-ই ধারণা করা হতো। ভোরবেলায় সূর্য পূর্ব দিগন্তে উঠে ধীরে ধীরে মাথার ওপরে এসে পশ্চিম দিগন্তে ডোবে, পৃথিবী থেকে এটা দেখে তাই ধরে নেওয়া হয় সূর্য পৃথিবীকে কেন্দ্র করে পূর্ব থেকে পশ্চিম দিকে ঘোরে। ফলে আগের দিনে সাধারণ মানুষসহ অনেক বিখ্যাত বিজ্ঞানী ও জ্যোতির্বিদরাও মনে করতেন সূর্য পৃথিবীকে কেন্দ্র করে ঘোরে।

৫। অমাবস্যা ও পূর্ণিমা কেন হয়?

উত্তর : চাঁদ ২৭ দিন ৮ ঘণ্টায় পৃথিবীকে একবার প্রদক্ষিণ করে। এই প্রদক্ষিণের সময় এক রাতে চাঁদকে একেবারেই দেখা যায় না, তাকে অমাবস্যা বলে। পরের দিন থেকে সরু এক ফালি চাঁদ পশ্চিম আকাশে দেখা যায়। এটি প্রতি রাতে বড় হতে থাকে এবং এর দুই সপ্তাহ পর চাঁদ পরিপূর্ণ হয়ে একটি থালার মতো দেখা যায়। একে পূর্ণিমা বলে। এভাবে ২৯ বা ৩০ দিন পর পর অমাবস্যা ও পূর্ণিমা হতে দেখা যায়।

৬। গ্রহ ও নক্ষত্রের দুটি পার্থক্য লেখো।

উত্তর : গ্রহ আকারে ছোট এবং এর তাপমাত্রা কম, অন্যদিকে নক্ষত্র আকারে অনেক বড় এবং তাপমাত্রা তুলনামূলক অনেক বেশি।

গ্রহ শক্তি উৎপন্ন করতে পারে না, অন্যদিকে নক্ষত্র হাইড্রোজেন পরমাণু পরস্পরের সঙ্গে মিলিত হয়ে হিলিয়ামে রূপান্তরের ফলে প্রচুুর শক্তি উৎপন্ন হয়। ফলে এরা আলো ও তাপ নিঃসরণ করে।

গ্রন্থনা : আল সানি

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা