kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৩ আষাঢ় ১৪২৭। ৭ জুলাই ২০২০। ১৫ জিলকদ  ১৪৪১

ইউএসবি ফ্ল্যাশ ড্রাইভ

৫ জুন, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ইউএসবি ফ্ল্যাশ ড্রাইভ

[সপ্তম শ্রেণির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বইয়ের দ্বিতীয় অধ্যায়ে ইউএসবি ফ্ল্যাশ ড্রাইভের কথা উল্লেখ আছে]

ইউএসবি ফ্ল্যাশ ড্রাইভ ফ্ল্যাশ ডাটা স্টোরেজ ডিভাইস ও ইউনিভার্সাল সিরিয়াল বাস ইন্টারফেসের সমন্বয়ে গঠিত। বর্তমানে এটি পেনড্রাইভ নামে বেশি পরিচিত। এটি সাধারণত সিস্টেম থেকে বিচ্ছিন্নকরণযোগ্য এবং পুনরায় ডাটা লেখা যায়। বাহ্যিকভাবে ফ্লপি ডিস্ক বা অপটিক্যাল ডিস্ক থেকে অনেক ছোট। বেশির ভাগ ইউএসবি ফ্ল্যাশ ড্রাইভের ওজন ৩০ গ্রামের চেয়েও কম। মূলত ফ্লপি ড্রাইভ ও ইউএসবি ফ্ল্যাশ ড্রাইভ একই উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়। আনুমানিক ২০০৫ সাল পর্যন্ত ডেস্কটপ ও ল্যাপটপ কম্পিউটারগুলোর সঙ্গে ফ্লপি ড্রাইভ দেওয়া হতো। তবে ইউএসবি ফ্ল্যাশ ড্রাইভের ব্যবহার ফ্লপি ড্রাইভের তুলনায় অনেক বেশি সুবিধাজনক হওয়ায় ফ্লপি ড্রাইভের ব্যবহার দিন দিন কমতে থাকে।

ইসরায়েলি কম্পানি এম সিস্টেমসের তিন ব্যক্তি—আমির ব্যান, ডভ মোর্যান ও অরোন অগড্যান প্রথম তারযুক্ত এক ধরনের ইউএসবি ফ্ল্যাশ ড্রাইভ তৈরি করেন। ২০০০ সালে বাণিজ্যিকভাবে ডিভাইসটি বাজারে আনে ট্রেক টেকনোলজি ও আইবিএম নামের কম্পানি। ট্রেক টেকনোলজি ডিভাইসটির নাম দেয় থাম্বড্রাইভ ও আইবিএম নাম দেয় ডিস্কঅনকি। ডিস্কঅনকির ধারণক্ষমতা ছিল ৮ মেগাবাইট। ফিশন ইলেকট্রনিকস করপোরেশন সর্বপ্রথম বিচ্ছিন্নকরণযোগ্য ইউএসবি ফ্ল্যাশ ড্রাইভ তৈরি করে এবং তার নাম দেয় পেনড্রাইভ। আধুনিক ফ্ল্যাশ ড্রাইভে ইউএসবি ২.০ সংযোগ থাকে। ইউএসবি ২.০ সংযোগের সর্বোচ্চ ডাটা স্থানান্তর গতি ৬০ মেগাবাইট/সেকেন্ড।

বর্তমানে বাজারে বিভিন্ন ধরনের সুন্দর ডিজাইনের ইউএসবি ফ্ল্যাশ ড্রাইভ পাওয়া যায়। কোনো কোনো ফ্ল্যাশ ড্রাইভে ১০ বছর পর্যন্ত ডাটা সংরক্ষণ করে রাখা যায়। ফ্লপি ডিস্কের তুলনায় আকারে ছোট, দ্রুত কাজ করতে সক্ষম, হাজার গুণ বেশি তথ্য ধারণক্ষমতাসম্পন্ন, অনেক বেশি টেকসই ও নির্ভরযোগ্য হওয়ায় ইউএসবি ফ্ল্যাশ ড্রাইভ অল্প সময়ের মধ্যেই ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। এখন পর্যন্ত এক টেরাবাইট ধারণক্ষমতাসম্পন্ন ইউএসবি ফ্ল্যাশ ড্রাইভ বাজারে এসেছে। বর্তমান সময়ের ফ্ল্যাশ ড্রাইভগুলোর বেশির ভাগই কোনো ধরনের ব্যাটারি ছাড়া চলতে সক্ষম।

ইন্দ্রজিৎ মণ্ডল

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা